avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (২)

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৬ এপ্রিল,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:৫৮ পিএম, ৬ এপ্রিল,সোমবার,২০২৬

Text

আজকের বাস্তবতায় আমেরিক নামক আটলান্টিক পাড়ের বেনিয়া ও যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রটি বিশ্বশান্তির নামে দুনিয়া জুড়ে যেভাবে তার পেশী শক্তির থাবা বিস্তার করে চলেছে তা সত্যিকার অর্থেই বিশ্ব ভূমন্ডলে এক দুর্ভাগ্যজনিত অবস্থার সৃষ্টি করেছে। আর এর মূল কলকাঠি নাড়ছে ঈহুদি চক্রের ব্রেন এবং কতিপয় প্রতিষ্ঠিত ঈহুদি ধন কুবেরের বিশ্বব্যাপী ব্যবসা বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক। কথায় আছে, বাসর রাতেই বিড়াল মার‍তে হয়। এবং সেই কাজটি করেছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ লগ্নে মিত্রশক্তির প্রধান শরীক আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান। অক্ষশক্তির প্রধান স্তম্ভ জাপানে এটম বোম ফেলে আমেরিকা দুনিয়া জুড়ে তার বাহুবলী ক্ষমতা দেখিয়ে দুনিয়ার মোড়ল হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিল এভাবেই। এরপর থেকে বিশ্ব সভ্যতা বা জনমত সেই যে চুপসে গেল, কমিউনিষ্ট দুনিয়া ছাড়া আর কি কেউ মাথা তুলতে পেরেছে! আরো একটি মনস্তাত্বিক শাটডাউন আমেরিকা করেছিল। ঈহুদি পরামর্শের সুতিকাগার এই আমেরিকা পশ্চিম ইউরোপের শক্তিশালী ধনবাদী রাষ্ট্রগুলিকে ভাংচুর করে তাদের মাধ্যমে ন্যাটো নামের এক নিরাপত্তা জুজু তৈরী করে বিশ্ব পরিমন্ডলে তার দ্বিতীয় যুদ্ধফ্রন্টের পত্তন ঘটিয়েছিল। সেগুলো নিয়েই যুদ্ধজবাজ এবং বেনিয়া রাষ্ট্রটি এযাবতকাল এই পৃথিবীর অপ্রতিদ্বন্দী নেতা সেজে বসে আছে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী এখন পর্যন্ত বিশ্বে যতসব সহিংসতা বিশৃংখলা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্র সমূহে যুদ্ধবিগ্রহ তথা রক্তাক্ত পন্থায় সরকার পরিবর্তন করানো হয়েছে, প্রতিট ইভেন্টেই আমেরিকা নামক এই বিশ্ব মোড়লটির নাম এসেছে। 


আরব বিশ্বের পেট চিরে ইসরাইল নামক নিকৃষ্ট জাতিস্বত্বার যে রাষ্ট্রের পত্তন ঘটানো হয়েছিল সেখানেও আমেরিকার প্রত্যক্ষ মদদ ও পৃষ্টপোষকতা ছিল। কারন তারা জানতো বিশ্বের প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের ভান্ডার এই আরব ভূখন্ডে তাদের একটি খুঁটি পুতে রাখা দরকার। সেই ভবিষ্যত পরিকল্পনায় বিশ্ব বেনিয়া বৃটিশদের সঙ্গে  হাত মিলিয়ে তারা রাষ্ট্রহীন ঈহুদী জাতিস্বত্বার জন্য ইসরাইল নামক রাষ্ট্রের খুঁটিটা পুঁতেছিল সেই প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের টালমাটাল দিনগুলির সময়টাতে। পরবর্তীতে ঝোপ বুঝে কোপ মারার সময় সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের মাধ্যম্যে ঈহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৯৪৮ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ইসরাইলের আত্মপ্রকাশ ঘটায়। লক্ষ্যণীয়, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ইসরাইলকে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয়া রাষ্ট্র ছিল আমেরিকা ও বৃটেন। সুতরাং একথা না বুঝার কোন কারন নেই যে কতটা পরিণত মস্তিষ্কের শতবর্ষীয় পরিকল্পনা নিয়ে এই নরকের কীটদেরকে নিজেদের ভবিষ্যত লাঠিয়াল বানানোর চিন্তায় বৃটিশ-আমেরিকার যৌথ প্রযোজনায় এই কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছিল। আজকে যারা বিশ্বের সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত জাতিস্বত্বার (শক্তি ও অর্থবলের মিথ্যে হিসাবে) কাছে মাথা নুইয়ে আরব বিশ্বের রাজা বাদশা হয়ে দুনিয়াতেই বেহেস্তি জীবন যাপনে দিন গুজরান করছেন তারা কি জানেন, বিশ্ব অর্থ ব্যবস্থায় এই আরবদের ধন সম্পদের ঐশ্বর্যে ভর করেই আমেরিকানদের এত এত বাড় বাড়ন্ত। সুতরাং মাথামোটা আরব শাহীর আট দশটা রাষ্ট্র ব্যবস্থার রাজা আমিরদের ক্ষমতা ও জৌলুষের ভোগদখলি পরিণতিই হচ্ছে বর্তমান সময়ের এই নাকাল আরব ভূখন্ডের কারন। যারাই মাথা তুলে নিজেদের জাতিস্বত্বার অস্মিতায় এগোতে চেয়েছে তাদের নেতৃত্বকেই এই ঈহুদি আমেরিকান দুষ্টু চক্র খতম করে ছেড়েছে। মিথ্যা অজুহাতে তারা ইরাকের নেতৃত্বকে পঙ্গু করেছে। লিবিয়ার লৌহ মানব গাদ্দাফিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছে। সিরিয়ার মত বিশ্ব সভ্যতার এক উৎকৃষ্ট জাতিস্বত্বাকে ছারখার করে ছেড়েছে। এমনকি মিশরের মত শক্তিশালী রাষ্ট্রটিকে পঙ্গুত্বের আবরনে এক পুতুল সরকার বসিয়ে রেখেছে। 


আরব ভূখন্ডে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাওয়া রাষ্টেগুলিকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে সেখানকার জনপদকে একে একে বিরানভূমি বানিয়ে ছেড়েছে এই বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা। আর এর সমস্ত কিছুর গুটির চাল চালানো হয়েছে ইসরাইল নামক বিষফোঁড় রাষ্ট্রটির অস্তিত্ব বিপন্নের অজুহাত সৃষ্টি করে। মানবতা বিপন্ন এবং নিউক্লিয়ারমুক্ত বিশ্ব শান্তির ধ্বজা তুলে এই মোড়ল রাষ্ট্রটি দুনিয়া জুড়ে আনবিক শক্তি নির্মুলের অভিযান চালানোর লাইসেন্স নিয়ে বড় বড় শান্তির কথা আউড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ নিজেদের আনবিক শক্তি ধ্বংস বা নির্মুলে কতটুকু কি করেছে সেটাই তো অযুত সহস্র প্রশ্ন। ১৯৪৫এর আগষ্টে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার অমিত আকাঙ্খা নিয়ে তৃতীয় বিশ্বের জাপানী শক্তিকে আনবিক বোমায় ধুলোয় মিশিয়ে যার বাসর রাতে বিড়াল মারার কাজটি শুরু হয়েছিল আজকের একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বখ্যাত মোড়লটি আজ ইরান নামক এশিয়া মাইনরের এক ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতিগোষ্ঠীর ঘাড়ে সওয়ার হওয়ার লালসায় মধ্যপ্রাচ্যে পুঁতে রাখা খুঁটির উপর ভর করে সেখানে তান্ডব চালাচ্ছে। কিন্তু হার না মানা বীরের জাতি পার্সিয়ানদের কোনদিকেই কাবু করতে না পেরে শেষমেশ সেই আগষ্ট, ১৯৪৫ এর লিটল বয় আর ফ্যাটম্যানের পুনরাবৃত্তি ঘটে কিনা সেটাই দেখার জন্য এবং তার ভয়াবহতা ভোগ করার ভীতিকর জড়তায় বাকী বিশ্ব অসহায়ের মত আকাশ পানে তাকিয়ে আছে। 


এই যে এত এত ভয়াবহতা, নৃশংশতা এবং মানব হত্যা ও জনপদ বিনাশের অবাধ লাইসেন্স নিয়ে এই মোড়ল রাষ্ট্রটি তার পালিত সহযোগী আজরাইলকে (সরি! ইজরাইল) নিয়ে বিনা অজুহাতে অন্যসব স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র সমূহের উপর অমানবিক নৃশংসতা চালাচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্ব বা কোন স্বাধীন জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রও টু শব্দটি করছে না। কেউ মুখ খুলে বলছে না “আমেরিকা তুমি যা বলছো বা করছো সব ভুল এবং মিথ্যে প্ররোচনায় এসব করা হচ্ছে। যার কথায় উঠবস ক’রে এতসব ধ্বংসযজ্ঞ করা হচ্ছে সেটা অন্যায় এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ”। অর্থাৎ গোটা বিশ্বে আমেরিকা  এমন এক বিড়াল মারা বাঘ হয়েছে যে বাঙালী কাহাবতের সেই গ্রাম্য বধুর “ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই” এর বিধি নিষেদের পর্যায়ে দাঁড়িয়ে গেছে। দিব্যচক্ষে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র ঈহুদীবাদী রাষ্ট্রটির স্বার্থ রক্ষার মিথ্যে অজুহাতে নিজেদের বেনিয়া রাজনীতি টিকিয়ে রাখার নোংরামিতে তথাকথিত বিশ্বমোড়ল আমেরিকা যাচ্ছেতাই করে যাচ্ছে। ফলে রবি ঠাকুরের সেই দুই বিঘা জমির “বাবু যত বলে পারিষদ দলে বলে তার শতগুন’’ এর আবর্জনায় পৃথিবীটা ভারি হয়ে উঠছে। পৃথিবীটা শান্ত হোক - এই কামনা করা ছাড়া আমাদের আর কিইবা করার আছে?   

বিষয়:
avertisements 2
ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (২)
ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (২)
আয় কমে তলানিতে, আমিরাতে কঠিন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিরা
আয় কমে তলানিতে, আমিরাতে কঠিন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিরা
ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (১)
ভাশুরের নাম মুখে নিতে নেই (১)
জরুরিভিত্তিতে ১ লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার 
জরুরিভিত্তিতে ১ লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার 
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সাতটি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সাতটি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
জুলাই সনদের সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী
জুলাই সনদের সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী
মহামারিতে রূপ নিতে পারে হাম, ১৯ দিনে উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু
মহামারিতে রূপ নিতে পারে হাম, ১৯ দিনে উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে  বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
যুক্তরাষ্ট্রে  বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
এলপিজির দাম বাড়লো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৭২৮ টাকা
এলপিজির দাম বাড়লো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৭২৮ টাকা
আজহারির ভিসা বাতিল, অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ
আজহারির ভিসা বাতিল, অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ
সৌদি আরবের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
সৌদি আরবের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার
রোববার জরুরিভিত্তিতে থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা
রোববার জরুরিভিত্তিতে থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা
ইরান যে শর্তের ভিত্তিতেই যুদ্ধের ইতি টানবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান
ইরান যে শর্তের ভিত্তিতেই যুদ্ধের ইতি টানবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান
সংসদ মসজিদে জুতা হারিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন এমপি হানজালা
সংসদ মসজিদে জুতা হারিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন এমপি হানজালা
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2