avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

যে কথা হয়নি বলা-৬

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৩১ মে,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:৫৮ এএম, ১০ জুন, বুধবার,২০২৬

Text

বয়স তখন সতের আঠার হবে হয়তো। বাঙালীর পুর্ব বাংলা স্বাধীনতা সংগ্রামে অবতীর্ণ হোল। যুদ্ধ করার বয়স হলেও ভূ ভৌগলিক অবস্থানের ম্যারপ্যাঁচে মুক্তিযুদ্ধে নামতে পারিনি। তবে মুক্তমনা পরিবেশটা ছিল বলেই হয়তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলাপ আলোচনা ও যোগাযোগটা সচল ছিল। এরপর তো পুরোপুরি বাংলাদেশীই হয়ে গেলাম। বিষয় বস্তুর সঙ্গে আমার নিজের প্রসঙ্গটা যোগ করার একটা মজেজা আছে বলেই হয়তো প্রসঙ্গটা টানতে হোল। তাছাড়া বাঙালী বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা ইত্যাদি নিয়ে বাঙালীয়ানার একটা আত্মিক সম্পর্ক আছে বলেই হয়তো প্রসঙ্গটা এসে গেল। ১৯৭৩ সালের মে মাসে বাংলাদেশের স্বধীনতা যুদ্ধের প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের তরফ থেকে জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়। বিশ্ব শান্তি পরিষদের তৎসময়ের সেক্রেটারী জেনারেল রমেশ চন্দ্র ঢাকায় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজায় এক সাদামাটা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে সেই পদক পরিয়ে দেন। তখনকার সেই গরিবী হালের সাদামটা অনুষ্ঠানে আমার থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল। সময়ের বহমানতায় এখন ভাবি, কি প্রয়োজন ছিল ওসব আয়োজন এন্তেজামের? যে মামুষটা তোমাদের চক্ষুশূল, চোখের বালি ছিল, তোমাদের ঘরানায় অচল ছিল, যিনি বাংলা ও বাঙালী ছাড়া কিছুই বুঝেন না, তাকে  তোমরা বিশ্ব শান্তির পালকে মুড়িয়ে দিলে! আবার সেই মানুষটিকে চরমতম স্বৈরাচারী শাসক বানিয়ে শেষমেশ গৃহ বিবাদেই তাকে বংশশুদ্ধ নির্বংশ করলে! কার্যধারার গতি প্রকৃতি তো সেটাই বলে। পরবর্তীতে শান্তি স্বস্তি প্রগতির আওয়াজ তুলিয়ে এক অসম সাহসী জেনারেলকে চাঙ্গে উঠিয়ে শেষমেশ তার সগোত্রীয় সাগরেদদের দিয়ে তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিলে। আমরা তো তাইই শুনে আসছি। এবং এটাই স্বতঃসিদ্ধ বলে অপামর বাংলাদেশী বিশ্বাস করে।


আর এক রোমিও জেনারেলকে সামরিক এটাশের আবরনে মুড়িয়ে বন্ধুর মুখোশে নিজেদের নিশ্বাসের মিত্র বানিয়ে অবশেষে তাকেও ক্ষমতায় বসিয়ে দিলে। জনতার আবেগকে পুঁজি করানোর সূত্র তৈরী করিয়ে তাকে বাঙালীর ধর্মভীরু মানুষের সামনে তথাকথিত এক ইসলামী গোলক ধাঁধার আধার বানালে। দেশে ইসলামী জোশ তুলিয়ে তাকে এমন এক জায়গায় দাঁড় করালে যে দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের বারোটা বাজিয়ে অবশেষে তাকেও স্বৈরশাসকের ভূমিকায় নামতে হোল। তবে যেহেতু তিনি পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য  করেন নি বিধায় তাকে দুনিয়া ছাড়া করানোর প্রয়োজনীয়তা তোমাদের কাছে মুখ্য ছিলনা। কারন তাকে টোকা মেরেই সরানোর মাধ্যমে যখন তোমাদের আকাঙ্খিত অবজেক্টটিকে সামনে আনতে অসুবিধা হচ্ছেনা তখন তাকে দিয়ে আরো সব জরুরী কাজগুলো তো তোমরা করিয়ে নিতে পেরোছো। ঠিক সেটাই হয়েছিল বলে বাংলার আমজনতার মানসপটে তা গেঁথে গিয়েছে। পরবর্তী সময়ের নির্ঘন্টগুলি সেই সাক্ষ্যই দেয়। এসবের মূলে তোমাদের সূদুরপ্রসারী মাস্টারপ্লান যে ছিল তা কিন্তু আমরা জেনেছি। ইউরোপ থেকে মেয়ে দুটোকে নিজের ঘরে ঢুকালে। কয়েক বছর ঘসে মেজে তাদেরকে তোমাদের সারিতে দাঁড় করালে। তারপর বিভাজিত বঙ্গের সীমানা পার করিয়ে বড়টিকে বাঙালীর হেসেলের দায়িত্বে দাঁড় করালে। কথাগুলো সত্য নয় কি? প্রিয় নেতার রক্ত পরম্পরার উত্তরসূরীকে পেয়ে স্বাভাবিক নিয়মেই বাঙালী আপ্লুত হোল। কিন্তু কি দুর্ভাগ্য! গৃহ প্রবেশের তের দিনের মাথায় দেশের সেরা সন্তান এবং মুক্তিযুদ্ধের বীরযোদ্ধাকে হারিয়ে বাঙালী নির্বাক হয়ে গেল। আর তারই সূত্র ধরে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী পাকিস্তান ফেরত চৌকস সেনা কমান্ডার যিনি পাকিস্তান থেকে ফিরে দিল্লিতে বাংলাদেশের সামরিক আটাশের ছদ্মাবরনে ‘'র’'এর কমিশনড ক্যাডার হয়ে ঢাকায় ফিরে সেনা ছাউনির সেকেন্ড ইন কমান্ড হয়েছিলেন। সেই তার হাতেই ধর্মভীরু বাঙালীর ব্যাটন ধরিয়ে দিলে। এমনকি তোমাদের কাঙ্খিত ট্রেইন্ড অবজেক্ট দুটিকে(যারা বাঙালীর আবেগের এবং আকাঙ্খার শিরোমনি ছিল) আগেভাগে সময়মত বাঙালীর ঘরে পুশব্যাক করালে। 


অবশেষে  বিশ্বপ্রেমী জেনারেলের ক্ষমতার পরিপক্কতা পূর্ণ করিয়ে তোমাদের ছকে  এদেশে গণতন্ত্রের ঝান্ডা উড়ানোর ব্যবস্থা করলে। বাংলাদেশের ক্রান্তিকালের প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমাদের অভিশপ্ত ও আশীর্বাদের হাত যে সচল ছিল এটা বোদ্ধা মাত্রই জানতেন। এই অভিশপ্ত হাতটি পড়েছিল গোটা বাংলার সাধারন ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আম বাঙালীর মাথার উপর। আর আশীর্বাদের হাতটি ছিল ঐসকল ক্ষমতা লিপ্সু পরাশ্রয়ী মনোভাবাসম্পন্ন বর্ণচোরা বাঙালী প্রজাতির উপর। ইতোমধ্যে বুদ্ধিবৃত্তির আধারগুলোকেও গ্রাস করে তাদের দিয়ে মিডিয়ার ঐকিক নিয়মের পাঠদান শুরু হয়ে গেল। কি সুচারু পরিকল্পনা! নিকটতম এবং অকৃত্তিম বন্ধুবেশে নিজেদের পা মাটিতে রেখে কাঙ্খিত লক্ষ্যে তোমাদের পথচলা বেশ চমকপ্রদই বটে! একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নবগঠিত প্রতিটি সেক্টরে তোমাদের সপ্রভ উপস্থিতিই ততদিনে জানান দিয়েছিল যে তোমাদের দৌড়াবার আকাঙ্খা কত প্রখরতা নিয়ে মগডালে উঠতে চায়। প্রথম ধাক্কায় হোঁচট খেলে বটে তবে অবদমিত হলে না। দ্বিতীয় সুযোগেই তোমরা তোমাদের ছকে বাঁধা অবজেক্টটিকে শিরোমনি বানিয়ে বাঙালী তুষ্টির কর্মগুলিতে ফোকাশ করালে। কিন্তু সেসব করতে গিয়ে মুসলিম বাঙালীর বিভাজনের লক্ষ্মন রেখাটি গাঢ় হোল। তোমরা তোমাদের পথ চলার সুনির্দিষ্ট আধার পেয়ে গেলে।  


আবারও পরিবর্তন। বাঙালীর কাঙ্খিত চাহিদায় তোমাদের পথচলা শ্লথ হয়ে গেল। তাতে কি! তোমরা থামবে না। থামার প্রশ্নই উঠেনা। ধীরে বহে মেঘনার সেই শাশ্বত আলিঙ্গনে এবার চেকমেট করার ঘোড়ার চালটি দিয়ে ফেললে। চার তারকার পোষাকওয়ালা শিরোমনিকে দিল্লিতে নিয়ে ব্লাক কফির আদলে কৈলাসের জড়িবুটিওয়ালা চ্যাবন প্রাস খাইয়ে ঢাকায় ফেরার সময় তাগড়া চারটি ‘'চেতক” ধরিয়ে দিয়ে সেদিন তোমরা নিজেদের পোক্ত গাঁধুনির শেষ পেরকটিও গেঁথে দিলে। তারপর যা হোল সেতো হতাশা আর প্রবঞ্চনার কথা। তিন মাসের এড হকের নির্দলীয়কে দু'বছরে গড়িয়ে এক সূদুর প্রসারী মহা পরিকল্পনার নির্বাচন করিয়ে তোমাদের কাঙ্খিত অবজেক্টটিকে নিরুঙ্কুশে দাঁড় করালে। আর যায় কোথায়! এরপরের ইতিহাসে শুধুই প্রতিহিংসা আর বিপক্ষ মতামতের উপর স্টীম রোলারের দৃশ্যমান রাজকীয় বোলচাল। নয় গেল, পনের গেল, ঊনিশ এল, চব্বিশও পার করালে। ততদিনে রাজনীতির গণমুখিতা একপক্ষীয় রাজহাঁসের চঞ্চু গলিয়ে গলা পর্যন্ত গেলার মচ্ছব। আর এরই ফাঁকে নিজেদের কাঙ্খিত চাহিদার সুবিধাগুলি কাগজ কলমের খোঁচা মেরে গুছিয়ে নিলে। আর বাস্তবতার দৃশ্যমানতায় বাঙালীর পালস বুঝার জন্য  কিছু কিছু কাজ বাজারজাত করলে অন টেষ্ট হিসাবে। এই পনের বছরে তোমরা বাঙালীর চোখের মনিকে চক্ষুশীল করে নিজেদের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ফায়দাগুলি পকেটস্থ করলে। এদিকে সার্বভৌম বাঙালীর মাটি ও মানুষ যে কোন্‌ কায়দায় আফ্রিকান কলোনীর রূপ ধারন করে আস্তেধীরে সেই মধ্যযুগীয় পর্যায়ে এগোচ্ছিল সেটা না বুঝার কোন কারন ছিলনা। দিল্লি শাসনের ধারা উপধারায় স্বাধীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী যেন আস্তেধীরে মুখ্যমন্ত্রীর পর্যায়ে ধাবিত হচ্ছিল। ‘'তোমরা আমার বাবা মা চৌদ্দগুষ্টিকে শেষ করেছ, আমি কি তোমাদের ছেড়ে কথা বলবো’' র প্রতিহিংসার জ্বালায় একজন রাষ্ট্র নায়ক কিভাবে তার বাবার স্বপ্নের বাঙলা ভূমিকে ভারতীয় মাড়োয়ারীদের হাতে তুলে দেন তার নিকৃষ্ট প্রমান এই বাংলা ভূমির কর্তৃত্বের রাশ শিথিল করে দেয়া। 


জানিনা বাঙালীর কপালের দোষ কিনা! সাতচল্লিশে স্বাধীন ভূখন্ডের স্বাদ নিয়ে মুসলিম বাঙালী জাতীয়তাবাদের ফাঁদে পড়ে পাঞ্জাবী সিন্ধি পেশওয়ারী যাঁতাকলে পড়ে এক অসম সমাজ ব্যবস্থার ভেজালে তাদের জীবন শুরু করলো। সেই রেশ কাটিয়ে নিজেদের আপনত্ব তৈরী করতে গিয়ে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তারা নিজেদের ঘর গোছালো বটে তবে আবারো সেই ভিন প্রজাতির ভিনভাষীর কোপানলে পড়ে নিজেদের দাসত্বের দিকে এগোতে হোল। আবারও বাঙালীকে খুব সচেতনভাবে ভিনপ্রজাতির বাংলাপ্রেমী রাষ্ট্র ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হোল। সেটাও বাঙালীর চোখ এড়ালোনা। কিন্তু ততদিনে বাঙালীর চেতনার ব্যবসা করা পক্ষ নিজেদের কোমর সোজা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। অবশেষে রাজনীতির বাইরে থেকে নতুন প্রজন্মের ছাত্রশক্তি ভুক্তভোগী আমজনতাকে সঙ্গে নিয়ে পট পরিবর্তন করাল। বাঙালী নিজের ভাষায় কথা বলা শুরু করলো। কিন্তু এতদিনে রাষ্ট্রযন্ত্রে যে জং বা মরিচা ধরেছে তার নিউট্রালাইজেশন কর‍তে যে জোশ ও শক্তিমত্তার প্রয়োজন তার মধ্যেও যেন কোথাও কোথাও লিকেজ ধরা পড়লো। সেই লিকেজ নিয়েই এখন আমাদের পপুলার সারকার দেশ চালাচ্ছে। যে পিলফারেজ গুলো আছে, সেগুলার প্রতি নজর দিয়ে এগোতে হবে নইলে বন্ধু ছদ্মবেশে থাকা তথাকথিত  মাড়োয়ারীময় মৌলবাদী রাজনীতির ছোবলে আবারো না কোন দেশরত্ন বা পল্লীবন্ধু এসে বাঙালীর হৃদয় জুড়ে বাসা বাঁধে, সে বিষয়টির প্রতি সদা সতর্ক থাকতে হবে বৈকি! আবারও বলছি, ধর্ম নিয়ে জাতি গঠন হয়না। বাঙালী বাংলার। তার আবার জাত পাত কি!  

-শেষ হইয়াও হইলো না শেষ-

বিষয়: মতামত
avertisements 2
দেশে ১০ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন
দেশে ১০ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাতিল করলেন আদালত
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাতিল করলেন আদালত
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
যে কথা হয়নি বলা: শেষ হইয়াও হইলো না শেষ
যে কথা হয়নি বলা: শেষ হইয়াও হইলো না শেষ
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে, কোন পথে কত
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে, কোন পথে কত
সাবেক মেয়র মনজুর আলম ও সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা 
সাবেক মেয়র মনজুর আলম ও সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা 
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯
বিজিবির তৎপরতায়, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, ১৭ জন ফিরলো ভারতে 
বিজিবির তৎপরতায়, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, ১৭ জন ফিরলো ভারতে 
ব্রিটিশ তরুণ নওয়াক হত্যাকাণ্ড, উত্তপ্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক
ব্রিটিশ তরুণ নওয়াক হত্যাকাণ্ড, উত্তপ্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নীল অর্থনীতি 
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নীল অর্থনীতি 
মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে নতুন সোস্যাল মিডিয়া বার্তা দিলেন দীপেন দেওয়ান
মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে নতুন সোস্যাল মিডিয়া বার্তা দিলেন দীপেন দেওয়ান
ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
আইসিইউতে পিতা, হোটেলে ওঠেন ছেলে, সেখানেই এক পরিবারের ৮ সদস্যের মৃত্যু
আইসিইউতে পিতা, হোটেলে ওঠেন ছেলে, সেখানেই এক পরিবারের ৮ সদস্যের মৃত্যু
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2