avertisements 2

চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৯ অক্টোবর,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৩:২১ এএম, ২০ অক্টোবর,মঙ্গলবার,২০২৬

Text

মাদকের সরবরাহ নেটওয়ার্ক বন্ধ করাই মূল লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করা ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বারবার সহযোগিতা চেয়েও প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে নিজেই অভিযানে সমন্বয় ও নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।


আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচনের পর থেকে থানাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে বারবার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না পাওয়ায় এলাকার মানুষের চাপের মুখে তিনি এই উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার এলাকার জনগণ, আমার এলাকার ভোটারদের একটা মারাত্মক প্রেসার ছিল আমার ওপরে। এখানে হয় আমি অভিযানে সমন্বয় করে নেতৃত্ব দিতাম, অথবা এটা প্রমাণ হতো যে সেখান থেকে আমার কোনো ইন্টারেস্ট আছে। সেদিন চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেছি।

অভিযানের পদ্ধতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ডেকে নির্দেশ দিয়েছেন, কারও গায়ে যেন একটা টোকাও না পড়ে। সবাইকে আইনের হাতে তুলে দিতে বলেছেন।

তিনি জানান, কেরানীগঞ্জ, বংশালের আংশিক ও কোতোয়ালির আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ১১টি ওয়ার্ডের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানজট ও সার্বিক সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) এবং ডিএমপির সংশ্লিষ্ট উপকমিশনারদের (ডিসি) সঙ্গে প্রতি মাসে অন্তত একবার বৈঠক করেন। সেখানে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইশরাক বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালনের পর্যায়ে ফিরতে পারেনি বলে তারা মনে করেন। এ পরিস্থিতিতে ছয় থেকে সাত মাস পর বাধ্য হয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দেশকে ভালোবাসে, জনগণকে ভালোবাসে। এই শহরকে নিরাপদ রাখার জন্য আমরা বিরোধী দলে থাকা অবস্থায়ও দায়িত্ব পালন করেছি। এখন তো অবশ্যই আরও জোরালো ভূমিকা পালন করব।

৫ আগস্টের পর তার এলাকার তিনটি থানা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে ইশরাক বলেন, তখন তারা পুলিশের বসার ব্যবস্থা ও আসবাবপত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন। তারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন বলেও জানান তিনি।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2