avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

এত আকুতি কেন!

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২ সেপ্টেম্বর, বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ০৭:৪২ পিএম, ২ সেপ্টেম্বর, বুধবার,২০২৬

Text

রাজনীতির গলিপথটা বড়ই কন্টকাকীর্ণ। স্বাধীনতা প্রাপ্তির এই পঞ্চান্ন বছরে বাংলার রাজনীতির মঞ্চ বরাবরই তপ্ত তাওয়ার মত। এই তাওয়া গরমের গল্পটা শুনেছিলাম আমার হাইস্কুল জীবনের বন্ধু লস্করের কাছ থেকে। স্কুলজীবনের মাধ্যমিক পর্যায়ে আমি ভিনভাষী সহপাঠীর বন্ধুত্বে জড়িয়েছিলাম। ওর নামটা ঠিক মনে পড়ছেনা। কোরাইশী লস্কর এধরনের কিছু হবে। ওরা মীরাঠের লোক। ওটা ছিল ওর বাপ দাদার আদি নিবাস। বর্তমানে স্থায়ী হয়েছে রামপুরহাট শহরে। এই বর্তমান বলতে কিন্তু সেই ৬০-৭০ দশকের কথা বলছি। শুনেছি মীরাঠে ওদের সোনার ব্যবসা ছিল। সাতচল্লিশের ভারত ভাগের সময় হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় ওরা বাস্তুচ্যুত হয়ে পশ্চিম বঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরে এসে থিতু হয়েছে। এর বেশী জানিনা। তবে কর্মজীবন শেষে অবসরকালীন সময়ে এ শতাব্দীর তের বা চৌদ্দ সালে একবার পুর্ব পুরুষের ভিটায় বেড়াতে গিয়ে ক্লাসমেট বন্ধুর সাথে দেখা হয়। কোর্ট সংলগ্ন ফটোকপির দোকান। ওটা ওরই দোকান ছিল। ওই প্রথম আমাকে শনাক্ত করে। কিরে জালাল না! হাঁ! তারপর জমে উঠলো সেই পুরনো দিনের কথা। ও লাস্ট বেঞ্চের ছাত্র, আমি ফার্স্ট বেঞ্চের, কিন্তু বন্ধুত্বে সবাই একই বেঞ্চের। কথাবার্তা এখনো একটু পশ্চিমা টানেই বলে। তবে আন্তরিকতায় খাঁটি বাঙালী। হাটতলার নাকফুড়ু দত্তের বিখ্যাত আলুর চপ আনিয়ে খাওয়ালো। আবার রামপুরহাট হাইস্কুলের বিপিরীতে সিনেমা হলের গলির সেই বিখ্যাত মালাইকারী চা। সেদিনের বিকেলটা বেশ কাটলো। 

কোরাইশী লস্করের প্রসঙ্গটা এল অন্য এক কারনে। ছোটবেলা থেকেই আমরা রাজনীতি সচেতন ছিলাম। ক্লাস শেষে স্কুল ছুটির পর আমরা সমমনা বন্ধুরা বিকাল বেলায় স্কুলমাঠে আধা ঘন্টার জন্য হলেও আড্ডা দিতাম। এই আড্ডাটার একটা বেসিক আছে। মামুন স্যার। সোশ্যাল স্টাডিজের শিক্ষক। মাস ছ'য়েক হল শিক্ষক হিসাবে যোগাদান করেছেন। বয়সে আট দশ বছরের বড় হবেন হয়তো। ক্লাস নেয়ার সময় তিনি একটা তাগিদ দিতেন এই বলে যে, পড়াশুনায় ভাল করতে হলে এবং মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান হতে হলে প্রয়োজন সম্মিলন। সেটা আবার কি? তিনি বলতেন প্রতিদিন স্কুল শেষে ছুটির পর নিদেন পক্ষে আধা ঘন্টার জন্য আমরা যেন মাঠে গোল হয়ে বসে সারাদিনের স্কুল কার্যক্রম ও নিজেদের জিগ্যাসার আলাপগুলো একটু হলেও পর্যালোচনা করি। এতে মেধার বিকাশ হবে এবং নিজেদের মধ্যে সহমর্মিতা বাড়বে। সেইমতে আমাদের স্কুল জীবনের ওই আড্ডাটা শেষঅব্দি রুটিনে পরিণত হয়েছিল। সে আড্ডায় পড়াশুনা, শিক্ষকদের কথাবার্তা, এমনকি সহশিক্ষার স্কুল বিধায় ক্লাসমেট বান্ধবীদের টিকা টিপ্পনী নিয়েও  রসবোধের আলাপচারিতায় সময়টা কাটাতাম। ক্লাস নাইন টেনের ওই বয়সকালে এসব হতেই পারে। তবে সবচেয়ে জাম্পেস আলাপ হোত রাজনীতির সমকালীন আলোচনায়। বাংলায় তখন কংগ্রেস সিপিএমের জবরদস্ত টক্কর চলছে। ওদিকে নক্সালপন্থীদের বাড় বাড়ন্ত। রাজ্যে নক্সাল দমনের চিরুনী অভিযান চলছে। গোটা রাজ্য সিআরপিএফের(সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স)  নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে। একদিকে নক্সাল আতঙ্ক, অন্যদিকে সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্সের চিরুনী অভিযান। বেশ আতঙ্কগ্রস্থ থাকতে হোত ঐ সময়টায়। আমাদের মধ্যে রবিন্দ্রনাথ সিংহ, সেলিম, লস্কর এবং নিত্যগোপাল সাহা বেশ রসিক টাইপের ছিল। সেক্ষেত্রে আমার আজকের নিবন্ধের তাওয়া গরমের লস্করের সেই চুটকিটার উপমা টেনেই লেখাটা এগিয়ে নিতে চাই। পশ্চিম বঙ্গের রাজনীতিতে তখন সিপিএমের বাড় বাড়ন্ত। সঙ্গে মার্ক্সিষ্ট লেলিনিষ্ট কমিউনিষ্টদের শ্রেণী সংগ্রাম। কিন্তু কেন্দ্রে ইন্দিরা গান্ধীর কংগ্রেসীয় কারিশমা। 

পার্শ্ববর্তী বগটুই গ্রামে সিআরপির রেইড পড়েছে। ওখানে যদিও নক্সালদের ন্যুনতম কোন আনাগোনা থাকার কথা নয়। কিন্তু শহরের বিভিন্ন কোণে নক্সাল কার্যক্রম পরিচালিত হলে বরাবরই শহর সংলগ্ন ওই গ্রামের নামে চালিয়ে দেয়ার একটা রেওয়াজ লক্ষ্য করা গেছে। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের অর্ধ শিক্ষিত ওই গ্রামের দিন আনে দিন খায় পর্যায়ের প্রান্তিক মামুষজন প্রায়শই সেই কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নাস্তানাবুদ হয়েছে। তারই এক ঘটনা বর্ণনা দিতে গিয়ে লস্করের সেদিনের “তাওয়া গরম থা রোটি সেক লিয়া” চুটকিটা বেশ লাগসই বলে মনে হয়েছিল। অবশ্য সেদিনের সেই সিআরপি রেইডে জনা তিনেক শহুরে কচি বয়সের নক্সাল ছাঁকা পড়েছিল। এই ছাঁকা বা ধরা পড়ার কেচ্ছাটা বেশ লম্বা হবে বিধায় শুধুমাত্র অবজেক্ট ও সাবজেক্টের নাম দুটো নিয়ে শেষ করে আসল বক্তব্য শুরু কর‍তে চাই। এখানে সাবজেক্ট ছিল শহুরে তিন নক্সাল ছোকড়া আর অবজেক্ট ছিল শহর সংলগ্ন মুসলিম প্রধান গ্রাম বগটুই। সে অনেকদিন আগের কথা। ১৯৬৯-’৭০ ইংরেজী সন। আবছা আবছা মনে পড়ছে।  

আসি, নিবন্ধের শিরোনামে। আকুতির কথাটা যদি বলি, তবে সেটা তো আমাদেরই বেশী হওয়ার কথা। পানি নেই, বিদ্যুৎ নেই, জ্বালানী ও গ্যাসের সংকট। তাছাড়া নিত্য আনাজের ব্যাপারটা তো রয়েই গেছে। আমরা কি ঘর সামলাতে পেরেছি! পরিকল্পনা বিহীন আচরন ও নিজের কলসির পরিমাপ না করে গ্রাম শহর বন্দর সবখানে গ্যাসের পাইপ লাইন দিয়ে এক মহা সামুদ্রিক ভেজালে পড়ে আছি আমরা। ঢাকা শহরেই তিনকোটি মানুষের নব্বই লক্ষ হেঁসেলে আজ গ্যাসের হাহাকার।  ওদিকে industrializationএর অপরিকল্পিত চাহিদায় গ্যাস সরবরাহের জোন বা কোটা সংরক্ষনে উদারতা দেখিয়ে আজকের বাস্তবতায় বাংলাদেশে এখন অনুৎপাদনের রেড সিগন্যাল জ্বলে উঠেছে। আর বিদ্যুৎ নামের কুইক রেন্ট্যালের খড়্গ মাথায় নিয়ে আরো যতসব অপরিপক্ক প্রকল্প ও চুক্তির ফাঁড়াতে দেশ আজ অন্ধকারের দরজায় খাবি খাচ্ছে৷ পানির কথাটি বলা অন্যায় হবেনা জেনেই খুব বেশী করে তা বলতে ইচ্ছে করে। আমাদের স্থল সীমান্তের কয়েক হাজার মাইলের সীমান্ত বেষ্টনীর ৯৫ শতাংশ বৃহৎ প্রতিবেশী দ্বারা আবৃত। নদীমার্তৃক বাংলাদেশের নদ-নদীর শতভাগ উৎস ঐ বৃহৎ প্রতিবেশীর মাটি থেকে উৎসারিত। সুতরাং ফ্যাঁকড়া কি একটা! তাছাড়া আমরা কি ইসরাইল হতে পারবো কিংবা কিউবা! আজ কিউবার দিকে চেয়ে দেখুন। ফিদেল নেই তো কিউবার সে জৌলুশও নেই। মাফিয়া মাড়োয়ারী ট্রাম্পদের অমানবিক আচরনে তার আশেপাশের  দেশগুলির অবস্থা দেখুন! কিসের ব্যালান্স, কিসের সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা। নিজে বাঁচলে বাপের নাম। সুতরাং ‘আকেলমন্দ কে লিয়ে ইশারাইই কাফি হ্যায়’ এর জীবনধর্মী চিন্তা ভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসুন। ওখান থেকে ডাক এসেছে, যেতে পারছেন না? ঠিক আছে, বিনীতভাবে তাকে ডেকে নিন। তার বা তাদের সঙ্গে বসুন। কিন্তু এতদিনের সৎ(!) প্রতিবেশীকে এভাবে অসৎ বানিয়ে আমাদের লাভটা কি! 

আবারো সেই ‘তাওয়া গরম থা’র প্রসঙ্গে আসি। একাত্তর সালের দিকে তাকান। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে বিজয়ীর বেশে বাঙালী ঘরে ফিরলো। সঙ্গে পেল বিদ্ধস্ত এক পোড়ামাটির বাংলাদেশ। আর পেল অপরিপক্ক কয়েকজন সেকশন অফিসার এবং অমিত তেজের অধিকারী গুটিকয় মুক্তির কমান্ডার, সাথে কলকাতার থিয়েটার রোডে বাঙালী বাবুদের আতিথেয়তায় স্নান করে ফিরে আসা শ'তিনেক রাজনীতির আইন প্রনেতা। তাছাড়া রাজনীতির দুর্বৃত্যায়ন দীর্ঘস্থায়ী ও পাকাপোক্ত করার নিমিত্তে আমাদের ওই সৎ প্রতিবেশী মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কিছু বাছাই করা স্পেশাল ট্রেইন্ড কসাই বানিয়ে দিয়েছিল তাদের সেই দেরাদুনীয় ট্রেনিং এর মাধ্যম, যারা মুক্ত বাংলায় বিশেষ বাহিনী হিসাবে খ্যাতি পেয়েছিলেন। ওদের নিয়ে আলাদা নিবন্ধ কেন, বিশাল প্রবন্ধ গ্রন্থও রচনা করা যায়। দেশের প্রধান নেতা তখনো শত্রুদেশের মেহমান হয়ে সেখানকার রাজ অতিথি। যাহোক, মাস চারেক ওই মিত্র দেশের পোষাক পরা  বুটওয়ালা বাবুরা এই স্বাধীন বাংলার ভূখন্ডে থেকে যেভাবে তাদের কাঙ্খিত রুটিগুলি সেঁকে নিয়ে প্রস্থান করেছিল তার বয়ান বোধহয় বহুজন বহুভাবে করে গেছেন। শুধু এটুকুই বলা যায়, অসহায় উত্তপ্ত এক বিরান ভূমির স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে এসে তারা যেভাবে ওই চার মাসে বাংলার  সম্পদকে নিজেদের গনিমতের মাল বানিয়ে যুদ্ধ বিদ্ধস্ত বাংলার তপ্ত তাওয়ায় সেঁকে নিজেদের করে নিয়েছিল তাতে কি কাউরি দ্বিমত আছে! এরপর তো ইতিহাস। এসবের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধাকেও অন্তরীন হতে হয়। সুতরাং একাত্তর পরবর্তী বশংবদ বাংলাদেশী শাসকদের বশে রেখেই তো তারা (অর্থাৎ ওই সৎ প্রতিবেশী) স্বাধীন বাংলার মাটিকে তপ্ত তাওয়া বানিয়ে তাদের চাহিদার রূটিগুলি(বাংলার সম্পদ) নিজেদের করে নিয়েছিল। সেই অবাধ লুন্ঠন ও সুবিধার খোলা জানালাই তো তারা চায়। এজন্যই তো অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন নির্বাচিত সরকারকে কাছে পেতে তাদের  আকুতিটা এত প্রবল। 

আশ্বস্ত হতে চাই এই ভেবে যে তপ্ত তাওয়ায় রূটি সেঁকার বাস্তবতা, অন্তর্বর্তীর ডঃ ইউনুস আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন।

সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ

বিষয়: মতামত
avertisements 2
খেজুরের রস চুরি ঠেকাতে রসের হাঁড়িতেই লাগানো হচ্ছে তালা!
খেজুরের রস চুরি ঠেকাতে রসের হাঁড়িতেই লাগানো হচ্ছে তালা!
এত আকুতি কেন!
এত আকুতি কেন!
লিবিয়ার আটককেন্দ্র থেকে  দেশে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি
লিবিয়ার আটককেন্দ্র থেকে  দেশে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি
অবশেষে বিতর্ক বক্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন পপি
অবশেষে বিতর্ক বক্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন পপি
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল 
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল 
বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ল তেলের দাম
বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ল তেলের দাম
কুড়িগ্রামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার
কুড়িগ্রামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার
লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা আটক
লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা আটক
বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি -২
বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি -২
পুলিশের সামনেই নারী উদ্যোক্তাকে প্রকাশ্যে মারধর, ভিডিও ভাইরাল
পুলিশের সামনেই নারী উদ্যোক্তাকে প্রকাশ্যে মারধর, ভিডিও ভাইরাল
শ্যামা কাহন - ৫
শ্যামা কাহন - ৫
হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫১৬
হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫১৬
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া
‘আমি নিজেই মদ খেয়েছি’, থানায় এসে বললেন সেই তরুণী
‘আমি নিজেই মদ খেয়েছি’, থানায় এসে বললেন সেই তরুণী
রুমিন আপার মধ্যেও ‘হাসিনার ছায়া’ দেখছেন দুষ্ট লোকেরা: রাশেদ খান
রুমিন আপার মধ্যেও ‘হাসিনার ছায়া’ দেখছেন দুষ্ট লোকেরা: রাশেদ খান
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2