জালাল উদ্দিন আহমেদ
যে কথা হয়নি বলা -৩
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৯ মে,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ০১:৫৯ পিএম, ১৯ মে,মঙ্গলবার,২০২৬
১৯৪৭ সালে ভারত দ্বিখন্ডিত হয়ে স্বাধীন হোল বটে তবে সেখানেও কিন্তু রেখে কয়েকটা প্রশ্নের জন্ম দিল। কাকতালীয় কায়দায় বিষাক্ত সাম্প্রদায়িক স্মৃতিটি রেখে দেয়ার জন্য কিনা জানা নেই, তবে ভিতরের অন্তর্নিহিত কারন জানলে হয়তো প্রজন্মান্তরের মানুষ একটু হলেও শিহরিত হবেন। বৃটিশরা হচ্ছে বেনিয়ার জাত। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যা কিছু মন্দকর্ম ঘটেছে তার সিংহভাগের অনুঘটক এই ইংরেজ বেনিয়ার জাত। সারা ভূমন্ডলে বাণিজ্যের বেসাতি বসিয়ে এরা সেসব রাজ্য বা অঞ্চলকে নিজেদের কলোনী বানিয়ে শাসন করেছে। ফলে বিশ্বময় রাজ করার সুবিধাভোগে তারা তাদের মূল ভুখন্ড বৃহত্তর ইংল্যান্ডকে সমৃদ্ধ করেছে। মনে রাখা প্রয়োজন, মুসলমানেরা ভারতে invaders হিসাবে এলেও তারা ভারতীয় হয়েই ভারত শাসন করেছে। তারা কোন দেশ বা জাতিস্বত্ত্বার প্রতিনিধি হয়ে ভারত শাসন করেন নি। ফলে মুসলমান শাসনের সময়েই ভারত শক্তিশালী এবং মহান ভারত রূপে বিশ্বময় পরিচিতি পেয়েছে। বৃটিশরা ছিল মূলতঃ দখলদার এবং ভারতকে তারা বৃটিশ কলোনী বানিয় শোষন ও শাসন করেছে।
সেই কলোনিয়াল শাসক বৃটিশদের কবল হতে ভারতবর্ষ দ্বিখন্ডিত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখে। কারন একটাই, তা হোল ভারত ভেঙ্গে দু'টি ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়ার জন্য। ফলে পাকিস্তানের জন্য সাব্যস্ত হয় আগষ্টের ১৪ তারিখ আর ভারত বা হিন্দুস্তানের জন্য সাব্যস্ত হয় ১৫ আগষ্ট। এর ব্যাখ্যা দিতে যা বলা হোল তা হচ্ছে বৃটিশ ভাইস রয় সাহেবের ব্যস্ততা। কারন ক্ষমতা হস্তান্তরে একই দিনে দুটি দেশে গিয়ে সেটা করানো সম্ভব নয়। আবার ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট ছিল ২৭ রমজান যা মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র দিন, বিধায় পাকিস্তানের নতুন নেতৃত্ব চৌদ্দ তারিখটাকে শ্রেয় মনে করেছে। জানিনা, জেনেবুঝে পনের আগষ্টকে এড়িয়ে যাওয়ার কথা ভেবে কোন মাথাওয়ালা মুসলিম নেতার পরামর্শে এই দিনটিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল কিনা। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিনক্ষন ঠিক হয়েছিল সাতচল্লিশের সেপ্টেম্বরের সময়কালে। কিন্তু ধুরন্ধর বৃটিশ রাজের নিজস্ব মতলবে এই ১৫ আগষ্টকে নির্বাচন করা হয়। যার জন্য তারা ক্ষমতা হস্তান্তরের দিনটি পনের আগষ্টকে ধরেই সময়টা এগিয়ে নিয়েছিল। কারন এই দিনটিকে ইংরেজরা VJ Day (victory over japan day) হিসাবে উদযাপন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ বেলায় ১৯৪৫ সালের পনের আগষ্ট জাপান মিত্রশক্তির যুক্তরাজ্যের কাছে আত্মসমর্পন করে। বৃটিশরা ছিল মিত্রশক্তির বৃহৎ অংশীদার। তাছাড়া তৎসময়ের ভারতের ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ঐ সময়টায় এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে মিত্র শক্তির সামরিক কমান্ডার ছিলেন বলে জানা যায়। সুতরাং এই না বলা কথাটি উহ্য রেখেই বৃটিশদের বৃহত্তম ভারত কলোনী হাতছাড়া হওয়ার আফসোসে প্রলেপ দিতে, দু'বছর আগে জাপানকে আত্মসমর্পন করানোর তৃপ্তিটুকু নিয়ে লর্ড মাউন্টব্যটেন ভারত ছাড়তে চেয়েছিলেন বলে বিজ্ঞজনেরা মনে করেন।
এই ভাগাভাগির আরো অনেক অজানা তথ্য উপাত্ত আমাদের অগোচরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে চোখের পানি ফেলে। আগেই বলেছি এই বাংলা ছিল সারা ভারতের ভ্যানগার্ড। আরো একটা শিরদাঁড়া উঁচু করা জাতিস্বত্ত্বা এই ভারতে সগর্বে দাঁড়িয়ে ছিল। সেখানেও ওই আর্য অনার্যের সম্মিলন হানা দিয়ে তাদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়েছিল। তারা ছিল বীরের জাতি। সুতরাং হিন্দু মুসলিম দোহায় দিয়ে বাঙালী আর পাঞ্জাবী দুই জাতিস্বত্বাকে দু’টুকরো করে আপাতদৃষ্টিতে গুজরাঠী মারাঠী ও আর্য উত্তর পুরুষদের পথের কাঁটা নির্মুল করাই ছিল ব্রাহ্মন্য গোষ্ঠীর এক বিশাল মাস্টার প্লান। তাছাড়া বৃহত্তর বাংলাকে ভেঙ্গেচুরে কত না পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে তার ইয়ত্বা নেই। কখনো আসাম বাংলা কখনো পুর্ব বাংলা আবার কখনোবা গৌড় বাংলা। আর রাজশাহী মালদহ ত্রিপুরা চট্টগ্রাম ইত্যাদি জেলাগুলিকে নিয়ে দাবা খেলার স্টাইলে এধার ওধার করে নাড়াচাড়া করানো হয়েছে বহুবার। শেষ পর্যন্ত কাট-ছাঁটের পশ্চিম আর পুর্ব বঙ্গেই শেষ ফয়সালা করে বর্তমানের চিত্রে বাংলা দাঁড়িয়ে আছে।
ভারত সাম্রাজ্যের উত্তর পুর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টারসকে উদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা হিসাবে এসব ট্রায়াল এন্ড এররের কাজগুলি করা হয়েছিল। কত নাটক না হয়েছিল আসাম বা তার করিমগঞ্জ জেলাকে নিয়ে। মুসলিম আধিক্যের করিমগঞ্জকে ভারতভুক্তি করা হোল শুধুমাত্র তেল ও গ্যাসের সমৃদ্ধির প্রয়োজনে। আবার শুনেছি মুর্শিদাবাদের পুর্ববাংলা ভুক্তির শতভাগ গ্যারান্টি থাকলেও শুধুমাত্র মুসলিম স্থাপত্যের নবাব বাড়ি ও অন্যান্য ঐরিহাসিক স্থাপনার পর্যটন দোকানদারির সুবিধাভোগে তা ভারতভুক্ত করা হয়। ধর্মীয় হিসাব নিকেশের দৃশ্যপট থাকলেও বৃহত্তর ভারত ও তার ঐতিহ্য এবং সম্পদের মালিকানাকে প্রাধান্য দিয়ে এই ভাগাভাগির অসম বিষয়গুলি সেখানকার জনপদকে হতাশ করেছে। আগেই বলেছি বাংলা ভাগের বিষয়টাও এসেছিল হিন্দু বাঙালী নেতৃত্বের ব্রাহ্মন্য কোটারী থেকে। আর এই সুযোগ নেয়া হয়েছিল হিন্দু নেতৃত্বের চতুরতা ও মুসুলমান নেতৃত্বের মাথামোটা চলন বলন এবং তাদের সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক অগ্নিগর্ভ দাঙ্গা ফ্যসাদকে পুঁজি করে। যদিও মোটা দাগে মুসলিম লীগের লাহোর প্রস্তাব এবং ছেচল্লিশের কলকাতা দাঙ্গা নিয়ে হিন্দু মাথাওয়ালা ঐতিহাসিক ও বুদ্ধিজীবিরা গত আশি বছর ধরে মুসলমানদের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে এক নাগাড়ে ঢোল করতাল আর কাসরঘন্টা বাজিয়ে জাবর কেটেই চলেছেন যে বাংলা ভাগের জন্য দায়ী মুসলিমরা। কিন্তু ইতিহাসের প্রকৃত তথ্য কি বলে, সেটা নিয়ে কি কেউ গলা ঝেড়ে কেশেছেন! অবশ্য আজকের দিনে হিন্দু ইজমের জোশ তুলে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা উঠানোর জন্য কিছু কিছু উগ্রবাদী নেতা পাতিনেতারা স্পষ্ট করেই বলছেন, “শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী বাবু না থাকলে আমরা এখনো মুসলমানদের অধীনেই থাকতাম”। তাহলে বাবুরা, এই চোখে ধুলা দেয়া বাঙলা বাঙালী করে খামোখা কেন এত কুম্ভীরাশ্রু করছেন। নিজেদের বইয়ের কাটতি আর কলকাতার নিউমার্কেটকে সচল রাখার জন্য! ওটা এমনিতেই হবে। তবে আপনাদের কিছু হবে বলে মনে হয়না। কারন ঐ নিউ মার্কেটের পুরো ব্যবসাটা পরিচালনা করে মাড়োয়ারীর গুষ্টি। ওরা ওদের ভারত বিনির্মান করবে। আপনাদের এই মেকী বাংলায় তাদের ইনভেস্টমেন্ট জিরো।
যে আশা ও আসক্তি নিয়ে হিন্দু বাবুরা বৃহত্তর অখন্ড বাংলাকে ভাগের জন্য সাতচল্লিশের জুন মাসে বড়লাটের কাছে আবদার আত্তি করেছিলেন তার মূল কথাটিই ছিল ক্ষমতা প্রাপ্তির ভাগ বাটোয়ারা। সেদিন কট্টর মৌলবাদী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ও বর্ধমানের মহাতাব মহারাজ কিংবা আন্তর্জাতিকতা বাদের কমিউনিষ্ট রিফিউজি জ্যোতি বসু কি এই হিন্দু বাংলা চেয়েছিলেন? কলকাতার জৌলুশ আর গুটিকয় ব্রাহ্মন্য হিন্দুর উজ্জলতাকে সামনে রেখে হাড় হাভাতে বাঙালী হিন্দু জাতিস্বত্ত্বাকে নিয়ে যেভাবে ভারত নামের আর্য অনার্য ও দ্রাবিড়ীয় দেবাসুরের ভারত ভূখন্ডে মিশিয়ে মহান ভারতের শপথ নেয়া হয়েছিল তার বর্তমান চিত্র কি খুব সুখকর বলে মনে হচ্ছে! এই আশি বছরে হিন্দু বাঙালীরা কতটুকু বাঙালী হয়ে তাদের অস্তিত্ত্বের অস্মিতায় শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়িয়ে আছেন কেউ কি বলবেন। আজ এই আশি বছরের হিন্দুস্তানী পথচলায় কতজন বাঙালী সর্ব ভারতীয় জৌলুষে নিজেদের দাঁড় করিয়েছেন বলা যাবে কি! বৃটিশ বেঙ্গল, মোঘল বেঙ্গল, নবাবী বেঙ্গল, এমনকি প্রাচীন সেন পাল মোর্য বেঙ্গল এর ঘ্রাণ কি পান আপনারা! হয়তোবা পান। তাইতো সেই প্রাচীন সেন পালদের ‘রাজার রাজত্বে'র সংস্কৃত ফরমানের মেকি আশ্বাসে এখন গীতা বেদ ছেড়ে 'জয় শ্রীরামের’ ধ্বনি তুলে রাজপুত মোঘলদের শাণিত তরবারি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। শিবাজির খঞ্জরী বা শ্রীরামের তীরধনু পছন্দ নয় বলেই হয়তো মুসলিম তলোয়ারের ঝনঝনানি আপনাদের ভাল লেগেছে।
বাঙালীর বাঙালীয়ানাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। এটাকে লালন করি, ধারন করি। বক্তৃতা বিবৃতি বা ভাল ভাল নাটক নভেল সিনেমার উপস্থাপনায় বাঙালী অস্মিতার ফুটানী করা আর শেকড়ের বাঙালীত্বকে ধারন করা কি এক হোল! আমরা বাঙালীয়ানার সমগ্রতাকে ধারন করি বলেই রবীন্দ্রনাথ রামমোহন বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে চিত্তরঞ্জন সুভাস বসু সবাইকে আমাদের পথ নির্দেশক হিসাবে মান্য করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য রমেশচন্দ্র মজুমদারকে নিয়ে গর্ব করি। স্যার জগদীশ বসু মেঘনাদ সাহা এমনকি বাংলা ভাগের কুশীলব ঢাকাইয়া জ্যোতি বসুও আমাদের গর্বের ধন। কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলুন তো কয়জন পশ্চিমের বাঙালী তাদের পরিচয় সৃষ্টিকারী শেখ মুজিব কিংবা বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সফল বাঙালী রাষ্ট্র নায়ক জেনারেল জিয়াকে আপনারা লালন করেন বা স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালীর শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসাবে তাদেরকে স্মরন করেন! বাঙালী বাঙালী এবং এপার বাংলা ওপার বাংলা বলে মুখে ফেনা তুলে যারা গলা ফাটান, কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, বাংলাদেশ ছাড়া বাঙালীর অস্তিত্ব কি ধর্তব্যে পড়ে? আবার “রঘুপতি রাঘব রাজারাম, পতিতে পাবন সীতারাম” কিংবা “জয় শ্রীরাম” বলে যারা তরবারি উঁচু করে রাস্তা দখল করে তারা কোন্ বাঙালী! পশ্চিমা মাড়োয়ারী মোহে আচ্ছন্ন থেকে কিংবা হিন্দু মুসলিম করে কি বাঙালী হওয়া যায়? আপনাদের এখনো পর্যন্ত যতটুকু বাঙালী হয়ে চলাফেরা, সেটা তো এই বাংলাদেশের বদান্যতায়। বাস্তবিক ক্ষেত্রে জাতিগত পরিচয়ে আপনারা তো ভারতীয় বা ইন্ডিয়ান।
-চলমান-
পুলিশের ‘সিস্টেমেই’ দুর্নীতি
যে কথা হয়নি বলা -৩
ভারতে ক্যানসারের ইনজেকশন চালু, প্রতি ডোজের দাম কত
‘লড়াই’ ছাড়া হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র ডুয়েটে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৭
ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপক্ষো করছে: ট্রাম্প
যে কথা হয়নি বলা -২
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার মারা গেছেন
শহরের পরিবারে নীরব ভাঙন
লন্ডনে চিকিৎসার জন্য গিয়ে শপিংয়ে ব্যস্ত ‘অসুস্থ’ রাষ্ট্রপতি
‘আড়াই কোটি টাকায় নিয়োগ’: ৭ দিনের মাথায় প্রত্যাহার মৌলভীবাজারের এসপি
ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
শাপলা গণহত্যার মূল পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বাবু-ফারজানা : চিফ প্রসিকিউটর
দেশে তৈরি হবে ডেঙ্গু ও হামের টিকা,
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



