avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

নিয়তির লিখন

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৬ জুলাই,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:০৩ পিএম, ২৬ জুলাই,রবিবার,২০২৬

Text

কবি বলেছেন,

জন্মিলে মরিতে হবে, অমরকে কোথা কবে?

চিরস্থায়ী কবে নীর, হাইরে জীবন নদে?

কথাটি তো সত্য। এর মধ্যে কোন ফাঁক ফোকর বা তঞ্চকতা আছে কি? মানুষের জীবন বড়ই ক্ষনস্থায়ী। তবুও কেন যেন মানুষ এই ক্ষনস্থায়ী জীবনের আয়ু নিয়ে তার জীবন ও জীবিকা বোধের উঠানে হেন অপকর্ম নাই যা তারা করেনা। ধর্মীয় বয়ান বা কেতাব পুস্তকে পড়েছি সৃষ্টির আদি যুগে মানুষ হাজার বছর পাঁচ'শ বছর আয়ু নিয়ে এসছে। কিন্তু কেউ কি থেকেছে? নাহ্‌, প্রমান বোধ হয় নেই। অর্থাৎ কবির ভাষায় আবারও সেই ছন্দটি সামনে চলে আসে, ‘জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য বুঝে নিক দুর্বৃত্ত”। তবে সব কথার শেষ কথা তো সেই মহাকাব্যিক কোরানের ভাষায় লিপিবদ্ধ রয়েছে। সুরা আর রহমানের একটি আয়াতে তিনি স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেন, “কুল্লু মান আলাইহা ফানিও ওয়া ইয়াবকা ওয়াজহু রাব্বিকা জুল জালালি ওয়াল ইকরাম”(আল্লাহর অস্তিত্ব ছাড়া দুনিয়াতে কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়)। বা সুরা আল ইমরানের “কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মাউত”(প্রত্যেক প্রানকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে)। এটাই বোধ হয় আমাদের জীবন বোধের সবচেয়ে বড় সবক বা শিক্ষা। তবুও কেন যে মানুষ এই ক্ষনস্থায়ী পার্থিব জীবনে আমার আমার বা আমি আমি করে যতশত সর্বনাশের ঠিকুজি তৈরী করে মানুষের বসবাসের দুনিয়াটিকে অনুপযুক্ত করে রেখেছে এটাই বোধে আসেনা। অবশ্য এখানেও সেই মহান স্রষ্টার মানুষকে আশরাফুল মোখলুকাত করে সৃষ্টির মাহাত্ব লুকিয়ে রয়েছে। মনুষ্যরূপী নাফরমান বা অমান্যকারীকে অভিশপ্ত শয়তান রূপে দুনিয়াতে প্রেরন করে তার কর্মকে বা কুমন্ত্রনাকে জয় করার শক্তিতে মানুষকে শক্তিমান করেছেন তিনি। এজন্যই সৃষ্টির সেরা জীব বা আশরাফুল মোখলুকাত হিসাবে তিনি মানুষকে ঘোষনা দিয়েছেন। যে কথাগুলো বলার জন্য এত এত ভূমিকা উপস্থাপন করা হোল তা কিন্তু দুনিয়া জাহানের সমস্ত মানব জাতির জন্যই প্রযোজ্য। আমরা ধর্ম কর্ম যে যাই করিনা কেন, প্রতিটি ধর্মের মূল কথাই হোল, ইহ জগত পর জগত, পাপ পুন্য, স্বর্গ নরক। আর এর শেষ কথা হোল ধর্ম কর্ম। এই ধর্ম কর্মের মধ্যেই আমাদের জাগতিক ও  পরলৌকিক সমস্ত কিছু জড়িয়ে রয়েছে।


আমার এই বাঙালী জীবনের দুটি ভাগ রয়েছে। চলমান তিয়াত্তর বছরের প্রথম আঠারটি বছরকে মাইনাস রেখেই আমি আমার বাঙালী জীবনের কথা বলতে চাই। কারন কৈশরের ওই প্রাথমিক জীবনে আমি বাংলার আবহে থাকলেও সেটা ছিল ভারতীয় মাটি। জয় হিন্দ আর বন্দে মাতরম এর দ্বিচারিতা আমার বাঙালী স্বত্ত্বাকে ঐ কিশোর বয়েস থেকেই খটকা লাগিয়েছিল। ঋষি বঙ্কিমের বাংলা মাকে উৎসর্গ করে লেখা “বন্দে মাতরম” কথামালার সাথে “কদম কদম সে বাড়ায়ে যা / খুশি কে গীত গায়ে যা / এ জিন্দেগী হায় কওম কী / তু কওম পে লুটায়ে যা”র সেই লেফট রাইটের বুটের আওয়াজের সাথে “জয় হিন্দ” স্যালুটটি ঐ বয়সে আমার বাঙালীয়ানার সাথে বেমানান বলেই মনে হয়েছিল। তবুও সেই আঠার বছরের বুনিয়াদি জীবনের ভিত্তিই তো আমার পরবর্তী জীবন বিনির্মানের সূত্র। সেটা কি করে অস্বীকার করি। কিন্তু ইদানীংকার সামাজিক আর রাজনীতির এই বাঙালী জীবনে এতসব রঙ লেগেছে যে এই রঙের ছটায় মানব জীবনের আদিত্ব নিংড়ানো সেই “সদা সত্য কথা বলিব,কাহারো প্রতি অন্যায় আচরন করিবনা” সহ সামাজিক মূল্যবোধের সেইসব সহমর্মিতা, সম্মানবোধ, নৈতিকতা এবং সামাজিক সমতা ও ন্যায় বিচারের সরল পথ হতে ছিটকে পড়েছি বলে মনে করার যথেষ্ট কারন রয়েছে। বাঙালী এতই রাজনীতি সচেতন হয়েছে যে আজকাল রাজনীতিকেই বাঙালী তার জীবনের প্রধান এবং লাভজনক পেশা হিসাবে গ্রহন করেছে। আর এই রাজনীতির “লাগে রহো মুন্না”র পেশায় পেশী শক্তির কাউলা জাওলারা আজ তৃণমূলের গ্রাম সরকার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র ব্যবস্থার এমপি মন্ত্রী হতেও তাদের বাধা নেই। 


Politics নামের এই ইংরেজী শব্দটির বাংলায় নামকরন হয়েছে রাজনীতি। কোন পন্ডিতে করেছিলেন জানা না থাকলেও রাজা রাজড়ার হেঁশেলের একটি প্রচন্ড প্রভাব যে এই ভাষান্তরে কাজ করেছিল তা কিন্তু ঠাউর করতে অসুবিধা হয়না। আবার দেখুন না, গনতান্ত্রিক বাংলাদেশের নামকরন হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। কি মুসিবত! যেখানে রাজা নেই সেখানে প্রজা কোথা থেকে এলো। এসব এলোমেলো বঙ্গানুবাদের শিকার কিন্তু আমরা আমজনতা। ভাষ্যমতে, গনতান্ত্রিক চর্চা করে পছন্দের সরকার গঠনের পরক্ষনেই এই জনগন প্রজা বলে গন্য হলেন। আর এই প্রজা রাজার আমেজ পেয়ে নির্বাচিত মানুষগুলো তখন নিজেদেরকে রাজা রাজা ভাব নিয়ে রাষ্ট্র শাসনে ব্রতী হন। তবে এই গণতন্ত্রের মেকি উঠানের ফালনামাও যে খুব সুখকর তা কিন্তু বলা যাবেনা। আমাদের এই স্বাধীন বঙ্গভূমিতে গত অর্ধ শতাব্দীর রাজনৈতিক আমল নামা কিন্তু ওই রাজা প্রজার আবেশেই ঘূর্ণায়মান ছিল এবং আছে বলতেও অসুবিধা নেই। কারন শুধুমাত্র ভোট পূর্ববর্তী কয়েকটি দিন মিটিং মিছিল আর জনদরদী বক্তৃতা ও শ্লোগান ইত্যাদি করে আমাদের যে গণতান্ত্রিক চর্চা পালন করা হয় তা দীর্ঘমেয়াদী সুষ্ঠ ও সবল সমাজ কাঠামো তৈরীতে কোন ফল দেয়না। আর জনগনের রায় নিয়ে ক্ষমতা প্রাপ্তির পর শাসক হয়ে আসা ব্যক্তিবর্গ তখন দৈর্দন্ড প্রতাপ নিয়ে একজন বা একদল শাসক হয়ে নিজের এবং গোষ্ঠী উন্নয়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। রাজনীতি ও গণতন্ত্র তখন তাদের ধর্তব্যে থাকেনা বলেই মনে হয়। জনদরদ ও দেশপ্রেম এবং দেশ গড়ার বিষয়টি তখন এইসব তথাকথিত গণতন্ত্র প্রেমী রাজনীতিকের কাছে নিজের এবং আত্মীয় পরিজন ও গোষ্ঠী তুষ্টিতেই সময় ব্যয় করাটাই কর্তব্য কর্ম বলে প্রাধান্য পায়। ফলে গণ অসন্তোষের বিষয়টি তখন দেশীয় স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। করনীয় কি সেদিকে না গিয়ে গত পঞ্চাশ বছরে এই গণতন্ত্র ও রাজনীতি চর্চায় তথাকথিত রাজনীতির শাসক হয়ে আসা বঙ্গ সন্তানদের কি পরিণতি হয়েছে সেটা দিয়েই শেষ কর‍তে চাই।


হিমালয়ের উচ্চতা ও সম্মান নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে চমকে দেয়া মহান নেতাকে বাঙালীরা তাদের দেশ শাসক হিসাবে বরন করে নিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রহরে। আপতকালীন আশীর্বাদপুষ্ট মনে করা বাঙালীর সেটাই ছিল অভিশপ্ত জীবনের ক্ষন গননার সুচনা। কারন যে ব্যক্তিকে নিয়ে তাদের এত উচ্চাশা ও আকাঙ্খা, তিনি রাজনীতিতে যতই  কারিশমা বা নেতৃত্বের স্ফুরন দেখান না কেন, শাসন ক্ষমতার শিখরে বসে তিনি একজন ব্যর্থ রাষ্ট্রনায়ক হিসাবেই বিবেচিত হবেন। বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত একনায়ক স্বৈরশাসকের রক্ষীবাহিনী বুচারীতে কমপক্ষে হাজার বিশেক ছাত্র জনতার জীবন বলিদানে স্বৈর শাসক শেখ মুজিবকে সামরিক বাহিনীর কয়েকজন তরুন জোয়ানের সামরিক অভ্যুত্থানে নির্বংশ করা হয়েছে।  কথিত আছে পরবর্তী সময়ের শাসন ব্যবস্থায় শৃংখলা বাহিনীর অন্তর্দন্দের সুযোগে বন্ধু সেজে থাকা প্রতিবেশীর প্ররোচনায় জনপ্রিয় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির জীবনাবসান হয়েছে নৃশংস উপায়ে। তৃতীয়জন সামরিক স্বৈরশাসক। তবে সেখানেও গণ অভ্যুত্থানের রক্ত ঝরানোর তোড়েই তাকে বিদায় নিতে হয়। জনগনের অপচ্ছন্দে তাকে ক্ষমতার কুরসী ছাড়তে হয়েছে অসম্মানিত হয়ে। তৎপরবর্তী পরম্পরার তথাকথিত শাসন ব্যবস্থার শাসককুল ধারাবাহিকভাবে অসম্মানিত হয়েছেন নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট খোঁচাখুচির কারনে। এরই শিক্ষায় পুষ্ট হয়ে বংশ পরম্পরার অতি সম্প্রতির একনায়কোচিত স্বৈরাচারী শাসক অপ্রতিরোধ্য গতিতে তার স্বৈর শাসনের ভিত মজবুত করার লক্ষ্যে দেশের সাধারন মানূষ ও বিরুদ্ধ মতের রাজনীতির উপর হেন অপকর্ম নেই যা প্রয়োগ করেনি। দেশে জেল জুলুম খুন গুম ইত্যাদি নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনার অংশ হয়ে দাঁড়ায়।  কোন রাজনীতিই কথিত বংশ পরম্পরার স্বৈর শাসককে তার অপকর্ম থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি। কিন্তু পচা শামুকে পা কাটার বিষয়টিই শেষমেশ সাব্যস্ত হোল। সরকারী চাকরীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সামান্য কোটা সংরক্ষনের এক অখ্যাত এবং অরাজনৈতিক ছাত্র আন্দোলনে এক নায়কতন্ত্রী বেপরোয়া আচরনে সরকারী দল ও তাদের অংগ সংগঠন এবং দীর্ঘ মেয়াদী শাসনের বশংবদ শৃংখলা বাহিনীর সশত্র আক্রমনে কয়েক'শ নিরীহ মেধাবী ছাত্রছাত্রী ঢাকার রাজপথে নিহত হয়। ফলে অরাজনৈতিক নিরীহ ছাত্রদের বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলন এক দফার আন্দোলন অর্থাৎ স্বৈরশাসক হাসিনা বিদায়ের আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়।  আন্দোলনের প্রবলতা অবশেষে গণ অভ্যুত্থানের রূপ নিয়ে দেশ হতে শ্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে বিতাড়িত করে। 


বাংলাদেশের এই পঞ্চাশ বছরের শাসন ক্ষমতার পালা বদলের ইতিহাস বড়ই নির্মম ও নিষ্ঠুর। ১৯৭১ সালে নিজেদের স্বাধিকার আন্দোলনকে মুক্তির আন্দোলনে পরিণত করা বাঙালী কয়েক লক্ষ প্রানের বলিদানে নিজেদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। আবার স্বাধীন ভূখন্ডে নিজেদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষে ছাত্র জনতার লড়াইয়ে তারা নির্মমভাবে অত্যাচারিত হয়েছেন এবং প্রান দিয়েছেন। নব্বইয়ের গণ অভ্যুত্থানে স্বৈর শাসক এরশাদকে হটাতে গিয়ে ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছেন। সম্প্রতির চব্বিশ্বের জুলাই আন্দোলনেও ছাত্রজনতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি পূর্ববর্তী পনেরটি বছরে রাজনীতির একনায়কতন্ত্রের গণতন্ত্রে দেশে বিরোধী দমনে গুম খুন এনকাউন্টার এবং অমানবিক ও সেচ্ছাচারী আচরনে বাঙালী জীবনকে বিষাক্ত নরকে রূপান্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ স্বাধীনতার উষালগ্ন হতে একবিংশের চব্বিশে জুলাই পর্যন্ত সময়ে যারাই এসব করেছে তারা ছিল ক্ষমতার উচ্চাকাঙ্খী এবং প্রভুভক্ত বশংবদ রাজনীতক নামের নরকের কীট। সুতরাং নিয়তির লিখনেই তাদের পরিণতি নির্ধারিত ছিল বা হয়েছে। আমরা আশা করবো উপচে পড়া গণ আধিক্যের এই দেশে সত্যিকারের সৎ গণতন্ত্রমনা এবং দেশপ্রেমী রাজনীতি এদেশে গড়ে উঠবে। অতীতের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি তার নতুন মোড়কে গ্রাম বাংলার অপামর জনপদ ও তারুন্যের প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে তাদের কাঙ্খিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে শপথবদ্ধ হবে। দুখিনী বাংলা একদিন হাসবে ইনশা আল্লাহ! 

বিষয়: মতামত
avertisements 2
নিয়তির লিখন
নিয়তির লিখন
পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
‘যুদ্ধে জড়ালে খুবই খারাপ হবে’,চীন-রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
‘যুদ্ধে জড়ালে খুবই খারাপ হবে’,চীন-রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
নদীপথে অবৈধভাবে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা  বিএসএফের, রুখে দিয়েছে বিজিবি
নদীপথে অবৈধভাবে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা  বিএসএফের, রুখে দিয়েছে বিজিবি
যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশ
শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি!
শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি!
উত্তপ্ত নয়াদিল্লি রণক্ষেত্র, যন্তর মন্তরে ইন্টারনেট বন্ধ
উত্তপ্ত নয়াদিল্লি রণক্ষেত্র, যন্তর মন্তরে ইন্টারনেট বন্ধ
জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা
আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা
দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিচয় লুকিয়ে চাকরির সুপারিশ করেন জামায়াত এমপি
দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিচয় লুকিয়ে চাকরির সুপারিশ করেন জামায়াত এমপি
রূপপুরে সাগরচুরির চাঞ্চল্যকর তথ্য : ২৭ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির বিল তোলা হয় ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ
রূপপুরে সাগরচুরির চাঞ্চল্যকর তথ্য : ২৭ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির বিল তোলা হয় ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ
বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে মাথা ফাটল আইনজীবীর!
বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে মাথা ফাটল আইনজীবীর!
চিরকুট দুইশত পঁচিশ 
চিরকুট দুইশত পঁচিশ 
ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিমুখে যাত্রা, চ্যালেঞ্জের মুখে সরকার
ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিমুখে যাত্রা, চ্যালেঞ্জের মুখে সরকার
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2