avertisements 2

আমি আল্লাহকে সব বলে দিব

অজল জালাল
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৩ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৩:৩৪ পিএম, ২৩ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

অনন্ত যাত্রায় শুরু হবে পথচলা

যার শেষ নেই –-----

অন্তহীন অসীমে ঠাঁই নিয়ে

হেঁটে চলা মহাকালের দিকে।

স্রষ্টার কাব্যগাঁথায় রচিত হবে

শ্রেষ্ঠ যত ঢাউস মহাকাব্য।


আমি লিখিব কি তাহাদের কথা

ইহজাগতিক এই ভূ-চরে

শ্রেষ্ঠতম আসনে আসীন

হয়ে করিয়াছে যারা যতশত

দৃশ্যমান আতঙ্কের শোকগাঁথা।

লোকালয় জনপদে উঠিয়াছে

মৃত্যুপুরী আহাজারির শোর

মর্ত্যলোকে গাঁথিয়াছে সারিবদ্ধ গোর। 


মনে পড়ে সেই শিশুটির কথা

বিধস্ত সিরিয়ার বাস্তুচ্যুত কিশোরী!

আমি আল্লাহকে সব বলে দিব,

শা'আকুলু লিল্লাহ কুল্লু শাইয়িন।

খরাপীড়িত ধু ধু প্রান্তরে

খোলা আসমানের নীচে শিশুটি!

যার কাঁচা মাংসের লোলুপে

ক্ষুধার্ত শকুনীর অপেক্ষা।

ওদের বেড়ে উঠার সময় হয়েছে

নতুন পৃথিবী গড়ার আকাঙ্খায়

ট্রাউরে বালেন্দ্র বা মামদানিদের

পিছনে কাতারবদ্ধ ওরা।


লিখিতে চাহিনা আমি

সেইসব শিশু কিশোরীর কথা।

শিক্ষালয়ে অধ্যয়নে কলকাকলির দল

নরপশু আর উন্মাদ জগাইয়ের

হোলিখেলায় নিস্তব্ধ নরকপুরী যেন! 

এইতো ক'দিন আগে ইমামের 

শৃংখলে জা’মাতবদ্ধ ওরা

সুমিষ্ট এক ঐশী আয়োজনে। 

স্রষ্টার স্নেহের পরশে আজ

বেহেস্তী বাগিচার সুগন্ধি ফুল। 

যেন প্রজাপতির ডানা মেলে

বিশ্বের কল্যান কামনায়।


লিখিতে চাহিনা কিছু আর

শুধু এটুকুই বলে যেতে চাই -

হে বিশ্ব ব্রম্ভান্ডের মালিক

সবই তো তোমার করতলে।

আর কত নরবলি নরসংহার!

আমরা জেনেছি তোমার বাণী

মেনেছিও বটে, তবে কেন

এত অসম মৃত্যুর মিছিল

এতশত অসুরীয় আয়োজন।

ইসরাফিলের সিঙ্গার ফুক-

 আর কতদূর! বলিয়াছ যখন,

‘কুল্লুমান আলাইহা ফানিও ওয়াইয়াবকা

ওয়াজহু রাব্বিকা জুলজালালি

ওয়াল ইকরাম’। 

-০-

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2