জালাল উদ্দিন আহমেদ
বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা- ২
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর,শনিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৩:৫৮ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর,শনিবার,২০২৬
বাঙলা তার নিজস্ব জাতীয়তাবোধের জোশে একসময় মুঘল ভারত ও বৃটিশ কলোনিয়াল যুগে ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসাবে সমুজ্জ্বল ছিল। জ্ঞান গরিমা এবং তার শস্য ভান্ডারের সমৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের চলমান বাস্তবতায় পশ্চিম ভারতীয় ব্রাহ্মন্য সমাজ সুকৌশলে বাঙালীর শক্ত ভিতের ব্রাহ্মন্য সমাজকে আর্য অনার্যের কড়িকাঠে ফেলে সামাজিক ও রাজনৈতিক একটি আলাদা স্তর তৈরীতে সফল হল। ফলে শ্যামা প্রসাদদের মতো কতিপয় বাঙালী ব্রাহ্মনরা এক নয়া হিন্দুত্ববাদের আস্বাদনে ঘোর লাগিয়ে বাঙালীয়ানার সমগ্রতাকে ধর্মভেদে বিচ্ছিন্ন করার নতুন জোয়ারে বাঙালীকে দু'খন্ড করিয়ে নিল। এখানে মাটির একটি নিজস্ব চরিত্র এই ভাগাভাগির জোয়ারকে কিছুটা হলেও সমর্থন করিয়েছিল। সমগ্র বাংলাকে নিয়েই বলছি। কারন বাংলা ভাগের ঐ দুর্বিপাকে ভারতীয় সমগ্রতায় মুসলমানদের অস্তিত্বের টানাপোড়েন থাকলেও বাঙালী অস্তিত্বের সমগ্রতায় পুর্ব বাংলার মুসলমান বাঙালী নেতৃত্ব বাংলার অখন্ডতা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। কিন্তু হিন্দু নেতৃত্ব তাদের পশ্চিম বঙ্গকে শুধুমাত্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করার কুটচিন্তায় ভারত ভুক্তির জোশে একাট্টা হয়েছিলেন যা তাদের ইদানীংকালের ধর্মীয় মৌলবাদী চরিত্রের রাজনীতিবিদরা গর্ব করে উচ্চারন করে। তাছাড়া ধর্মের আন্তঃ বৈষম্যে জর্জরিত পশ্চিমের বাঙালী অঞ্চলটি ততটা রাজনৈতিক ভাবে বাঙালীয়ানায় সম্পৃক্ত না থাকার ফলেই এই সর্বনাশটা হয়েছে বলে মনে করা হয়। তাদের বাঙালীয়ানা শুধুমাত্র কলকাতার কলেজ স্ট্রীটকে ঘিরে শুধুমাত্র ধর্মীয় বিষ ছড়ানো বই পুস্তক প্রকাশের থিওরিতে সীমাবদ্ধ ছিল বলে গবেষনায় উঠে এসেছে। পশ্চিমের আম বাঙালীর মুখে এটাও শোনা যায়, বাঙালী বাবুরাই তো আসল বাঙালী।
লক্ষ্য করুন তাদের সমাজ কাঠামোর বর্তমান চিত্র। শুধু সমাজ কাঠামো কেন? রাষ্ট্রীয় স্ট্রাকচারেও তাদের সেই বর্ণবৈষম্যের খতিয়ান এখনো পরতে পরতে সাজানো রয়েছে এবং তা রাষ্ট্রীয় বিধানের আইনানুগ বিধি বিধান মেনেই। কি অসহায় আত্মসমর্পন! একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে এখনো সেই হরে হরে ব্যোম ব্যোম! একজাতি একদেশ ভারত এক মহানদেশ। তাইতো! সবাইতো ভারতীয় বা ইন্ডিয়ান এবং প্রত্যেকে মনুষ্য প্রজাতির মানব সন্তান। মোটকথা হিন্দু ভারতীয় নাগরিক। মুসলমানদের কথা উহ্য রেখেই বলছি। তো সেই হিন্দু স্বত্ত্বার আদি বিভাজনের এ বি সি ডির সরকারী স্বীকৃতি নিয়েই তারা গর্বিত। অথচ সে দেশের হিন্দু স্বত্ত্বার ৮০-৮৫ ভাগই ঐ এসসি এসটি ওবিসির মানুষ। অথচ তাদের সরকারী সুযোগ সুবিধা ও নাগরিক অধিকার কোটা মেপে দেয়া হয়। কি দুর্ভাগ্য। মোটকথা ধর্মের ভিতর বৈষম্যের স্টীম রোলার চালিয়ে উঁচু শ্রেনীর বাঙালী বাবুরা সাধারন হিন্দু বাঙালীদের বাঙালীয়ানার সমগ্রতার মঞ্চ থেকে সব সময় দূরে সরিয়ে রেখেছে। সুতরাং বলা যায়, বাঙালীয়ানার সার্বজনীনতায় কাঁধ মিলাতে না পেরে তারা ঋষি বঙ্কিমের বন্দে মাতরমকে ধ্যান জ্ঞান মান্য করে জয় হিন্দে সামিল হয়েছে। এটাই তো বাস্তবতা। ফলশ্রুতিতে কলেজ স্ট্রীটের বাঙালী বাবুদের বিকৃত শিল্প সাহিত্যের অতি বাঙালী হওয়ার সুকৌশল, আর ঢাকার মুসলমান বাঙালীদের অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদ, বাঙালীর সমগ্রতাকে দিল্লির আর্য ব্রাহ্মন ও ইসলামাবাদের খান পাঠানদের হাতে বন্ধক রেখে যথাক্রমে ভারতীয় ও পাকিস্তানী হওয়ার বন্দোবস্ত করে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের ক্যাডার কতিপয় ইতিহাসবিদের বাংলা ভাগের বিকৃত বয়ানেও বাঙালীর হিন্দু মুসলমানের সমগ্রতায় ফাটল ধরানোর কাজটি তরান্বিত করেছে। দুর্ভাগ্য! সেগুলো পড়েই আমরা বড় হয়েছি।
যাহোক, ওসব পুরনো কাদুন্দি ঘেঁটে লাভের চেয়ে লোকসানের পাল্লাটাই ভারী হবে বলে মনে করি। কারন সাম্প্রদায়িক ধোঁয়া সৃষ্টি করে সেই ১৯২০ এর নাগপুর কংগ্রেস সম্মেলনে একজন ফ্রন্টলাইনার সাচ্চা ভারতীয় জিন্নাহকে যখন শুধুমাত্র গান্ধীকে মহাত্মা গান্ধী না বলে মিস্টার গান্ধী সম্বোধন করায় যেভাবে হিন্দুরা অপমান করেছিলেন, সেদিনই তো ভারতের হিন্দু মুসলমানের বিভাজন রেখাটা চওড়া হয়েছিল। অথচ ঐ জিন্নাহই ছিলেন সে সময়ের প্রথম সারির অখন্ড ভারতের প্রবক্তা। গান্ধীর পুজা পার্বন ধর্মীয় শ্লোগান এবং কথায় কথায় রাজনীতিতে সংস্কৃত শ্লোকের বেদের উদ্ধৃতি তিনি অপছন্দ করতেন। এবং গান্ধীর ধর্মীয় গোঁড়ামীর বেদ ভেদের কথাবার্তা তিনি প্রায়শই বিরোধিতা করতেন। তাছাড়া বাংলা ভাগের সন্ধিক্ষনে যখন হিন্দু মুসলিম নেতা সমন্বয়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গান্ধীর কাছে বাংলা ভাগ না করার অনুরোধ করেছিলেন তখন তার উত্তরটা শুনে সেসময় বাঙালীর সমগ্রতা হোঁচট খেলেও শ্যামাপ্রসাদ বাবুদের মত মহান হিন্দু বাঙালীরা হাতের তালু চুলকিয়েছিলেন বলেই অনুমান করা যায়। কারন সেসময় গান্ধী মুচকি হেসে বলেছিলেন “বাংলা অখন্ড থাকতে পারে এক শর্তে যদি তোমরা বাঙলাকে উপনিষদের উপর ভিত্তি করে গড়তে চাও”। অর্থাৎ তাল গাছটা বগলদাবা করেই বাংলার অখন্ডতায় সায় দিয়েছিলেন ভারত আন্দোলনের এই মহাত্মাজি। মোদ্দা কথা, বাঙালী জাতিস্বত্ত্বার অগ্রগণ্যতা, বাঙালীর বিচক্ষনতা, তাদের শিক্ষাদীক্ষা ও শস্য ভান্ডারের প্রাচুর্যতা সে সময় সর্বভারতীয় প্রেক্ষিতে সামনের সারিতে থাকায় বাঙালী-ভীতির কোন কারনও হয়তো গান্ধী তথা পশ্চিম ভারতীয় নেতৃত্বকে আশংকিত করতে পারে বলে বোদ্ধারা বলে থাকেন।
উপরোক্ত আলোচনার নির্যাস খুঁজতে গেলে দেখা যায় হিন্দু মুসলিম ধর্মীয় গোঁড়ামীর দুটি মেরু বাঙালীর সমগ্রতাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বাঙালী বলতে পুর্ব বাংলার মুসলিম অধ্যুষিত বাঙালী আর পশ্চিম বঙ্গের হিন্দু গরিষ্ঠ বাঙালীকেই বুঝানো হয়েছে। ঝাড়খন্ডের মানভূম সিংভূমের বাঙালী আজ আর বাঙালী নয়। কোচবিহার পুর্ব বাংলা সম্পৃক্ততায় শতভাগ থাকলেও শুধুমাত্র ভারত রাষ্ট্রের করিডোরের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে তা ভারতভুক্তি করানো হয়। ত্রিপুরা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির জেলা হওয়া সত্বেও শুধুমাত্র হিন্দু রাজার খায়েশেই তার ভারতভুক্তি হয়। মুসলিম গরিষ্ঠ বাঙালী অঞ্চল হলেও আসামের করিমগঞ্জ শুধুমাত্র খনিজ সম্পদের প্রাচুর্যের কারনে দিল্লি ডিপ্লোম্যাসিতে ভারতভুক্তি করা হয়। মুসলিম গরিষ্ঠের মালদহ এবং বাংলার শেষ নবাবের মুর্শিদাবাদকেও হিন্দু ভারত মোঘল ঐতিহ্যের বিকিকিনি করার অর্থলোভে পুর্ববঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করিয়ে নেয়। প্রশ্ন আসতে পারে মুসলিম বাঙালীদের নিয়ে এতশত টানা হেঁচড়া ও বৈষম্যতার কারন কি? এর প্রথম উত্তর হবে বৃটিশদের মুসলিম বিদ্বেষ। তাছাড়া বাংলার মুসলমান বাঙালী শসকের বিরুদ্ধে লড়াই করেই তো বৃটিশরা ভারতে পা ফেলেছিল। মুসলিম নেতৃত্বের জোশ ও ভারিক্কি যেহেতু জিন্নাহ কেন্দ্রিক ছিল বিধায় বাংলার মুসলিম বাঙালীদের পাকিস্তানী সম্ভাবনাকে তৎসময়ের বৃটিশ শাসকরা অত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার সুযোগ পায়নি বা এসব নিয়ে বেশী মাথা ঘামায়নি বলেই মনে করা হয়। তাছাড়া সেসময় ভারত আন্দোলনের মূল শক্তি কংগ্রেসের মনোভাবেও দেখা গেছে সেই অখন্ড ভারতের স্বগোক্তি। মোদ্দাকথা, ভারত বাংলা সম্পর্কে অনভিজ্ঞ একজন আইনজীবিকে দিয়ে মাত্র পাঁচ সপ্তাহের সময় দিয়ে বাংলার মত একটি অভিন্ন স্বত্ত্বার জাতীয়তাকে কিভাবে ধর্ম বিভাজনের অংক কষে লাইন টেনে ভাগ করে দেয়া হয় তার নির্লজ্জতা পৃথিবী দেখেছে। এর ফলশ্রুতিতে সেই অসম বাংলা ভাগের সীমান্ত দাঙ্গায় বাঙালীর হাজারো হিন্দু মুসলমানকে জীবন দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ক্ষমতা প্রাপ্তির সূত্র তৈরী করে একটি জাতিকে কিভাবে লাইন টেনে দুভাগ করা যায় তা শধুমাত্র সেই কলঙ্কিত র্যাডক্লিপ লাইনই তার প্রমান। নির্লজ্জ ভারত নেতৃত্ব ও লুটেরা বৃটিশ শাহীর এই অমানবিক ও অস্বচ্ছ বাংলা ভাগের কলঙ্কিত র্যাডক্লিপ লাইন ভারত ভাগের আশি বছর পেরিয়েও এখনো বাঙালীর সমগ্রতার হাহাকারে তুষের আগুন জ্বালিয়ে রেখেছে।
সময় কথা বলবে। হয়তো বলা শুরু করে দিয়েছে। অবশ্য অর্থ ও শক্তি ব্যয় করে দুষ্টচক্রের পক্ষগুলো অনেক রকম ফাঁক ফোকর তৈরী করে অর্ধাহারে অনাহারে থাকা জন্ম থেকে জ্বলছির ঐসব বর্ণ বৈষম্যের শিকারে জর্জরিত মানুষগুলোকে দিয়ে অনাসৃষ্টির কাজে লাগিয়ে কোন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিতে পারে। বঙ্গসেনা, হিন্দু বাংলা, সনাতনি বাংলা, বঙ্গভূমি ইত্যাদি নামে বিভিন্ন সময়ে বাংলাকে টুকরো করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ হয়েছে। এখানেও সেই ব্রাহ্মন্য হিন্দুত্ববাদীদের ষড়যন্ত্রের কারসাজি। তবে এটাকে দুর্ভাগ্য এবং কর্মফলের পরিণতি ধরেই যদি বলতে চাই, তবে একথা কি কেউ অস্বীকার করতে পারবেন। কেননা যে হোয়াইট কলারের সাচ্চা বাঙালী বাবুরা নিজেদেরকে সর্বভারতীয় উচ্চতায় রেখে সমৃদ্ধির কলকাতাকে হাতে পেয়ে মহান ভারতের নাগরিক হয়ে নিজেদেরকে ধন্য করেছিলেন তারা কি কখনো তাদেরই তৈরী সেই প্রবাদ প্রবচন ‘'ঘুটে পুড়ে গোবর হাসে'র কথাটি ভেবেছিলেন! তাদেরই কথিত চাষা ভুষা কাদা মাটির ম্লেচ্ছ যবনরা যে বাস্তবতায় পাকিস্তানী হওয়ার ২৩ বছরেই নিজেদের বাঙালী অস্মিতার কেক কাটলো, সেই বাঙালীর অতি অগ্রনী রবি রমেশ অন্নদাশংকর মহেশ্বেতারা ৮০ বছরেও তার বাস্তবতা বুঝতে পারবে না সেটা কি করে হয়। ইসলামাবাদের চাকচিক্যে আমাদের পূর্বপুরুষ নুরুল আমিন, নাজিমউদ্দিন মোনেম খানরা মোটাতাজা হয়েছিলেন। সেক্ষেত্রে দিল্লির ডাহুকি ডাকে আপনাদেরও প্রনব বসু প্রিয়রঞ্জরন সিদ্ধার্থ শংকররাও তাদের মেদ বাড়িয়েছিলেন। কিন্তু না ঘরকা না ঘাটকার সেই আম বাঙালী কি তাদের বাঙালীয়ানায় প্রস্ফুটিত হয়েছিল! ভাবুন! বাঙালী জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্রতাকে উচ্চকিত করতে এগিয়ে আসুন। আসুন কাঁধে কাধ মিলিয়ে বাঙালীর শিল্প সংস্কৃতি এবং তার জাতীয়তাবাদ ও বোধের ঐতিহ্যকে বিশ্ব সভায় সমুন্নত করি।
-০-
বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা- ২
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, থানার সামনে বাসে আগুন
ঢাকার ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ভারতের
নাগরিক যেকোনো যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে ও ফিরতে পারেন: রুমিন ফারহানা
সৌদি আরবকে রক্ষায় ‘যেকোনো সীমা পর্যন্ত’ যেতে প্রস্তুত পাকিস্তান
অস্ট্রেলিয়ায় অধিকাংশ বিদেশি শিক্ষার্থীর পরিবার আনার সুযোগ সীমিত করার ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বিল পাস, ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্কের মুখে ভারতসহ ১০ দেশ
বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা - ১
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের পথে!
ভেঙে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য? শিগগির আসছে বড় ঘোষণা!
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড
টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় নারী-পুরুষসহ উদ্ধার ১৫
ভারতে বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়া ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত: আসিফ নজরুল
প্রশান্ত মহাসাগরে তলদেশে স্বর্ণ-রুপার বিশাল মজুতের সন্ধান
মালয়েশিয়ায় পাসপোর্ট অফিসে অভিযান, সেবা নিতে এসে বিপাকে প্রবাসীরা
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু



