avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

নক্ষত্র পতন

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৭ জুন,শনিবার,২০২৬ | আপডেট: ১১:১৭ পিএম, ২৭ জুন,শনিবার,২০২৬

Text

ছোটবেলায় পাঠশালা বা বিদ্যালয়ে পড়ে জেনেছি নক্ষত্র পতন কি এবং কাকে বলে। কেন হয় তাও জেনেছি। কিন্তু নক্ষত্র তো আর গাছে ধরেনা, তাই পড়া বা পাড়ার ব্যাপারটা নিয়ে বেশ চিন্তিতই বলে মনে হোত ছোটবেলার সহপাঠী আনিসুরকে। বিদ্যাভবনের সেরা ছাত্র আনিসুর প্রতিটি জিনিস নিয়েই ভাবে। কিন্তু সরল ভাবে। জটিল অংকের মারপ্যাঁচ বা বিজ্ঞানের কঠিন সব ব্যাখ্যা বিশ্লেষন তার গা সয় না। ফলে এই নক্ষত্র পতন শব্দ যুগল তার মোটেই পছন্দ নয়। গ্রাম্য গৃহস্তের বাড়িতে হেমন্তের শুভ্র পরিবেশে চাঁদনী রাতে সবাইকে নিয়ে খোলা উঠানে পাটি বিছিয়ে বসে  আড্ডা মারার দৃশ্য খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। হঠাৎ পাশে বসা মা আঙ্গুল তুলে বলে উঠেন দেখ্‌ দেখ্‌ তারা খসে পড়লো। সঙ্গে সঙ্গে কি যেন দোয়াও তিনি পড়লেন। পাশের বাড়ির মাসীমা হয়তো ওটা দেখে নিজস্ব ধর্মীয় আচারে দুগ্যা দুগ্যা বলে হাতজোড়া কপালে ঠেকালেন। এই তারা, উল্কা বা ধুমকেতু খসে পড়ার গল্প আমরা অনেক পড়েছি। বাকী পতনের আলাপগুলো ব্যক্তি সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের। এটা নিয়ে মতদ্বৈধতার সুযোগ কোথায়! আক্ষরিক অর্থে রাতের আকাশে কোনো উল্কাপিন্ড খসে পড়াকে ধুমকেতু পতন বা তারা খসে পড়া বোঝায়। অন্য অর্থে, সমাজ বা সংস্কৃতির কোনো উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব, কিংবদন্তি, বা প্রভাবশালী মানুষের মৃত্যু বা কর্মজীবনের আকস্মিক বিপর্যয় বোঝাতে এই রূপকটি বহুল ব্যবহৃত হয়। আজকের জামানায় এই নক্ষত্র পতন হোল না উত্থান হোল এটা নিয়ে কেউ ভাবে না। ভাববার সময়ইবা তাদের কোথায়। এখন তো বাড়ি বাড়ি নক্ষত্র বা স্টারের ছড়াছড়ি।  এই ফেরি করে কেনা বেচার স্টার নিয়ে মানুষের ভাববার সময় কোথায়! 


বাংলার জমিনে(অবশ্য বৃহত্তর বাংলাকে নিয়েই বলছি) গত বছর দুয়েক সময়ের মধ্যে যে তুলকালাম ঘটনাগুলো ঘটলো সেটাকে কোন্‌ সংজ্ঞায় ফেলা যায় সেটাই এখন ভাবনার বিষয়। পাশাপাশি দুটি রাষ্ট্রের একটি স্বাধীন বাংলাদেশে, অন্যটি ভারত রাষ্ট্রের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের দুটি ঘটনাকেই একশ্রেনীর মাথাওয়ালা মানুষ নক্ষত্র পতন বলে চালিয়ে নিচ্ছেন। চালাবেনই বা না  কেন! তারা তো নক্ষত্র হয়েই এই দুই ভুখন্ডে তাদের দৌর্দন্ড প্রতাপের রাজ চালিয়ে গেছেন। কি নিখুঁত পরিচালনা ও পরিচর্যার এন্তেজাম। সব যেন আলা'দিনের চেরাগ ঘষাঘসির ব্যপার স্যাপার। দুই মহিয়সী নারীর(!) সেকি জোশ্‌ এবং জৌলুশ। এক্ষেত্রে রাজ্য পর্যায়ের নক্ষত্রটির লেনদেনের হিসাব নিকাশ কিছুটা জন সম্পৃক্ততার মিলে মিশে ছিল বলে উপর থেকে এসব নিয়ে খুব হৈ হট্টগোল হওয়ার সুযোগ কম ছিল। কারন জনতা জনার্দনের সিংহভাগ প্রান্তিক মানুষজনের পিছনে কিছু জন সন্তুষ্টির সুযোগ সুবিধা দিয়ে তিনি তার বিচরনের পথটি কিছুটা হলেও এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। অপরদিকে স্বাধীন বাঙালী ভূখন্ডের তথাকথিত নারী নেত্রী  একপক্ষীয় রাজ তিলকের পিতৃ আশীর্বাদের দেশটাকে মধ্যযুগীয় রাজা মহারাজার স্টাইলে চালাতে গিয়ে এক মহা বিপর্যয় সৃষ্টি করলেন। আত্মীয় পরিজনের বিশাল বহর এবং খয়ের খাঁ পরিবেষ্টিত চক্রব্যুহ সৃষ্টি করে দেশটাকে ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের আরবিয়ান ঘোড়ায় চড়ালেন। প্রকৃত জন সম্পৃক্ততার বিষয়টি উহ্য রেখে তিনি যেভাবে দেশ চালাতে চেয়েছিলেন তা সত্যিকার অর্থেই দুর্ভাগ্যজনক ছিল। 


পাঠক, সপ্তর্ষিমন্ডলের সাতটি নক্ষত্রের মধ্যে কোথাও কোন গলদ হয়তো আছে। নইলে সাতটি তারা সমন্বয়ের আলোকছটা কখনোই সন্ধ্যাকাশের ঐ একটি ধ্রুবতারার আলোক জ্যোতির ধারে কাছেও যেতে পারলোনা কেন? তবে সেই গলদের দুটি নক্ষত্রই যখন সপ্তর্ষির সাতজনের দু'জন হতে চায় তখন সেখানে নিশ্চয় গলাবাজির গলদ কিছুটা আছে বৈকি! তাও আবার এই বাঙালীর হেসেলে তাদের বিচরন। সেক্ষেত্রে সেই পুরনো কাহাবতের what Bengal thinks today India thinks tomorrow বাক্যটিকে বার বার মনে করিয়ে দিয়ে নিজেকে আর লজ্জায় ফেলতে চাই না। কবে কোন্‌ প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারকের মুখ থেকে এই বেদ বাক্যটি বের হয়েছিল বলে জানা থাকলেও আজকের যুগে মনে হয় আমরা আমাদেরই শত্রু। নইলে কেন এই দেশে মীর জাফরদের জন্ম হয়। এত বিদ্যা এত বুদ্ধি তবুও কেন বাঙালীকে বার বার ওই উর্দু হিন্দি বলয়ের কাছে মাথা নোয়াতে হয়। একদেশ একজাতি হয়েও যখন সেই নক্ষত্র প্রজাতির বিস্মৃত মুখিয়ারা নিজের বাপ ঠাকুরদাকে পাশ কাটিয়ে ঐসব উর্দু হিন্দি বলয়ের মাড়োয়ারী মহাজনদের পদতলে ষষ্ঠাঙ্গ প্রণাম করে তাদের কাছে মহৎ হতে চান তখন আপন অস্তিত্বের অস্মিতা বলে কিছু থাকে কি? সেই যে রায় দুর্লভ জগৎ শেঠদের কুমন্ত্রনা নিয়ে মীরজাফরদের উত্থান ঘটলো তার পাশা খেলার রেশ তো সমানে ঘটে চলেছে। নইলে সহমর্মী ও সহবস্থানের পুণ্যভূমিতে কি এমন ঘটলো যে লক্ষ কোটি ভারতীয় বংশোদ্ভুত নিম্ন শ্রেণীভুক্ত ও প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষজনকে সর্বহারার অনামিষায় নিক্ষিপ্ত করা হচ্ছে। আর তাতে সায় দিচ্ছে তাদেরই শতবর্ষীয় কুটুম্ব সদৃশ্য পড়শী ও রাজনীতির মানুষজন। আজকে নজরুল রবি ঠাকুরের পুণ্যভূমিতে ক্ষমতার পালা বদলকে কেন্দ্র করে রাজ্যস্তরে যে মাড়োয়ারী তুষ্টিকরনের ঢল নেমেছে তা সত্যিকার অর্থেই বাংলা ও বাঙালীর অস্তিত্ব সংকটের কারন হয়ে দাঁড়াবে - এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।


স্বাধীন বাংলা ভূমির বাংলাদেশেও না ঘরকা না ঘাটকার উড়নচন্ডি যতসব কেচ্ছা কাহিনীর সমারোহ। উর্দু শাসনের মুসলিম অস্তিত্বের চক্রব্যুহ ভেঙ্গেছে বটে, তবে নিজস্ব অস্মিতা বিনির্মানে তারা বার বার হোঁচট খেয়েছে। সেখানেও দেখা যায় সেই উর্দু হিন্দি ওয়ালাদের পিছনে পর্যায়ক্রমিক লেজুড়বৃত্তির নির্লজ্জ আয়োজন। তাছাড়া পরম্পরা রাজনীতির উত্তরাধিকারীর সর্বশেষ সংস্করনে যে একছত্র আধিপত্যের স্বৈর শাসনে দেশ পরিচালিত হোল তা সত্যই হতাশাজনক। ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার মোহজালে পড়ে স্বৈরাচারী কায়দায় নিজেকে অদ্বিতীয় ভূমিকায় অধিষ্ঠিত করার খায়েসে বাংলার জনপদে যে হাপিতেশ এবং ভীতি ও সন্ত্রাসের সূত্রপাত ঘটানো হয়েছিল তার উত্তর খুঁজতে কোন রাজনীতি এই নক্ষত্রসম শাসকের সামনে দাঁড়াতে পারেনি। অবশেষে কিশোর যুবাদের অরাজনৈতিক চেতনার যুথবদ্ধতা এবং জনমানুষের স্বতঃস্ফুর্ত গণ অভ্যুত্থানে সেই পাহাড়সম স্বৈরাচারী মাফিয়া হাসিনা সরকারকে বাংলা থেকে বিতাড়িত করেই বাঙালী ক্ষান্ত হয়েছিল। পার্শ্ববর্তী বন্ধু মুখোশধারী শাসক ও রাষ্ট্রযন্ত্র মুক্ত বাংলার এই পরিবর্তনকে ভাল চোখে দেখেনি। তারা তাদের চিরায়ত ধর্মীয় বিভাজনের লক্ষ্মন রেখাকে কোনকালেই অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে বিতাড়িত পতিত শক্তির মুখিয়া ও তার লটবহরকে আশ্রয় দিয়ে তারা প্রতিটি বাংলাদেশীর মন ও হৃদয়কে বিশ্বাস ও ভালবাসার নিম্নতম স্তরে নামিয়ে দিল। পাশাপাশি অবৈধ আশ্রয় দেয়া আওয়ামী লটবহর ও তাদের সহযোগী বুদ্ধিজীবি ও সাংবাদিকদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফরমে তাদের অবাধ বিচরনের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক অঘোষিত বিদ্বেষ ও অপপ্রচার চালানো শুরু করলো। এমনকি তাদের নিজস্ব ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় হেন নিন্দামন্দ নেই যে তা তারা করেনি বা এখনো করছেন না। 


দুটো আগুনের গোলা আকাশ থেকে ঝরে পড়লো। অর্থাৎ বাংলার দুই মেরুতে দুটি নক্ষত্রের মহাপতন ঘটলো। সেক্ষেত্রে দুটোর পড়ে যাওয়া বা বিদায় নেয়ার ধরন দু'রকম। দুজনই একই মেয়াদ নিয়ে তাদের পেরিফেরিতে একটানা রাজত্ব করেছেন। প্রথমজন তার ডমিনিয়ন চরিত্রের বিশাল রাষ্ট্রের একটি রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় নিজের জনপ্রিয়তা এবং প্রভাব প্রতিপত্তির দৌর্দন্ড ক্ষমতা নিয়ে থাকা উজ্জ্বল তারা বা নক্ষত্রের ন্যায় দ্যুতিমান থেকেছেন। কিন্তু বহুভাষী ও বহুমতের এক বিশাল রাষ্ট্রে তিনি একটি ক্ষুদ্র রাজ্য বিধান সভার আঞ্চলিক প্রতাপ নিয়ে তার কর্ম চাঞ্চল্য এগিয়ে নিয়েছেন। সেখানে সর্ব ভারতীয় আঙ্গিকে তার দল ও রাজনীতি নিয়ে দিল্লির শাসন ব্যবস্থায় কোন ভূমিকা বা প্রভাব রাখতে পারেন নি। ফলে বৃহত্তর আঙ্গিকে তার রাজ্য নিরঙ্কুশতার গরিমা রাজ্যস্তরেই থিতু হয়ে পড়ে থেকেছে। এহেন বাস্তবতায় বাঙালী উঠানের আঞ্চলিক রাজনীতি ও রাজ্যশাসন কোন এক সর্ব ভারতীয় রেসে পিছিয়ে পড়বে - এতে অজুহাত অভিযোগের কোন কারন ধোপে টিকবে না বলেই ধরে নিতে হবে। 


সেক্ষেত্রে নক্ষত্র পতনের বর্তমান হালচিত্রে এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, পাকিস্তান ও ভারতের কেন্দ্রীয় বলয়ে নিজের পদচারনার স্বাক্ষর না রেখে শুধুমাত্র ঢাকা কেন্দ্রিক হয়ে শেখ মুজিবর রহমান যেমন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চরিত্র হতে পারেন নি তেমনি রাজ্যস্তরের মাখ্যমন্ত্রীর দৌর্দন্ড দাপট নিয়েও কলকাতা কেন্দ্রিক একজন মমতা ব্যানার্জী তার আঞ্চলিক বাউন্ডারীতেই হুংকার ছেড়ে চলেছেন যা সর্বভারতীয় আঙ্গিকে কোন ইম্প্যাক্ট ফেলতে পারেনি। সুতরাং বাঙালী ঘরানার দুই পাশের দুই নারী নেত্রীর নিজ আঙ্গিনায় নক্ষত্র হওয়ার খায়েস হয়তো হয়েছে কিন্তু গ্লোব্যাল ভূরাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে তারা তাদের নক্ষত্র জ্যোতি ছড়াতে পারেন নি। ফলে অনিবার্য পতনের আমোঘ নিয়মেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। কেউ নিজ জনগনের প্রবল রোষে বিতাড়িত হয়েছেন, কেউবা রাষ্ট্রযন্ত্রের কেন্দ্রীয় মারপ্যাঁচে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন।     

বিষয়: মতামত
avertisements 2
শাহবাগে আবাসিক ফ্লাট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
শাহবাগে আবাসিক ফ্লাট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
ফের ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা, যুদ্ধবিরতি প্রশ্নবিদ্ধ
ফের ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা, যুদ্ধবিরতি প্রশ্নবিদ্ধ
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা
নক্ষত্র পতন
নক্ষত্র পতন
লিবিয়া থেকে ফিরলেন আটক ১৭২ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে ফিরলেন আটক ১৭২ বাংলাদেশি
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু
খিলক্ষেতে নিখোঁজ শিশু মাহাদির লাশ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
খিলক্ষেতে নিখোঁজ শিশু মাহাদির লাশ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরে দৃষ্টিশক্তি হারালেন আইনজীবী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরে দৃষ্টিশক্তি হারালেন আইনজীবী
ভেনেজুয়েলায় ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত 
ভেনেজুয়েলায় ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত 
দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ব বাজারে সর্বনিম্নে স্বর্ণের দাম
দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ব বাজারে সর্বনিম্নে স্বর্ণের দাম
স্মার্টফোনে অশ্লীল কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন আনছে যুক্তরাজ্য
স্মার্টফোনে অশ্লীল কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন আনছে যুক্তরাজ্য
নেতানিয়াহুকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
নেতানিয়াহুকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
কিছু না পেয়ে বিছানার চাদর, হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে গেল চোর
কিছু না পেয়ে বিছানার চাদর, হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে গেল চোর
গরম থেকে বাঁচতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
গরম থেকে বাঁচতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
২২ বাংলাদেশিসহ ১৮০ বিদেশি বন্দিকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া
২২ বাংলাদেশিসহ ১৮০ বিদেশি বন্দিকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2