avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

আতংকের দিনরাত্রি

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৩০ আগস্ট,শনিবার,২০২৫ | আপডেট: ০৪:৩০ এএম, ৩১ আগস্ট,রবিবার,২০২৫

Text

মনটা ইদানীং কেন যেন এক ধরনের হাপু হাপু ভাব নিয়ে বিচরন করে। কেন এমন হচ্ছে জানিনা। তবে কারন তো কিছু না কিছু আছে। নইলে কেন সর্বক্ষন মনের মধ্যে উঁকি দেয় শুভ অশুভ অনেক কিছুই। সকালে ঘুম থেকে উঠেই টিভির রিমোটটা খুঁজতে থাকি। এ টু জেড সমস্ত চ্যানেলগুলো টিপাটিপি করে হেড লাইনগুলো দেখেই মনের আশংকাটা দূর করি। হয়তো বলতে পারেন স্বস্তির নিশ্বাসটা ফেলতে পারি। আবার গভীর রাতে টিভির হেডলাইনগুলো দেখে স্বস্তি নিয়ে ঘুমোতে যাই। যখন থেকে রাজনীতির ক্যাঁচাল শুরু হয়েছে, সেই সময় থেকেই আশংকাটা বুকে বাসা বেঁধেছে। ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী একদল সাদা মনের মানুষ দ্বারা গঠিত অন্তর্বতী সরকার যখন দেশ সংস্কারে রাজনীতির স্টেক হোল্ডারদের সহযোগিতা চাইলেন তখন থেকেই এই ক্যাঁচাল শুরু হয়েছে। ওদিকে বন্ধু লেবাসধারী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আস্কারায় পতিত স্বৈরাচারীর নাশকতা কার্যক্রমে আতংকিত জনপদ। তাছাড়া মুক্ত মত প্রকাশের আতিশয্যে কতিপয় অতি আঁতেলের পরিকল্পিত মনগড়া সাংবাদ পরিবেশন এবং বিশ্লেষন নামক ইউটিউবে গুজবের দোকান খুলে আতংক ছড়ানোর আয়োজন, আজ সাধারন জনপদে আশংকার বাতাবরন তৈরী করছে। বলতে দ্বিধা নেই, রাজনীতি রাষ্ট্রনীতি সমাজনীতি ও শাসন নীতির চতুর্মুখী বাহাসে আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থার বেহাল দশা আজ বাঙালীকে বিপর্যস্ত করে রেখেছে। আজকের দিনে বাঙালীর মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্তের ছা-পোষা মানুষেরা একটি সুষম রাষ্ট্র কাঠামোয় নিজেদের স্বাভাবিক জীবনাচারে বেঁচে থাকতে চায়। বর্তমানে তারা বড় অসহায়ত্বের বাতাবরনে অনিরাপদ জীবন যাপন করছে।  


যাহোক যেটা নিয়ে আশংকা বা অস্বস্তি তা হচ্ছে এই রাষ্ট্র কাঠামোর শাসন ক্ষমতার ব্যাটন। আর এই ব্যাটন সংক্রান্ত বন্টন নামাকে ঘিরেই যত মুসিবত ও হৈ হট্টগোল কামড়া কামড়ি। তাইতো দেখছি। দেশটার কি হবে! রাজনীতি গণতন্ত্র অর্থনীতি স্বাস্থবিধি শাসন ব্যবস্থা পররাষ্ট্র নীতি এমনকি শিক্ষা ব্যবস্থাসহ হাজারো মোটা দাগের দায়বদ্ধতা এবং তার শাখা প্রশাখায় প্রসারিত অলিগলির মেরামত যোগ্য কাজ গুলোর পলেস্তারা না করে গদবাঁধা ট্র‍্যাডিশনে পড়ে থাকলে তো হবে না। তাহলে এত আন্দোলন, এত অভ্যুত্থান এত রক্ত ঝরানোর কি প্রয়োজন ছিল! আর এটা তো আজকের সমস্যা নয়। যুগ যুগান্ত ধরে গদবাঁধা চলনে দেশ পরিচালনের এই পরম্পরা আর কত? আর তাই যদি শিরোধার্য হয় তবে কেন বার বার এই রক্ত ঝরানো! একটু খেয়াল করে দেখুন তো, দেশটাকে আপন করে পাওয়ার জন্য আজ হতে অর্ধ শতাব্দী আগে সেই ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের বছর জুড়ে এই ভূখন্ডে কতশত বাঙালী সন্তানকে জীবন বলিদান দিতে হয়েছে! সেটা ছিল বিদেশী শাসক বিতাড়নের এক সম্মিলিত মুক্তির জনযুদ্ধ। লাখ মিলিয়নের হিসাব নিয়ে আমরা তর্ক করি। কিন্তু জীবন তো জীবনই। এটা তৈরী করার ক্ষমতা যেমন আমার নেই তেমনি একটা প্রাণ কেড়ে নেয়ার ক্ষমতাও আমার নেই। অথচ ক্ষমতার ব্যাটনটিকে নিজের হাতে নেয়ার জন্য হেন জারিজুরি নেই যা আমরা করতে পিছপা হচ্ছিনা। কিন্তু কেন?

 

এই হত্যা বিগ্রহের নেশা কি আমাদের রক্ত পরম্পরায় মিশে গেল? এসব করতে গিয়ে আমরা আমাদের সূর্য সন্তানদের হারিয়েছি এবং এখনও হারাচ্ছি। রাজনীতির ভিন্নমত ভিন্নপথ থাকবে। তাই বলে কি শত্রুপক্ষের সংজ্ঞায় ফেলে ভিন্ন মতের রাজনীতিকে নির্মুল করার এজেন্ডা নিয়ে দেশের সরকারী মেকানিজমকে হাতিয়ার বানিয়ে তা নির্মুলের ব্যবস্থা করতে হবে? সদ্য স্বাধীন দেশে যুদ্ধজয়ী যুবা কিশোররা যখন তাদের কাংখিত রাষ্ট্র ব্যবস্থার কাঠামো পেলনা, তখন স্বাভাবিক নিয়মেই তারা নিজেদের মতাদর্শের রাজনৈতিক দল গঠন করে। কিন্তু সেই নব যৌবনের নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে নির্মুল করার জন্য প্রভুশক্তির সহয়তায় আলাদা ঘাতক বাহিনী তৈরী করে যে বর্বরোচিত কায়দায় ঐ নব যৌবনের যুব রাজনীতির বিনাশ করা হয়েছিল তার ক্ষত এখনো বাংলার গ্রামে গঞ্জে রয়ে গেছে। সদ্য স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশের সেই কলঙ্কে না হলেও হাজার বিশেক তরুন যুবার প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল আমাদেরই আপন ঘরানার শাসক কুল। তারপরের ঘটনা তো আরো ভয়াবহ। দেশ নেতাকে পরিবার পরিজনসহ হত্যা করা হোল এক নতুন কায়দায়। দেশের সামরিক বাহিনীর মানুষেরা সিভিল প্রশাসনে খবরদারির পর্যায়ে চলে এল। পরবর্তীতে রাজনীতির দৈনতায় ঘোষনা পাঠের মহান মুক্তিযোদ্ধাকে উর্দি ছেড়ে জনতার কাতারে আনা হোল বটে, তবে তাকেও হত্যা করে সামরিক বাহিনীর এক পাকিস্তান ফেরত বাঙালী জেনারেলের আবির্ভাব হোল। দীর্ঘ নয়টি বছর সিভিল ও মিলিটারী প্রশাসনের শঙ্করায়নে এবং পাকিস্তানী প্রেতাত্মার স্টীম রোলারে বাঙালী তার নিজস্ব অস্মিতার দ্যুতি বিচ্যুত হলেও অবশিষ্টের দুই বংশ পরম্পরাকে আঁকড়ে ধরে তারা এগিয়ে গেল এবং সামরিক শাসনের বিদায়ঘন্টা বাজাতে সক্ষম হোল। 


দেশের মানুষ মুক্ত নিঃশ্বাসে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নিজেদের মনের মত সরকার ব্যবস্থা তৈরী করলো। তিনটি টার্ম অর্থাৎ পনের বছরের ভোটাধিকারের মুক্ত মঞ্চে তারা গণতন্ত্রের স্বাদে ধন্য হোল। কিন্তু গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী ক্ষমতালিপ্সু শাসকের পুনর্জন্মে বাংলার মানুষ তার গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার হারিয়ে দেশে স্বৈর শাসকের শাসনে বন্দি হোল। এই হোল বাংলার অর্ধশত বছরের রাজনীতি গণতন্ত্র ও শাসন ব্যবস্থার ফালনামা। কিন্তু এই ফালনামার রোজনামচায় রয়েছে শত সহস্র বাঙালীর বুকের তাজা রক্ত। হার না মানা বাঙালী তার উদারচেতা মনোভাবে সব সময় কোন না কোন কিন্তু রেখেই তার পরবর্তী পথচলায় বারংবার হোঁচট খায়। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে সফল বাঙালীর গণ অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শাসক তার আত্মীয় স্বজন ও পদাধিকারীদের নিয়ে দেশছাড়া হলো বটে তবে দেশে রেখে যাওয়া স্বৈরাচারের অবশিষ্ঠ মেকানিজম এবং সাঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শাস্তিমূলক কোন কার্যক্রম পরিলক্ষিত হোল না। ফলে বন্ধুবেশী প্রতিবেশীর মদদে স্বৈরাচারীর মূল চালিকা শক্তি অর্থাৎ আমাদের তথাকথিত পিয়ারের মাফিয়া দেশরত্ন বর্তমানে দেশদ্রোহী আচরনে নিরবিচ্ছিন্নভাবে তার ফেলে যাওয়া দেশ ও মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ফন্দিফিকির করেই চলেছেন। এতে করে তার রেখে যাওয়া অন্ধভক্ত অবশিষ্ঠের দল এখন অব্দি তাদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ভাবা স্বৈরাচারীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশে ঘটে যাওয়া অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিতে বেপরোয়া হচ্ছে। স্বৈরাচার মুক্ত দেশে এ এক বিরাট বিষফোঁড়। প্রতিবেশী দেশ হতে অবাধ লাইসেন্সে তার নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে তিনি দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। দেশে বর্তমানে মুক্ত চিন্তার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র কাঠামো গঠন হচ্ছে বলেই বন্ধুর মুখোশে বিচরন করা চিরশত্রু প্রতিবেশীর আঁতে ঘা লেগেছে। ফলে তারা আন্তর্জাতিক রীতিনীতির পরোয়া না করে একজন বিতাড়িত স্বৈর শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিজেদের মাটিতে অবৈধ আশ্রয় দিয়ে তার ক্ষুদ্র প্রতিবেশীকে অস্থিতিশীল করে তাদের প্রিয় বন্ধু ও দলের পতিত শক্তিকে পুনরায়  ক্ষমতায় বসানোর মাস্টার প্লান করছে।    


দেশটা তো আমার আপনার সকলের। এক ভাষা এক জাতি এক গোষ্ঠী এবং একই সংস্কৃতির একখন্ড ছোট্ট ভূখন্ড আমার আপনার সকলের এই বাংলাদেশ। বাঙালীর এই সৌভাগ্যের পরশ মনিকে কেন বার বার হোচট খেতে হচ্ছে? কেন বার বার রক্ত ঝরিয়ে প্রমান করতে হচ্ছে এ দেশ আমার আপনার অর্থাৎ সমস্ত বাংলার জনগনের। কেন আমরা পারিবারিক বলয় তৈরী করে নিজেদের অখন্ড বাংলাকে খন্ডিত করে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছি! কেনই বা দেশ শাসনের ক্ষমতাকে নিজ হাতে তুলে নিয়ে প্রভু ভক্তির বদান্যতা দেখাতে গিয়ে বার বার নিজেদের মুখ পুড়াচ্ছি। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একটি বছর পেরিয়ে গেলেও রাজনৈতিক স্বচ্ছ আচরনের একটি মানদন্ড তৈরী কর‍তে এখনো আমরা ব্যর্থ। রাজনীতির ভিন্নতা থাকবে কিন্তু দেশাত্মবোধের মানদন্ড তো এক হবে। সেদিকে আমরা এগোতে পারছিনা কেন?  কেন আমরা বন্ধুত্বের মুখোশে অভিনয় করা জাতশত্রু প্রতিবেশীর দিকে তাকিয়ে থেকে আমাদের রাজনীতির পথচলা নির্দ্দিষ্ট করবো? স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও কেন আমরা আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্র পলিসি নির্ধারনে ব্যর্থ হচ্ছি! তাইতো বলছিলাম, মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত সাক্ষী বাহাত্তর বছরের এই অবসরের আদমকে আজকাল রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠেই টিভির রিমোট খোঁজার জন্য তটস্থ থাকতে হয়। নাহ, কোন খেলা দেখা বা হলিউড বলিউডের বক্স অফিস হিট করা সিনামা দেখার জন্য নয়। স্রেফ দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির আপডেট জানার আশংকা নিয়েই এই ঘটনাটি আজকাল প্রাত্যহিক রোজনামচায় রূপ নিয়েছে। 

আমার দেশটা ভাল থাকুক। আমরা সবাই মুক্ত নিশ্বাসে মুক্ত বাংলায় বাঙালী হয়ে বেঁচে থাকি - কায়মনোবাক্যে এই প্রার্থনা করি। আ'মীন! 

বিষয়:
avertisements 2
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান ও দীপিকার বিরুদ্ধে মামলা
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান ও দীপিকার বিরুদ্ধে মামলা
নুরের ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ: অ্যাটর্নি জেনারেল
নুরের ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ: অ্যাটর্নি জেনারেল
আতংকের দিনরাত্রি
আতংকের দিনরাত্রি
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল হাসিনাকে নিয়ে লেখা ‘চিরকুট’
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল হাসিনাকে নিয়ে লেখা ‘চিরকুট’
এবার অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য
এবার অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য
দিল্লিতে হাসিনা-এস আলমের গোপন বৈঠক, সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা
দিল্লিতে হাসিনা-এস আলমের গোপন বৈঠক, সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা
রুমমেটকে ছুরিকাঘাত, ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল বহিষ্কৃত ও গ্রেফতার
রুমমেটকে ছুরিকাঘাত, ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল বহিষ্কৃত ও গ্রেফতার
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
ইতিহাসের ইতিবৃত্ত
ইতিহাসের ইতিবৃত্ত
১৪ হাজার টাকায় মালয়েশিয়ায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাবেন যারা
১৪ হাজার টাকায় মালয়েশিয়ায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাবেন যারা
রুমিন ফারহানাকে নিয়ে সাইবার বুলিং ইস্যুতে, যা বললেন হাসনাত
রুমিন ফারহানাকে নিয়ে সাইবার বুলিং ইস্যুতে, যা বললেন হাসনাত
শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৩০ কোটি টাকার কোকেনসহ নারী গ্রেপ্তার
শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৩০ কোটি টাকার কোকেনসহ নারী গ্রেপ্তার
ব্ল্যাকমেইল-নারী নির্যাতনসহ তৌহিদ আফ্রিদির কুকীর্তি ফাঁস!
ব্ল্যাকমেইল-নারী নির্যাতনসহ তৌহিদ আফ্রিদির কুকীর্তি ফাঁস!
কলকাতায় সাবেক এমপি বাহার মেয়েসহ  আটক, একরাত পর ছেড়ে দিল পুলিশ!
কলকাতায় সাবেক এমপি বাহার মেয়েসহ আটক, একরাত পর ছেড়ে দিল পুলিশ!
গ্রেপ্তারের পর কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির বক্তব্য ভাইরাল
গ্রেপ্তারের পর কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির বক্তব্য ভাইরাল
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
প্রণব মুখার্জি আর নেই
প্রণব মুখার্জি আর নেই
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
avertisements 2
avertisements 2