ঝুলছিল মায়ের দেহ, পাশেই কাঁদছিল অবুঝ মেয়ে
বগুড়ার ধুনটে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পারধুনট গ্রামের নিজ ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম শাপলা খাতুন। ১৯ বছর বয়সী শাপলা পারধুনট গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কুইন্দা বাজার এলাকার আব্দুল হান্নানের মেয়ে। তার একটি মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় দুই বছর আগে শাপলাকে বিয়ে করেন আলমগীর। বিয়ের পর জীবিকার তাগিদে আলমগীর ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন তিনি। আর সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকছিলেন শাপলা। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এক বছর ধরে তাদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে গলায় ওড়না পেঁচানো শাপলার মরদেহ দেখতে পান তারা। পাশের বিছানায় শাপলার অবুঝ শিশুটি হাত-পা নেড়ে অবিরাম কান্না করছিল।
ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্দু বালা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ নেই।
আরও পড়ুন
এই বিভাগের আরো খবর
ছেলের চাকরি না হওয়ার দুশ্চিন্তার ‘কালো মেঘ’ কাটল বিউটি রানীর
৯০ হাজার বেতনের কর্মকর্তা সুকুমারের ৫১ কোটি টাকার আমানত
ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত
জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান





