avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

যে কথা হয়নি বলা-১

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১২ মে,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:২৪ পিএম, ১২ মে,মঙ্গলবার,২০২৬

Text

এলোমেলো কথাগুলি কখনোই গুছিয়ে বলা হয়নি। কেন যেন অন্তিম যাত্রার এই সন্ধিক্ষনে এসে জমে থাকা এই কথাগুলি উগরে দিতে ইচ্ছে করছে। পই পই করে স্বাধীনতার পঞ্চান্নটি বসন্ত পার করে ফেললাম, অথচ নিজ ভূখন্ডের রাষ্ট্র কাঠামো সোজাভাবে দাঁড় করাতে পারলাম না এখনও। গণতন্ত্র প্রজাতন্ত্র করতে করতেই আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্রের নাভিশ্বাস অবস্থা। সমাজতন্ত্রের কথাগুলোও মাঝে মধ্যে সামনে এসেছে। ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের মোহজালে খাবি খেতে খেতেই একাত্তরে জন্ম নেয়া শিশুটি আজ প্রৌঢ়ত্বের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে চারিদিক অন্ধকার দেখছে। গণতন্ত্র ও সামাজিক মূল্যবোধের ঝলক নিয়ে যারাই রাজনীতি করতে নেমেছেন তাদের মধ্যে যৌথ তৃণমূলীয় অনুশীলনের অভাব প্রকটভাবে ধরা পড়েছে। ফলে ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের কারিশমাকে পুঁজি বানিয়ে সেখানে ব্যক্তি ও পারিবারিক পরম্পরার ধারা সৃষ্টি করা হয়েছে। যার ফলে দেশে কখনোই সম্মিলিত বা যৌথ নেতৃত্বের গণতন্ত্র বিকশিত হয়নি। পারিবারিক পরম্পরার ব্যক্তি শিখন্ডি সামনে রেখে কর্পোরেট কায়দায় অফিস বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ঠিকুজি তৈরী করে গণতন্ত্রের রাজনীতি অনুশীলন করা হয়েছে। দেশের গণতন্ত্রের বিকাশে গনমানুষের প্রাধিকারের বিষয়টি সব সময় গৌণ অবস্থানেই পড়ে থেকেছে। অনুন্নত এবং স্বল্পন্নোত তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের গনতন্ত্র বিকাশের এ এক অলিখিত বিধান। 


অনুন্নত, স্বল্পন্নোত বা তৃতীয় বিশ্বের অত বড়সড় পরিসরে না তাকিয়ে নিজের হেসেলের হাঁড়ির খবরটাই না হয় একটু কাটাছেঁড়া করে দেখি, কোন্‌ মাল মসলা দিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথ সাজিয়েছি আমরা। শুধু শুধু অতীশ দীপঙ্কর যুগের কথামালা না কপচিয়ে যাত্রাপথের এই সেদিনের বর্ণমালা অর্থাৎ ১৯৪৭ থেকেই না হয় বাঙালী হয়ে ভাবতে শিখি। কেমন ছিল সেদিনের মধ্য আগষ্টের দিনগুলি। তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাঙালীয়ানার সামগ্রিকতায় সে সময়টা ছিল দাদাঠাকুর আর কত্তা মশাইদের একটা বাড় বাড়ন্ত অধিষ্ঠান। বৃটিশ বেনিয়া শাসকদের বশে রেখে দাদা বাবুরা কোলকাতা কেন্দ্রিকতাকে পুঁজি করে ঊনবিংশ শতকের শুরু হতেই সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিকাঠামোয় বন্দে মাতরম আর রাম নাম সত্যা হ্যায় বোলচালে এই বাংলা তল্লাটকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি আবরনে আচ্ছাদিত করতে প্রাণান্ত করেছিলেন। সংখ্যা গরিষ্ঠতার কল্যানে বৃটিশ বেঙ্গল এক্টের বাংলায় মুসলিম শাসকদের প্রাধান্য ছিল বটে তবে রাজনীতির সামন্ত প্রভুত্বের এক অলিখিত পরম্পরায় বাঙালী মুসলমানরা সামষ্টিক চিন্তায় কখনোই গণ মানুষের সামগ্রিকতা তৈরী করতে পারেনি। ফলে বসু চ্যাটার্জী বা দত্ত বাবুরা নিজেদের শিক্ষার আলোয় হিন্দু সামগ্রিকতায় একটা গণতান্ত্রিক ধারায় নিজেদেরকে যুথবদ্ধ করতে সমর্থ হয়েছিলেন। অপরপক্ষে শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া মুসলিম বাঙালীর খান সাহেব বা শাহ সৈয়দদের সামন্ত প্রভুত্বের কায়দা কানুনে কিছুটা হলেও সামষ্টিকতায়   ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। 


বৃহত্তর বাঙলার পুর্ব বাংলা মুসলিম প্রধান এলাকা হওয়াতে স্বভাবিক নিয়মে ভারত ভাগের কল্যানে এতদাঞ্চলের বাঙালীরা মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানে অঙ্গীভূত হয়। কিন্তু একটা বিষয় সত্য হলেও তা অনুচ্চস্বরে বলতে সবাই পছন্দ করে বলে মনে হয়। যেসব আরব ধর্মগুরু, শাসক সিপাহী কিংবা ব্যবসায়ীরা এই ভূখন্ডে এসে পুর্ব বাংলার বাঙালীদের সুফিবাদের কল্যানে ইসলামের ছায়াতলে সামিল করিয়েছিলেন তারা মূলতঃ এশিয়া মাইনর ও মধ্যপ্রাচীয় ঘরানার জাতিস্বত্ত্বা ও আরবি উর্দু ভাষাভাষির মানুষজন। তাদের শিক্ষা দীক্ষা আদব কায়দা ধর্মীয় শুদ্ধতায় স্বচ্ছ ও খাঁটি হলেও বাঙালী সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার চাহিদায় তা ছিল নিতান্তই অপ্রতুল। তাছাড়া ভারত দখলের বৃটিশ শাসকেরা মুসলিমদের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েই ভারত কর্তা হয়েছিল। ফলে মুসলিম সম্প্রদায় বৃটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে তাদের জাত শত্রুতে পরিণত হয়। আর শত শত বছরের ভারত শাসনের যন্ত্রনায় এমনিতেই হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে মুসলিম বিদ্বেষ ঘনীভূত ছিল। এরই ফলশ্রুতিতে হিন্দু জনগোষ্ঠী কোন এক অলিখিত সংজ্ঞায় বৃটিশদের আনুকুল্য আদায় করে নেয়। শাসক হিসাবে নিজেদের পথ মসৃণ করার জন্য বৃটিশরাও এই ডিভাইড এন্ড রুল(divide & rule) পদ্ধটি কাজে লাগিয়ে তাদের শাসন ক্ষমতার স্থায়িত্ব পোক্ত করে ফেলে। তাছাড়া বৃটিশ বিরোধিতা ও তাদের শিক্ষাদীক্ষায় অভ্যস্ত হওয়ার অনীহার কারনে বাস্তবিক ও ব্যবহারিক জীবনে মুসলমানেরা হিন্দুদের থেকে যোজন যোজন দূর পিছিয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবহারিক চলনে তাদের অংশ গ্রহন অকার্যকর হয়ে পড়ে। বাঙালী হিন্দুরা সে সুযোগটি কাজে লাগিয়েছিল। 


১৯৪৭ এর আগষ্টে বৃটিশ শাসকেরা তাদের মুসলিম বিদ্বেষী নমুনার শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েই বোধ হয় ভারত ছেড়েছিলেন। সেক্ষেত্রে বাংলার বাঙালীয়ানার সামগ্রিকতায় ধর্মভেদে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলেও কলকাতার জৌলুষ এবং উচ্চবর্ণের মুষ্টিমেয় ব্রাহ্মন্য নেতা ও মাথা ওয়ালাদেরদের ক্ষমতার টানা হেঁচড়ায় বাংলাকে পূর্ব-পশ্চিমে দু'ভাগ করানোর এক আকাশভাঙ্গা যড়যন্ত্রের বলি করানো হয়। সেক্ষেত্রে গোটা বাংলার মুসলিম এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ৮০% নিম্ন শ্রেণীর বাঙালীরা এই বিভাজনের বিরুদ্ধে থাকলেও এই বাংলা বিভাজন কার্যকরী করতে হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা বাঁধাতেও তারা পিছপা হন নি। তবে একথা ধ্রুবতারার মত সত্য যে বাঙালী মুসলমান ধর্মভীরু হতে পারে কিন্তু তারা কখনোই ধর্মান্ধ ছিল না বা এখনও নয়। সেক্ষেত্রে বর্ণবাদী হিন্দুদের নিম্ন সম্প্রদায়ভুক্ত খেটে খাওয়া বঞ্চিত হিন্দুরাও কখনোই ধর্ম বিদ্বেষী ছিল না। ১৯৪৭ এ পূর্ব বাংলার মুসলিম অধ্যুষিত বাঙালী এবং পশ্চিমের হিন্দু গরিষ্ঠ বাঙালী যথাক্রমে পাকিস্তানী ও হিন্দুস্তানী পরিচয়ে স্বাধীনতার স্বাদ নিল। সেক্ষেত্রে পূর্ব বাংলার বাঙালীরা পাকিস্তানী তকমা লাগিয়ে স্বাধীন ভূখন্ডের মালিক হলেও নিজস্ব বাঙালী অস্মিতার একটি সুপ্ত বাসনা থেকেই তারা তাদের পথ চলার স্বপ্ন নিয়েই এগোতে থাকে। তাছাড়া ধর্ম সংজ্ঞায় মুসলিম জাতিস্বত্ত্বার মেরুকরনে ভিনভাষী ও জাতিস্বত্ত্বার মানুষজনের সাথে সহবস্থানের বিষয়টি তারা মেনে নিতে পারেনি। হিন্দু মুসলমানের পাশাপাশি সহবস্থানের শাশ্বত চাহিদায় বাঙালী সুখী ও সমৃদ্ধ থাকতেই স্বাচ্ছন্দ ছিল এবং এখনো আছে। 


পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর পূর্ব বাংলায় যে হারে মুসলিম জাতীয় করনের ধোয়াশা তৈরী করে ভারত ভূখন্ড হতে ভিনভাষী মুসলিম জাতিস্বত্ত্বাকে এই জমিনে এনে আত্মীকরনের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল তা বেশ চমকপ্রদই ছিল। বিহার ইউপি উড়িষ্যা এমনকি মধ্য ভারতের অবাঙালী মুসলমানদের জন্য সরকারী ব্যবস্থাপনায় পুনর্বাসনের সর্বোচ্চ উদ্যোগ পাকিস্তান সরকারের তরফ থেকে নেয়া হয়েছিল। ফলে চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে এতদাঞ্চলে হিন্দু বাঙালীদের জন্য নিরাপত্তাহীনতার একটা প্রচ্ছন্ন প্রভাব পড়ে। যার ফলে এতদাঞ্চলের হিন্দু বাঙালিদের ক্ষেত্রে এক অশুভ বৈরী পরিস্থিতির সুত্রপাত হয়। সেক্ষেত্রে রাজনীতির ডামাডোল এবং সরকারী অসহোযোগের যাতাকলে পড়ে ঐ সময়টা এবং তৎপরবর্তী কয়েক বছরে ধরে পুর্ব বাংলার হিন্দু বাঙালীর একটি সিংহভাগ অংশ কলকাতা কেন্দ্রিকতার পশ্চিম বাংলায় আশ্রয় নেয়। তবে একটি জিনিস লক্ষ্য করা যায় যে পশ্চিম বাংলা বা ভারত থেকে যেসব বাঙলী অবাঙালীরা এই বঙ্গে এসেছিল তাদের পুনর্বাসনের জন্য পাকিস্তান সরকার যেভাবে তাদের জন্য অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের বন্দোবস্ত করেছিল, ভারত সরকার কিন্তু পশ্চিমে ঠাঁই নেয়া হিন্দু বাঙালীদের জন্য সেরকম সমন্বিত পুনর্বাসনের কোন রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেয় নি। ফলে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া হিন্দু বাঙালীরা কিছুটা সহায় সম্বলহীন শরনার্থী হিসাবেই নিজেদের ভাগ্যকে বরন করে নেয়। 

 -চলমান-


 

বিষয়:
avertisements 2
লাইফ সাপোর্টে থাকা কারিনা এখন কেমন আছেন
লাইফ সাপোর্টে থাকা কারিনা এখন কেমন আছেন
দেশবরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই
দেশবরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই
যে কথা হয়নি বলা-১
যে কথা হয়নি বলা-১
গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না
গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না
এবার পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামি
এবার পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামি
যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠালো ইরান
যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠালো ইরান
ইতালিতে আপন ছোট ভাইকে হত্যা করে ভিডিও কলে পরিবারকে দেখাল বড় ভাই
ইতালিতে আপন ছোট ভাইকে হত্যা করে ভিডিও কলে পরিবারকে দেখাল বড় ভাই
চাঁপুরের উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ছে দুই কোটি টাকার সেতু ও সড়ক
চাঁপুরের উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ছে দুই কোটি টাকার সেতু ও সড়ক
খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, সম্পাদক তরিকুল
খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, সম্পাদক তরিকুল
আর ভদ্রতা নয়, অস্ত্র হাতে এআই ছবি দিয়ে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের
আর ভদ্রতা নয়, অস্ত্র হাতে এআই ছবি দিয়ে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের
কুয়েতে জেল খেটে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে নেমেই মৃত্যু
কুয়েতে জেল খেটে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে নেমেই মৃত্যু
ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৫ ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৫ ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়, প্রার্থনা আসামের মুখ্যমন্ত্রীর
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়, প্রার্থনা আসামের মুখ্যমন্ত্রীর
স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলায় গৃহশিক্ষক রনির মৃত্যুদণ্ড
স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলায় গৃহশিক্ষক রনির মৃত্যুদণ্ড
রিজওয়ানার থাবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
রিজওয়ানার থাবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2