জালাল উদ্দিন আহমেদ
ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (১)
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৫ এপ্রিল,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ১২:২৪ এএম, ৬ এপ্রিল,সোমবার,২০২৬
এ এক ব্রীড়ত আগ্নেয় লাভা। বাস্তবতায় মনে হয় যেন নরকের একঝাঁক কীট। হবেইবা না কেন! যেভাবে বিশ্বের ওই অভিশপ্ত মানব গোষ্ঠীকে পেলে পুষে তুলতুলে তেল চুয়ানীর ফুলেল সুবাসে বাড় বাড়ন্ত করে রাখা হয়েছে সেটাকে সত্যিকার অর্থেই একপক্ষীয় একক নাট্য মঞ্চায়ন ছাড়া আর কিইবা বলা যায়। সত্যিই তো তাই। এত এত নর সংহার করা পুচকে নরকের কীটগুলো পবিত্র আরব ভূমির পেটে ঢুকে নিজেদেরকে 'কি হনুরে’ ভাব নিয়ে যেভাবে ছড়ি ঘুরাচ্ছে, তাতে কি কাউরি মনে প্রশ্ন জাগে না যে এই নরপশু গোত্রীয় জাতিগোষ্ঠী সত্যিকার অর্থেই আল কোরআন ঘোষিত একমাত্র অভিশপ্ত জাতি। যারা স্রষ্ঠার আনুগত্য পরিহার করে গরুর মুর্তি বানিয়ে তাকে উপাসনা করেছিল। তারা আল্লাহ প্রেরিত মহাপুরুষদের অবমাননা ক’রে তাদেরকে হত্যা করেছিল। নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব জাহিরে তারা আজন্ম উন্মত্ত। এখনও কি সেটাই ঘটছে না! ওই ঘৃণিত জাতিগোষ্ঠী বর্তমানের বিংশ ও একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে কি এমন মনুষ্য আচরনের কাজগুলো করছে যার জন্য তাকে নিয়ে টু শব্দটিও করা যাবে না। কিন্তু কেন? এই কেন'র উত্তর অনেক বড়, অনেক বিস্তৃত।
আমার এই লেখা পড়ে অনেকেই আমার এই ঔদ্ধত্যের জন্য বাহবা দিতে চাইবেন। কেউবা শঙ্কিত হয়ে আমাকে গুটিয়ে যেতে বলবেন। কিন্তু বেরাদরে ইসলাম বা আশরাফুল মোখলুকাত খ্যাত মানবজাতি, আপনারা কেউ কি একবারও ভেবেছেন এই বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা কিংবা রক্তপিপাসু খুনী হওয়ার জন্য মানব জাতির কোন অংশকে কি মহান সৃষ্টিকর্তা উন্মুক্ত লাইসেন্স দিয়ে রেখেছেন? আরও একটু ভাবুন তো! এই যে একটি ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ত্বা বা আরো কিছু এদেরই সাদৃশ্য জাতিগোষ্ঠী বিশ্বের বৃহত্তম এবং স্রষ্টা স্বীকৃত উৎকৃষ্ট (ধর্মীয় বিবেচনায়) জাতিস্বত্তার বিরুদ্ধে বাধাহীনভাবে যথেচ্ছচার করে চলেছে তার কি কোন বিচার আচার নেই! আর যার উপর ভরসা ক’রে দুনিয়ার মোড়লীর ভার গচ্ছিত রাখা হয়েছে, মানব সভ্যতার মাপকাঠিতে তার যোগ্যতা ও উপযুক্ততা আসলেই প্রশ্নবিদ্ধ নয় কি! কোন্ মাপকাঠিতে একটি রাষ্ট্রকে মহান বানিয়ে আন্তমহাদেশীয় কর্তৃত্বের চাবি তার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে! বিশ্ব শান্তি ও সৌহার্দের এতবড় গাল ভরা বুলি আওড়িয়ে আমরা কোন্ ভরসায় একটি জাতিস্বত্বার জিম্মায় জাতিসংঘ নামক বিশ্বক্লাবের পত্তন ঘটিয়েছি! এসবের সূদুর প্রসারী এক নীলনক্সার কেচ্ছা কাহিনী বিশ্ব ব্যবস্থায় কিভাবে তার জাল বিস্তার করে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছে সেসব কথাগুলোই না হয় একটু আধটু বিচার বিশ্লেষন করা যাক।
সৃষ্টির আদি যুগ হতে মানব জাতি নিজেদের সামাজিক আচার আচরনের সুষ্ঠতা ও শৃংখলা বজায় রাখার তাগিদে কিছু নিয়মনীতির প্রচলন চালু করে। তবে সেক্ষেত্রে পেশীশক্তি ও বংশ পরম্পরার আধিপত্যে সামাজিক অসন্তাষ সৃষ্টি হয়। কালের বিবর্তনে এবং স্রষ্টার ইচ্ছায় সমাজবদ্ধ মানুষ নিজেদের আচার আচরনে পরিশুদ্ধ জীবন বিধানে মনোযোগী হয়। ফলে গোষ্টী বা গোত্রীয় শৃঙ্খলে সমাজে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। এভাবেই আস্তেধীরে মানবজাতি স্রষ্টা ও সৃষ্টির মেলবন্ধনে ধর্মীয় বিধি বিধানে নিজেদের আত্মশুদ্ধির পথ খুঁজে নেয়। ফলে সমাজ রাষ্ট্র বা আঞ্চলিক ভূখন্ডে ধর্মীয় বিধি বিধানের আলোকে এক অলিখিত শৃঙ্খলে মানুষ তাদের জীবন-শৃঙ্খল গড়ে তুলে। এব্যাপারে স্রষ্টা প্রেরিত বা মনোনীত দূতের মাধ্যমে মানব গোষ্ঠীর মধ্যে ধর্মীয় আবহের আত্মশুদ্ধির আচার আচরন এর বিষয়গুলি স্বতঃসিদ্ধ হয়। ঐশী গ্রন্থ ও মহা মানবদের আবির্ভাবের সুকল্যানে এযাবতকালে তিনটি ধর্ম ব্যবস্থা এই ভূমন্ডলে তাদের ধারাবাহিকতায় স্রষ্টার সৃষ্টি ও তার অস্তিত্বের প্রমানে সার্বজনীন হয়েছে। সেক্ষেত্রে আরো অনেক প্রাচীন ধর্মের অস্তিত্ব এই ভূমন্ডলে এখনো তার অস্তিত্ব প্রমানে টিকে থাকলেও স্রষ্টা সম্পর্কে তাদের বহুমুখিতায় তারা ধর্মের মূল ধারায় পৈঁছাতে পারেনি।
ধর্মের গূঢ় তত্বের এতসব ঘানি না টেনে শুধু এটুকু বলতে পারি, বিশ্ব জগতে বর্তমানে তিনটি ধর্মীয় প্রচলন আজ তাদের বিশ্ব সার্বজনীনতায় গ্রহনযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। সেগুলো আব্রাহামিক ধর্ম। পরম্পরার নিরিখে হজরত আদম(আঃ) প্রথম মানব হলেও ধর্মীয় বিধানের পরম্পরায় হজরত ইব্রাহিম(আঃ) হচ্ছেন মানব জাতির প্রথম পিতা। সেই হিসেবে হজরত মুসা (আঃ) প্রবর্তিত ঈহুদি ধর্ম, হজরত ঈশা(আঃ) এর খ্রীষ্ট ধর্ম এবং সর্বশেষ পবিত্র কোরান ঘোষিত হজরত মোহাম্মদ(সাঃ) প্রবর্তিত ইসলাম ধর্ম হচ্ছে আব্রাহামিক ধর্মের চক্র। এরাই দুনিয়ার সাকুল্য জনপদের আশি ভাগ। সেক্ষেত্রে একটি কথা না বললেই নয় যে ইসলাম ধর্ম সমগ্র মানব জাতির জীবন বিধানের জন্য একটি নিখুঁত এবং অকাট্য ব্যবস্থাপত্র। ফলে স্রষ্টা ঘোষিত এই ধর্মীয় জীবন ব্যবস্থা বা বিধান সবার জন্য উন্মুক্ত। সেক্ষেত্রে পবিত্র কোরানের ভাষ্যমতে পূর্বে প্রচলিত ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, স্রষ্টা ঘোষিত সর্বশেষ ঐশী গ্রন্থ আল-কোরান ও তাঁর প্রেরিত দূতের মদিনা সনদের ঘোষনা পাঠের মাধ্যমে রহিত করা হয়েছে (সুরা আল ইমরান)। ফলে প্রেরিত মহাপুরুষদের হেদায়েতে যারা পেরেছেন বা পারছেন তারাই এই শ্রেষ্ঠ ধর্মের পতাকাতলে নিজেদেরকে সমর্পন করেছেন বা করছেন। কিন্তু পরম্পরার রাষ্ট্রশক্তি বা গোষ্ঠী উৎকর্ষতার বহমানতায় মানবজাতি তাদের হেরিডিটি বজায় রেখে নিজেদের পছন্দের ধর্ম বিধান বজায় রেখে বিশ্ব ভূমন্ডলে সহবস্থান করে যাচ্ছে। কিন্তু স্রষ্টা কর্তৃক ঘোষিত অভিশপ্ত জাতিস্বত্বার ঈহুদি ধর্মাবলম্বীরা সৃষ্টির আদিযুগ হতেই তাদের সুপ্রিমেসী বা হামবড়া ভাবের খেসারতে দুনিয়াতে সব সময় কোন না কোন বিশৃংখলা বা সহিংসতায় সূত্রপাত জারি রেখে শান্তিপ্রিয় মানব জনপদে একটা না একটা অশান্ত পরিবেশের জন্ম দিয়ে যাচ্ছে।
ঈহুদি চক্রের এই কুট কৌশল ও দুষ্টামির প্রচ্ছন্ন সহযোগী হয়ে তাদের কাছের সময়ের ধর্ম মতাবলম্বীরা দোসর সেজে বিশ্বে এক ধরনের বড়সড় ক্যাইজা ফ্যসাদে নিজেদেরকে জড়িয়ে রেখেছে। এমনকি, আব্রাহামিক পরম্পরার না হয়েও কয়েকটি প্রাচীন সনাতনী ধর্মালম্বীরাও আজকাল এই পন্থা অবলম্বন করে মুসলমানদের পিছনে উঠে পড়ে লেগেছে। এসবের মূল কারন হচ্ছে নিজের ক্ষমতা ও সম্পদের স্ফীতিকরন এবং দুনিয়ার কর্তৃত্ব নিজেদের মুঠোয় পুরে রাখার ফন্দি ফিকির। শান্ত জনপদে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং জনজীবনে অতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার এ এক মহা পরিকল্পনা। লক্ষ্য করা গেছে সংখ্যনুপাতে শাসক শ্রেণীর অল্প সংখ্যক ধনকুবের ব্যবসায়ী যখন রাজনীতি নিয়ন্ত্রনে সামনের সারিতে চলে আসেন তখন এধরনের উটকো বিশৃঙ্খলা ও অশান্ত পরিবেশের সূত্রপাত হয়। মানবজাতির কলঙ্ক হিসাবে চিহ্নিত ইহুদি চক্র সেইসব মোড়ল মাতবরদের ভুল পথে চালিত করে বিশ্ব পরিমন্ডলে অশান্ত পরিববেশের সূত্রপাত ঘটায়। আজকের বাস্তবতায় দুষ্ট ঈহুদি চক্রের কুমন্ত্রনায় পবিত্র খ্রীষ্ট ধর্মের অনুসারী পৃথবীর মোড়ল মামে খ্যাত আমেরিকার মাধ্যমে এই দীর্মেয়াদী অরাজক পরিবেশ পরিস্থিতির সূত্রপাত ঘটে চলেছে। অথচ পৃথিবীর ভূমিহীন নিগৃহীত এবং স্রষ্টা কর্তৃক অভিশপ্ত এই ঈহুদি জাতিগোষ্ঠীকে জেরুজালেম কেন্দ্রিক ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কিছু ভূখন্ড দান করে তাদের স্থায়িত্ব দেয়া হয়েছিল বিংশ শতাব্দীর গোঁড়ার দিকে। এই উদারতা কেবল মুসলমানরাই দেখাতে পারে। কিন্তু আরব ভূখন্ডের ফিলিস্তিন নামক একটি সমৃদ্ধ মুসলিম রাষ্টের বুকে ঠাঁই নিয়ে ঈহুদি জাতিরাষ্ট্র ইসরাইল দিনের পর দিন যেভাবে নিজেদের কুটকৌশল ও দূর্বৃত্যায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রটিকে ছত্রাখান ক’রে এবং তার জনপদের বিনাশ ঘটিয়ে নিজেদেরকে আরব ভূখন্ডের ছত্রপতি উপস্থাপনের মচ্ছবে আজ এত উন্মত্ত হয়েছে সেখানে আমেরিকাসহ পশ্চিমা খ্রীষ্ট ধর্মীয় রাষ্ট্রগুলি প্রকাশ্যে তাদের মদদ জারি রেখেছে। সেক্ষেত্রে আরব রাষ্ট্র সমূহের সরকার ব্যবস্থার ত্রুটির সুযোগে এবং তদাঞ্চলের সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খনিজ তেল ও গ্যাসের প্রলোভনেই এই সকল অমানবিক বা মানবতা বিরোধী কাজে পশ্চিমা শক্তিদের উৎসাহ ত্বরান্বিত করছে। (চলমান)
ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (১)
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
জরুরিভিত্তিতে ১ লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সাতটি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
জুলাই সনদের সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী
মহামারিতে রূপ নিতে পারে হাম, ১৯ দিনে উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু
আজহারির ভিসা বাতিল, অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ
এলপিজির দাম বাড়লো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৭২৮ টাকা
সৌদি আরবের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার
রোববার জরুরিভিত্তিতে থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা
ইরান যে শর্তের ভিত্তিতেই যুদ্ধের ইতি টানবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান
অস্ট্রেলিয়ায় আইপিডিসি’র ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানমালা
আপনারা জেন-জি রিপ্রেজেন্ট করেন, জামায়াত জেনারেশন হয়েন না : পার্থ
সংসদ মসজিদে জুতা হারিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন এমপি হানজালা
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



