avertisements 2
Text

দিলারা জাহান

বিনা খরচে দাসী পাঠানো অভিযান

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৪ সেপ্টেম্বর,রবিবার,২০২৩ | আপডেট: ১১:৪৪ এএম, ১৩ আগস্ট,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

দেশে বেকার নারীর সংখ্যা কমাতে কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছে “গৃহকর্মী”— মানে সুন্দর করে বললে “হাউজ মেইড”, আর সত্যি বললে “ঘরের দাসী”। শুনেছি, যাওয়া বিনা খরচে! শুধু একটু ধৈর্য ধরলেই হুর-পরী হওয়ার প্রশিক্ষণ বিনামূল্যে মিলে যাচ্ছে।

সরকার বলে, “আমরা নারীদের ক্ষমতায়ন করছি।”
হ্যাঁ, একদম ঠিক—মধ্যপ্রাচ্যের রান্নাঘরে, লন্ড্রিতে, আর পর্দার পেছনে তাদের ক্ষমতা এখন তুঙ্গে। কোনো নারী যদি নিজের দেশে কাজ না পায়, তাহলে বিদেশে গিয়ে মালিকের শখের খেলনা হতে পারে—এটা বোধহয় নতুন ধরণের নারী উন্নয়ন মডেল।

সৌদি ভিসা অফিসে নাকি নতুন নিয়ম এসেছে—
নারী যাবে, সঙ্গে পুরুষ অভিভাবক যাবে। বাহ, দারুণ বুদ্ধি! এখন থেকে ধর্ষকও সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়ে যাবে। মানে, নারী গেলে “সম্মান রক্ষা কর্মকর্তা” হিসেবে সঙ্গে থাকবে এক গেলমান প্রার্থী—প্যাকেজ ডিল!

ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা—সব দেশ যখন তাদের নারীদের পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে, আমরা তখন গর্বিতভাবে বলি, “না না, আমরাই পারব!” কারণ আমরা জাতি হিসেবে এমন, অন্যরা আগুনে পুড়ে গেলে আমরা গিয়ে হাত গরম করি।
তাদের মেয়েরা যখন নির্যাতনের কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে, আমরা তখন টিভিতে বসে বলি, “ওরা ঠিক প্রশিক্ষণ পায়নি।”
বাহ! ধর্ষণের আগেও এখন ট্রেনিং দরকার হয়, এটাই নতুন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম।

সৌদি আরবে এক গৃহকর্মীর মাসিক আয় নাকি ১৫ হাজার টাকা।
অবশ্য, “ধর্ষণ” বোনাস হিসেবে যোগ করলে আয়টা বেড়ে যায়, শুধু টাকাটা মেলে না—মেলে ঘা, ভয়, আর নিঃশেষ মানসিকতা।
তবু সরকার গর্ব করে বলে, “আমাদের নারী শ্রমিকরা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান দিচ্ছে।”
মানে—আমাদের মেয়েরা এখন দেশের রেমিট্যান্সের “বডি কারেন্সি”।

আর ধর্মীয় বুদ্ধিজীবীরা বলেন, “ওরা নিরাপদ, ওখানে পর্দা আছে।”
হ্যাঁ, পর্দা আছে—শুধু ভেতরে যা হয়, সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউ দেখে না।
যখন গৃহকর্মী কাঁদে, তার কান্নার আওয়াজ কাবা ঘরের দেয়াল পেরোয় না।
যখন সে ধর্ষণের শিকার হয়, তখন নাকি ওর পাপ—কারণ সে নাকি দাসী, আর দাসীর তো অধিকার থাকে না, তাই না?

আমরা দেখি, শুনি, জানি—তবু চুপ থাকি।
কারণ ডলার আসে।
কারণ অর্থনীতির নাম করে আমরা মানবতার পিঠে কুঠার মারতে অভ্যস্ত।
আমরা এমন এক জাতি, যারা মুদ্রার দিকেই তাকাই, মেয়ে মানুষ মরছে না বাঁচছে, তা দেখার সময় নেই।

একদিন হয়তো ইতিহাস লিখবে—
“বাংলাদেশ তার মেয়েদের মর্যাদা রপ্তানি করেছিল বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে।”
তখনও আমরা গর্ব করে বলব—“দেখো, আমাদের রেমিট্যান্স বেড়েছে!” ধিক তোমাদের রেমিট্যান্সের যা খরিদ করা হয় নারীর সম্ভ্রম দিয়ে।

লেখকঃ ব্লগার,সমাজকর্মী  ও অনলাইন এক্টিভিষ্ট

avertisements 2
‘রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ পরিচয় দিয়ে মিয়ানমার ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করছে’
‘রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ পরিচয় দিয়ে মিয়ানমার ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করছে’
র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ গঠন মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন
র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ গঠন মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন
রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্রবাসী জামাল উদ্দিন মারা গেছেন
রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্রবাসী জামাল উদ্দিন মারা গেছেন
ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার চালুর অনুরোধ
ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার চালুর অনুরোধ
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান
ভূমধ্যসাগর দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা বাংলাদেশিসহ ১০ জনের মৃত্যু 
ভূমধ্যসাগর দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা বাংলাদেশিসহ ১০ জনের মৃত্যু 
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের
কাঙ্গাল বাঙালী নিজ কর্মফলে
কাঙ্গাল বাঙালী নিজ কর্মফলে
নারী অ্যাথলেট পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ, বাতিল সব পদক
নারী অ্যাথলেট পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ, বাতিল সব পদক
পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান
পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান
‘শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালী মার্কিন ভূখণ্ড হবে : ট্রাম্প
‘শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালী মার্কিন ভূখণ্ড হবে : ট্রাম্প
অভিন্ন ইতিহাস ও অংশীদারত্বে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: দীনেশ ত্রিবেদী
অভিন্ন ইতিহাস ও অংশীদারত্বে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: দীনেশ ত্রিবেদী
জাপানে ‘নজিরবিহীন’ ভারি বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু
জাপানে ‘নজিরবিহীন’ ভারি বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু
ট্রাম্পকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য’নিয়ে সতর্ক থাকতে বলল ইরান
ট্রাম্পকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য’নিয়ে সতর্ক থাকতে বলল ইরান
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2