জালাল উদ্দিন আহমেদ
কপাল পোড়া বাঙালী
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৭ জুলাই,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:১৪ পিএম, ৭ জুলাই,মঙ্গলবার,২০২৬
কি সব অবাস্তব এবং হাস্যকর ঘটনা ঘটে চলেছে আমাদের ভ্রাতৃপ্রতীম পার্শবর্তী বাংলা ভূখন্ডে। এটা কি কপাল পোড়া বাঙালীর ললাটের লিখন কিনা জানা নেই। তবে এসব যে অবধারিত ছিল তা কিন্তু রাষ্ট্র বিজ্ঞানের মহাজনেরা আগেই আঁচ করে রেখেছিলেন। দেখুন, ধর্ম নিয়ে জাতপাত করা কিংবা পৈতাই ঘি মালিশ করার দিন কি এখন আর আছে! কবে কোন বাংলার বাঘ আশুতোষ মুখার্জী মশাইয়ের ঘিয়ে তা’ দিয়ে পৈতা চকচকে করা কিংবা মুছে তা’ দেয়ার কেচ্ছা কাহিনী আমরা ছোটবেলায় পড়েছিলাম। তার সুপুত্র শ্যামাপ্রসাদের হিন্দু মুসলিম বিভাজনের গ্যাঁড়াকলে বৃহত্তর বাংলা ভূখন্ডের মাটি ভাগের সেই লজ্জাজনক কেচ্ছা কাহিনী তো আমরা জানি। যে জ্যোতি বসুকে নিয়ে যতসব মহান কমরেড ইত্যাদির চিৎকার চেঁচামেচি, সেই পাঁড় কমিউনিষ্ট বাঙাল বাবু কলকাতায় গিয়ে কিভাবে তার কমিউনিজমের আন্তর্জাতিকতাবাদকে পায়ে ঠেলে এই বাংলাকে দু'ভাগ করার মন্ত্র গেয়ে একজন সাম্প্রদায়িক শ্যামা বাবুর কোলে উঠে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার শিখন্ডি হলেন সেটাই মাথায় ঢুকেনা। জানিনা নেতাজী সুভাস বোস তৎসময়ে বৃটিশ ভারতে সশরীরে সক্রিয় থাকলে এই বর্ণচোরা কমিউনিষ্ট বাবুরা সামনে আসতে পারতেন কি না? যা হবার তা তো হয়েই গেল, কিন্তু সহস্র বর্ষীয় ব্রাহ্মন্য সামন্ত প্রভূত্বের সেই ধুমায়িত তুষের আগনে কেরোসিন ঢেলে আবারো কোন্ শ্যামা প্রসাদদের আগমনের বিউগলগুলো বেজে উঠছে - তা কি কেউ বলবেন! বাংলার এতদিনের সম্প্রীতি ও সৌহার্দের পুন্য ভূমিতে ফের দাঙ্গা ফ্যাসাদের বারুদ মাখানো মশালগুলো জ্বালানোর এন্তেজামে কারা এত দাদাগিরির আস্ফালনে ছটপটানি দেখাচ্ছে! এ তো নেহাতই কোন কথার কথা নয়। এ এক খরতপ্ত চোতের দগ্ধ জনপদে মহাপরাক্রমশালী বৈশাখী তান্ডবের আগমনী পুর্বাভাস! এজন্যই হয়তো কলম ধরার শুরুতেই “কপাল পুড়া বাঙালী” শব্দগুলি বেরিয়ে এসছে।
সাতচল্লিশের ধর্মীয় উলঙ্গপনার জাতিভেদ আমাদের এই বাঙালী ভূখন্ডে যে রক্তক্ষরন ঘটিয়েছিল তার ক্ষত চিহ্ন নিয়েই তো আমরা বেঁচে আছি। একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে সেদিনের সেই রক্তঝরা দিনগুলি আজো প্রতিনিয়ত বাঙালী হৃদয়কে তার সর্বনাশা ধর্মান্ধ ক্ষমতালিপ্সু বর্ণ চরিত্রের ব্রাহ্মন্য কর্তা মশাই বা ফতোয়াবাজ মুসলিম চরিত্রের কর্তাদের কথা মনে করিয়ে দেয়। নইলে সহস্র বর্ষীয় ঐতিহ্যের ভ্রাতৃপ্রতীম বৃহত্তর বাংলা ভূখন্ডে কি এমন ধর্মীয় উচাটন তৈরী হোল যে হঠাৎ করে বড়লাটের কাছে বাংলা ভাগের আর্জি পৌঁছে গেল! আর বিশ্ব লুটেরা ধুরন্ধর বৃটিশ জাতি সেই সর্বনাশা যুক্তিকে সাদরে গ্রহন করলো। সেদিন কি এমন কোন বাঙালী নেতৃত্ব ছিলনা যারা বাঙালী অসহায়ত্বের গত পঁচাত্তর বছরের তিলে তিলে ক্ষয় হওয়ার পুর্বাভাস আঁচ করতে পারেন নি। সেদিনের বাংলা নেতৃত্ব নিজেদের ব্যক্তিগত উৎকর্ষতা ব্যতিরেখে বাংলার সামগ্রিকতায় যুথবদ্ধতা তৈরী করতে পেরেছিলেন কি? আজকের শুভেন্দুরা সারমেয় চরিত্র নিয়ে তাদের প্রতিবেশী সগোত্রীয় অথচ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রটিকে নিয়ে যেভাবে সেই আওয়াজটি তুলে রাস্তাঘাট সরগরম রেখেছেন তাতে কি সেই পাড়ার নেড়ি..……. লাহান মনে হচ্ছে না! কেন এত হিংসা বিদ্বেষের ছড়াছড়ি! থাকো না বাবু মশাইরা, তোমাদের মত করে। হিন্দুস্তানী হিন্দু হয়ে কৈলাসীয় স্বর্গে গিয়ে দেবরাজ ইন্দ্রের জলসায় তানপুরা আর নরসুন্দরী নর্তকীদের নাচিয়ে ধন্য হতে চেয়েছিলে - তা হও, কিন্তু সহবস্থানের অন্য প্রজাতির হিন্দুস্তানীদের সাথে এত কাইজ্যা ফ্যাসাদের হেতু কি? তোমরা তো স্বর্গে তোমাদের গো-মাতা না গো-পিতা সেই ‘ভোলা'কেও নিয়ে স্বর্গ-নরকের সিংহ দুয়ারে দশেহারাও করিয়েছো। এই যে জন্মের পর হতে এত এত আয়োজনের কতশত সিএএ এস আই আরের উটকো ঝক্কি ঝামেলা তৈরী করে নিজেদের পায়েই কুড়াল মেরেই চলেছো, এর শেষ কোথায়?
পুরনো ভাবনাগুলো এবং আমাদের কর্ম পরিধির ভবিষ্যতহীন উড়নচন্ডি চলাফেরা আমাদেরকে অনেক ভুগিয়েছে। আসলে ব্রিটিশ বেনিয়াদের জি হুজুরী করতে গিয়ে এক ধরনের বাঙালী বাবু হঠাৎ করে white color এর ডেপুটি বা বৃটিশ শাসনের ভারতীয় মেকানিজমে বড়বাবু কর্তাবাবুর চাকুরী নিয়ে ইংরেজ আদলে মিশে নিজেরাই ময়ুর পুচ্ছ লাগানোর পর্যায়ে নিজেদেরকে উপস্থাপন করতেন। বর্ণ বিদ্বেষী হিন্দু বাবুরা সেসময় নিজেদেরকে ইংরেজ জাত পরিচয়ে জাহির করতেন। এরই পরম্পরার অতি উৎসাহী অন্বেষায় হয়তোবা বাংলার মত তৎসময়ের এত সমৃদ্ধ ও অগ্রগামী বৃটিশ ভারতের রাজ্যটিকে এভাবেই বার বার কাটাছেঁড়া করা এবং স্বাধীনতা প্রাপ্তির সন্ধিক্ষনে পুর্ব পশ্চিমের দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। তাও আবার ধর্ম পরিচয়ের সূত্রকে সামনে রেখে। সেক্ষেত্রে বাংলা বিভাজনের মূল সূত্র হয়ে দাঁড়ায় জাতিগত প্রাধান্যের পরিবর্তে মৌলবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর লক্ষণ রেখা টেনে ভূখন্ড ভাগ করা। এভাবেই চিন্তা চেতনায় অগ্রগামী একটি জাতিগোষ্ঠীকে কতিপয় মৌলবাদী নেতৃত্বের যুপকাষ্ঠে ফেলে তাদের বাঙালীয়ানার শাশ্বত ঐতিহ্যকে বলি দেয়া হয়। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বন্দে মাতরম ও ইনকিলাব জিন্দাবাদে সন্তুষ্টি আসে বটে তবে সর্ব ধর্ম বর্ণের বাঙালীয়ানায় কোথায় যেন ছেদ পড়ে যায়। তবে এর ফলভোগ করে ধর্মের ছাপ মারা কতিপয় আশীর্বাদপুষ্ট বর্ণচোরা মানুষ। করাচি লাহোরের মাথা মোটা ধর্মবাদী শাসকদের মাথায় অতশত চিকন বুদ্ধি না থাকলেও দিল্লি বলয়ের চানক্য ব্রাহ্মন্যের চিকন বুদ্ধির পলিসি মেকাররা ঠিকই বুঝেছিলেন যে বাংলাকে অখন্ড স্বত্ত্বায় রাখলে ভবিষ্যত ভারতের অস্তিত্ব সকটের সৃষ্টি হবে। ফলে ধর্মের নামে শোরগোল, সহিংসতা সৃষ্টি করে বাঙালীর মেরুদন্ড ভাঙ্গার সেটাই ছিল মোক্ষম সময়।
সাতচল্লিশে বাংলা ভেঙ্গে যখন দু'টুকরো করা হোল, তখন ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষের বাঙালী হৃদয়ের একান্নবর্তী বাঙালীয়ানা ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল। ছোটবেলার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি - বাবা গফুর শেখ ছিলেন শহর সংলগ্ন গ্রামের একজন অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্ত মানুষ। এই অজাতশত্রু গৃহস্ত গফুর শেখের বাড়িতে প্রতি সন্ধ্যায় চায়ের আড্ডা বসতো। কাকে না দেখেছি সেই সাঁঝ বেলার আড্ডায়! তখনকার দিনের সেই ব্রুকবন্ড চা আর বাড়ির গাইয়ের দুধের দুধ-চা, সঙ্গে চাঙ্গারী ভর্তি সরিষার তেলে মাখা মুড়ি, আর উঠান বারান্দার চৌকি ও মুড়ায় বসে মুড়ি চিবিয়ে চায়ের সুড়ৎ সুড়ৎ শব্দ। বড় শিহরিত হতাম বড়দের এই প্রতিদিনের আড্ডাবাজি দেখে। কে নেই সেখানে! পাড়ার মোড়ল এবং সচেতন মুরুব্বীরা পাশের বাধা গ্রামের সনাতন মন্ডল, ওদিকে আধা কিলোমিটার দূরত্বের মহিনপুর গ্রামের ফটিক'দা অর্থাৎ ফঠিক চন্দ্র দাস। সেই আড্ডায় দেখেছি ধর্মভেদের সৌহার্দ ও সম্প্রীতি। কত আলাপই না হোত সেই আড্ডাগুলোতে। গ্রামের সমস্যা, গ্রাম পঞ্চায়েতের অনিয়ম, থানা পর্যায়ের অসংগতি, রাজ্য ও দিল্লি পর্যন্ত থাকতো সেই আলাপ আড্ডার টপিকসে।৷ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেইসব টুকরো টুকরো ঝলক থেকেই হয়তো নিজেকে অসাম্প্রদায়িক ভাবার গর্বে আমি আজ গর্বিত। এটা ষাটের দশকের চালচিত্র। সেটা হয়তো আশি নব্বই পর্যন্ত ছিল। বাঙালীর গ্রাম্য উঠান এভাবেই ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে তাদের একান্ন বর্তিতার নমুনায় সমৃদ্ধ ছিল। ঘোষপাড়ার ভবতোষ ঘোষ যেমন তার দুঃসময়ে মিয়া পাড়ার অলি মিয়ার ধান বেচার টাকায় নিজের গাই বাছুরের পরিচর্যায় স্বাবলম্বী থেকেছে তেমনি শেখপাড়ার হারু শেখ তার দৈনন্দিন টানাপোড়েনে মন্ডল পাড়ার অজিত মন্ডলের সার্বিক সহয়তায় সমাজে দাঁড়াতে পেরেছে।
তবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে আপ্তবাক্য নিয়ে আমাদের রাজনীতির দুই মেরুর রাজনীতিবিদরা আমদের সামনে ছিল বা এখনকার বাস্তবতায় এসেছে তারা কখনোই ধর্ম গন্ডির সীমানা অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে উপমহাদেশের বৃটিশ মুক্ত স্বাধীন ভূখন্ডেও জ্বালিয়ে দেয়া সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প তুষের আগুনের ন্যায় আজও ধুমায়িত সুপ্ত আগ্নেয়গিরির ন্যায় নিজের অস্তিত্ব ধরে রেখেছে। এ বিষফোঁড় অবদমিত হবে কিনা জানিনা, তবে একথা সচেতনতার সঙ্গেই বলা যায় যে ধর্মীয় রাজনীতির মুলোৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত এই বহ্নিশিখা নিভানোর কার্যকরী শক্তি কোন ঐশ্বরিক মহাযজ্ঞ বা দোয়া মাহফিলেও সম্ভব হবেনা। সুতরাং ভাইয়ে ভাইয়ে ভিনু হওয়ার পরও যখন সাম্প্রদায়িক প্রতিহিংসার বিষাক্ত থাবাটিকে শেকড়শুন্য করা গেলনা, তখন আখেরে ওই বৃটিশ শক্তির পর পাঞ্জাবী ও মাড়োয়ারী নিষ্পেষন ভাগ্য লিখনে ছিল ধরে নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনার সুতোয় পাক দেয়া উচিত ছিল। সেক্ষেত্রে কলকাতার তথাকথিত চাকচিক্যের ব্রাহ্মন্য শিক্ষিত বাবু মশাইদের বলতে ইচ্ছে করে যে তাদের কথিত পুবের ম্লেচ্ছ বাঙালরা পাকিস্তানী পাঞ্জাবীদের নাগমুক্ত হয়ে তার স্বকীয়তার অর্ধশতাব্দী পার করে দিল। সুতরাং ধর্মের নামে দশেরা, গনেশ চতুর্থী, নবরাত্রি, হনুমান চলিশা, এমনকি রামনবমী, দিওয়ালী ইত্যাদির দাক্ষিণাত্য ও পশ্চিম ভারতীয় ধর্মাচারণগুলির মোহ ভেঙ্গে বাঙালীর হেসেলে আসুন। আপন ঐতিহ্যের দুর্গা কালী অন্নপুর্ণাদের নিয়ে বাঙালীয়ানায় সমৃদ্ধ হোন। পশ্চিমের বাঙালী বাবুদের বলছি,আর্য ব্রাহ্মন্য সমন্বয়ের গুজরাঠী মাড়োয়ারী অপশক্তির নাগপাশ থেকে বাংলা মুক্ত করার অদম্য বাসনায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙালীয়ানার জয়গানে শপথ নিতে হবে। ভারতীয় হয়ে মহান হোন! কিন্তু বাঙালী অস্মিতা বিসর্জন দিয়ে নয়।
যুক্তরাষ্ট্রকে তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ বিক্রি না করার অনুরোধ নেতানিয়াহুর
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে এক রাতেই নারী-শিশুসহ ৯ জনের মৃত্যু
কপাল পোড়া বাঙালী
‘ডিভোর্স যেই দিক, স্বামীকে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে’
পলাতক ৩ জেনারেল এখন কলকাতার সেনা এলাকায়
চিরকুট দুইশত উনিশ
৮টি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবুও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
বিদেশি মাকড়সা কিংবা সাপ কেন আনা হচ্ছে বাংলাদেশে?
চিরকুট দুইশত আঠারো
ফ্যাসিবাদ ও মৌলবাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রী
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, ভিসা স্থগিত
এলপিজি গ্যাসের কমিয়ে নতুন দাম ১৫২৮ টাকা নির্ধারণ
প্রবাসীদের বড় স্বস্তি, ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে সময় বাড়াল সৌদি
গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার বহাল, ট্রাম্পের আদেশ খারিজ
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



