জালাল উদ্দিন আহমেদ
আইসিসি-বিসিবি-বিসিসিআই
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৪ ফেব্রুয়ারী, বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ০২:০৯ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৬
রাজনীতির উলঙ্গ আচরনে আজ ক্রীড়া জগতে এক অশনির ছায়া বিরাজ করছে। আসন্ন আইসিসি টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজক ভারত এবং তার হাইব্রীড সহযোগী শ্রীলংকায় এই বিশ্ব ক্রিকেটের আয়োজন করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির দোলাচালে ভারতের মাটিতে খেলার নিরাপত্তা ইস্যুটি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় এই এই বিশ্বকাপ মঞ্চায়নে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। উপরের হেডলাইনটি একটু মনোযোগ দিয়ে দেখুন তো! একটি কমন শব্দ সেখানে সংযুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ ‘সি’। এই সি হচ্ছে ক্রিকেট। এটাই হচ্ছে এই নিবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য। তিনটে এব্রিভিয়েশনে সি অপরিহার্য একটি শব্দ বা অক্ষর রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বেলায় এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত সি এর সংযোজন বেশ তাৎপর্যমূলক বলে অন্ততঃ আমার কাছে মনে হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই দুটি সংস্থার সি প্রীতি একটু বেশী বলেই আমার কাছে ধরা পড়েছে। শুধুমাত্র তাদের এব্রিভিয়েশনেই অতিরিক্ত সি সংযুক্ত রয়েছে। বড়ই ভেজাল এই লেখা জোখার ব্যাপারটি। বিশ্বায়নের এই আলোকিত যুগে সব মিলিয়ে তো মাত্র দশ বারটি বনেদি ক্রিকেট খেলার দেশ রয়েছে। সেক্ষেত্রে সহযোগী উপসহযোগী সদস্য সহযোগে আজকের সময়ে এই ক্রিকেট কালচার বেশ স্ফীতই হচ্ছে বলে মনে হয়। কিন্তু লসাগু গসাগুর ওই সি এর গসাগুটি সর্বক্ষেত্রে C for Cricket কেই বুঝানো হয়েছে। তাহলে দুই মহাজনী প্রতিষ্ঠানের Double C এর মজেজাটি কি হতে পারে! হাঁ, এখানেই খটকা লাগার বিষয়টি সমালোচকদের চোখে পড়েছে বলেই মনে হয়।
প্রিয় পাঠক, একটু লক্ষ্য করুন, বিশ্ব ক্রিকেটের founder father সেই বৃটিশদের ক্রিকেট বোর্ডের অফিসিয়াল নাম হচ্ছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড বা সংক্ষেপে ECB। অন্যান্য বনেদি গ্রুপের অস্ট্রেলিয়া, ওয়েষ্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা নিউজিল্যান্ড, সবাই কিন্তু ক্রিকেট বোর্ডেই আবদ্ধ। যেমন, অস্ট্রেলিয়ায় সিএ বা Cricket Australia, ওয়েষ্ট ইন্ডিজ এ CWI, দক্ষিণ আফ্রিকার CSA, নিউজিল্যান্ডের NZC, পাকিস্তানের PCB, শ্রীলংকার SLC, এবং বাংলাদেশের BCB ইত্যাদি। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু দুটি সংস্থার ক্রিকেট কাঠামো। তাদের নিয়ন্ত্রনের ভূমিকা নিয়েও বোধ হয় এই খেলাটির বৈশ্বিকীকরনে কিছুটা হলেও রক্ষনশীল। তবে সংস্থা দুটির বৈপরিত্য থাকলেও তারা যেন যমজ ভাইয়ের আদলেই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হয়। তবে বিশ্বে এই খেলাটির অভিভাবক হিসাবে যারা দাঁড়িয়ে আছে তাদের ডাবল সি থাকলেও তারা control নামক সেই গ্রামারে নেই। যদিও ইদানীং ওই Board of Cricket Control নামযুক্ত দেশটির সংস্থার বহুমুখী হৃষ্ট পুষ্টতার জৌলুশে তারাও কিছুটা reflected বলে মনে করার যথেষ্ট কারন রয়েছে। হাঁ, বলে রাখা ভাল একমাত্র বিসিসিআই (BCCI) অর্থাৎ Board of Control for Cricket in Indiaই হচ্ছে একমাত্র ক্রিকেট বোর্ড যারা এই control শব্দটিকে বেশ মর্যাদা দিয়ে তাদের সংস্থায় জায়গা দিয়ে রেখেছে। আর বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আইসিসি(ICC) অর্থাৎ International Cricket Council যা বঙ্গ ভাষায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পর্ষদ বা পরিষদ যারা ক্রিকেট বিষয়ক বিশ্ব সংস্থা হিসাবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বৈশ্বিক ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করছেন বা করবেন। কিন্তু তাদের ইদানীংকার কার্যকলাপে কাউন্সিলরশীপ এর আদলটা কেমন যেন কন্ট্রোলারশীপের আকার ধারন করে বিভিন্ন ঝুট ঝামেলার সূত্রপাত ঘটাচ্ছে।
ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে ক্রিকেট খেলার পরিমন্ডলে একটা দাদা-ভাইয়ের কালচার সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। কিন্তু এটাতো খেলা। খেলায় আবার দাদা ভাই কিসের! সবাই প্রতিযোগী, সবাই প্রতিদ্বন্দী। সেক্ষেত্রে এই ভাই দাদার নোক্তা চিহ্নটি এসেছে কিন্তু কোন এক রাজনীতির আঁতুড় ঘর থেকে। ‘মেরা হিন্দুস্তান মহান হ্যাঁয়’ - সেই প্রাচীন আওয়াজের সুতোর টানেই হয়তো এই রেসিয়াল উচ্চারণটি মাটির ভূখন্ডের এই ভারতীয় উপমহাদেশেই প্রচলিত এক অসম উচ্চারন। কিন্তু ওরা কি জানে না, এই ভারতের পূণ্য মাটি কোন সময়ই এসবের মূল্য নিয়ে চলেনা। আর হিন্দুস্তান নামটা যে হিন্দুইজম থেকে উদ্ভুত তা কি এই উপমহাদেশের মানুষেরা বুঝে না! জানে হয়তো! কিন্তু জেনেও যারা না জানার ভান করে এই ‘'হাম বড়া’’ ভাব নিয়ে নিজেদের উপস্থাপন করে তারা স্রেফ মুর্খ ছাড়া আর কিইবা হতে পারে। অভিজ্ঞতায় বলে, ভারতের বর্তমান শাসক কুলের এই হাম বড়া চাল চলনেই দক্ষিণ এশিয়ার সেরা রাষ্ট্রসংঘ ‘সার্কে’র অপমৃত্যু ঘটেছে। অথচ এই সার্কের চেতনায় যুথবদ্ধ থেকে দক্ষিণ এশিয়া তথা ভারতীয় উপমহাদেশ এশিয়ার একটি শক্তিশালী বিশ্ব ফোরাম হয়ে সমুন্নত হতে পারতো। ভারতের বর্তমান ধর্ম ভিত্তিক মৌলবাদী শাসক কুলের অবিমৃষ্যকারিতার ছোবলে আজ ভারতীয় উপমহাদেশের ছন্নছাড়া অবস্থা দেখে বিমর্ষ হওয়া ছাড়া আর কিইবা করার আছে।
হাজার বছরের ইতিহাস তো তা বলে না। এমনকি বৃটিশ কলোনিয়াল শাসনের আগে মুসলিম শাসক কুলের ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং মিলেমিশে থাকার চরমতম দৃষ্টান্তে ভারত বিশ্ব মানচিত্রে “মহান ভারত”এর সম্মানে আলোকিত হয়েছিল। জাত পাতের হাজারো সমস্যায় জর্জরিত এই মাটির ভূখন্ডে ভিন্ন ভিন্ন সময়ের শাসক কূলের উদারনৈতিক চেতনা ও ন্যায়দন্ডের শাসন ব্যবস্থায় বৃহত্তর ভারতবর্ষ (যা উপমহাদেশীয় অভিধায় পরিচিত) এক শান্তি ও সমৃদ্ধির মহান ভারত হিসাবে বিশ্বময় পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু কপাল পোড়া ভারতবাসীর বৃটিশ কলোনিয়াল যুগ শুরু হওয়ার পর থেকে এতদাঞ্চলের মানব জাতির শনির দশার সূত্রপাত হয়। সে এক লম্বা কাহিনী। শুধু এটুকুই স্মরন করার জন্য বলতে হয়, ধর্ম বিভাজনের বিষমন্ত্র ছড়িয়ে দেয়া এবং ধর্ম ও শাসন ব্যবস্থাকে একীভূত করার মন্ত্রে জাতিভেদ সৃষ্টি করে ভারতীয় ভ্রাতৃত্ববোধের মূলমন্ত্রকে যারা ধ্বংস করেছিল তারা যত বড়ই নেতা বা জাতীয়তাবাদী প্রতীক হোক না কেন তারা কখনোই এই শান্তিপ্রিয় ভারতীয় উপমহাদেশীয় জাতিস্বত্ত্বার শুভাকাঙ্খী হতে পারে না।
এক সুন্দর সৌষ্ঠব সর্ব ধর্মের জাতিস্বত্ত্বা নিয়ে সৃষ্ট অখন্ড মহান ভারতকে নিজ স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে বৃটিশ বেনিয়া শাসক গোষ্টী ভেঙ্গে চুরমার করে দিল শুধুমাত্র ধর্ম নামের এক বিষাক্ত মন্ত্রের বাটি চালান দিয়ে। “Devide and Rule” এর যাদুমন্ত্রে তারা ভারতীয় ভ্রাতৃত্ববোধের সহস্রবর্ষীয় মেলবন্ধনকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিল। আজ একবিংশের সিকি শতাব্দী পেরিয়ে আবারো সেই ধর্ম দিয়ে কর্মকে সামনে এনে নিজেদের মধ্যে সৃষ্ট পুরনো বিষফোঁড়কে জাগিয়ে তুলার মচ্ছবে বেপরোয়া হওয়ার চেষ্টা চলছে। নিজেদের হামবড়া সুপ্রিমেসীকে সমুন্নত করার মানসে প্রতিটি ক্ষেত্রে আগে থেকে পা বাড়িয়ে রাখার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি প্রতিবেশী ও বন্ধু প্রতীমদের মাথা উঁচু করে চলার প্রবনতাকে রুখে দেয়ার লক্ষ্যে আঞ্চলিক ও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দাদাগিরি ফলানোর অপকর্মে তারা তৎপর হয়ে উঠেছে। সার্কের মত সম্ভাবনাময় এক আঞ্চলিক সহযোগিতার ফোরাম শুধুমাত্র ভারতের দাদাগিরির মাশুলে অপমৃত্য ঘটলো। আজকের দিনে তাদের হিন্দুত্ববাদী অতি সাম্প্রদায়িক আগ্রাসী রাজনীতির কোপানলে খেলাধুলার জগতেও শকুনী আচরনের লক্ষ্মন প্রকাশ্যভাবে বিষ ছড়ানো শুরু করেছে। নিজেদের বাজার ব্যবস্থাপনার জোশের দৌরাত্মে বিশ্ব ক্রিকেটেও তাদের কলুষিত হাত আজকাল “ভদ্রলোকের খেলাটিকে” কর্দমাক্ত পঙ্কিল প্যাঁকে পরিণত করেছে। বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাভক সংস্থাটিকে তারা নিজেদের শাখা অফিস বানিয়ে ছেড়েছে। এমনকি যোগ্যতার তুলাদন্ডে তারা এতই পারদর্শী যে বিশ্ব ক্রিকেট কাউন্সিলের অফিসটিকেও আজকের দিনে ভারতীয় জনবল দিয়ে ছেয়ে ফেলা হয়েছে।
এই যখন অবস্থা তখন খেলাধুলার মত বিশুদ্ধ উঠানে বিচরনকারী ব্যাড এলিমেন্টদের ছুঁড়ে ফেলার সময় কি পেরিয়ে যাচ্ছে না? ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলার মন্ত্র উচ্চারন করে আমরা কি জ্ঞান গরিমা ভদ্রতা ভব্যতা ও নিজেদের উচ্চতা রক্ষার ধারক সেই এমসিসি(MCC)মুখী হয়ে আবারো ক্রিকেটের মর্যাদা সমুন্নত করার লক্ষে যুথবদ্ধ হতে পারি না? আর ভারত যেভাবে ক্রিকেটাঙ্গনে মাড়োয়ারী বোলচালে নিজেদের ব্যবসা বাণিজ্যের দোকান বসিয়েছে তা ছেঁটে ফেলার সময় কি পেরিয়ে যাচ্ছে না? তাদের এই হামবড়া বা সুপ্রিমেসির উলঙ্গ অনুশীলন কি আমরা ২০১৫ এর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে এক সিমেন্ট কোম্পানীর মালিক শ্রীনিবাসনের মাধ্যমে দেখিনি! আমরা কি দেখিনি অতি সম্প্রতি পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির হাইব্রীড আয়োজনে ভারত নামের সেই দেশটিকে অতি গ্রেস বা ছাড় দেয়ার উলঙ্ঘন। এরকম আরো টুকরো টুকরো জীবন্ত ঘটনাবলী যে আজকের দিনে ভারতকে বিশ্ব ক্রিকেটে বেপরোয়া মোড়ল বানাতে প্ররোচিত করেছে, সেটাওতো বিবেচনায় এনে আইসিসিকে নড়েচড়ে বসা উচিত। আর টাকা ও রাজনীতি যদি খেলাধুলার মিশেল বিবেচ্যে চলা শুরু করে তবে ক্রীড়াভক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ ও জাতিকে এই ভদ্রলোক নামধারী খেলায় সম্পৃক্ত করাটাই তো এক অসম তামাসা বৈ কিছু নয়। রাজনীতির উলঙ্গ মঞ্চশালায় কি ক্রীড়াঙ্গনের পাঠ নেয়া যায়? ক্রীড়া যেখানে রাষ্ট্র ও জাতিতে মেলবন্ধন তৈরী করে, আজকের দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশটির আচরনে মনে হচ্ছে খেলাধুলাও যেন শত্রুতা তৈরীর একটি বাহন। এসবের অবসান হওয়া জরুরী নয় কি?
ভাবনার রকমসকম
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করল বিএনপি
জোট রাজনীতিতে এনসিপি, হতাশ তরুণ ভোটাররা: মীর স্নিগ্ধ
জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা: আইজিপি
ডিজিএফআইর অফিসে আলাদা কক্ষে কার্যক্রম চালাত 'র'
নির্বাচনী প্রচারণার সময় শেষ, এবার ব্যালটের লড়াই
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না ভোটাররা: ইসি
হোটেলে গোপন ক্যামেরার বাণিজ্য: পর্নো সাইটে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন অতিথিরা
‘এক পুলিশ জড়িয়ে ধরে বাঁচাতে চাইলে রাগে তাকে সরিয়ে দিই’
পাকিস্তানে মসজিদে হামলা, সন্দেহের তীর প্রতিবেশী দেশের দিকে
‘১২ তারিখ পর্যন্ত আপনারা চাঁদাবাজি করবেন না’-বিএনপি প্রার্থী
চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু
হিজাবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমালোচনার মুখে মামদানি
জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠন করবে না বিএনপি
ভোটের মৌসুমে মাদক ব্যবসা রমরমা
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



