avertisements 2

সেউতা সীমান্তে অভিবাসী ঢলে মৃতের সংখ্যা ১০০

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৮ আগস্ট,শনিবার,২০২৬ | আপডেট: ০১:৪০ এএম, ৮ আগস্ট,শনিবার,২০২৬

Text

ছবি: সংগৃহীত

গত সপ্তাহে স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে আসা হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর ব্যাপক ভিড় ও সীমান্ত পারের চেষ্টার সময় নিহত অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। যাদের অনেকেই সমুদ্রে ডুবে কিংবা পদদলিত হয়ে মানা গেছেন। শহরটির মেয়র জানান, এখনও তিন থেকে পাঁচ হাজার অভিবাসী এ শহরে অবস্থান করছেন।

মরক্কো থেকে আসা হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী নিয়ে স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউতার অভিবাসন সংকট নিয়ে সরগরম ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও স্পেনের রাজনীতি।

সেউতার মেয়র নিশ্চিত করেছেন, গেল সপ্তাহে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল ও সীমান্ত পারের চেষ্টার সময় অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের অনেকেই সমুদ্রে ডুবে কিংবা পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান।

স্পেনের সেউতার মেয়র জুয়ান জেসুস ভিভাস লারা বলেন, ‘সেউতা এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। এখনও ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার মানুষ শহরটিতে রয়ে গেছে। অভিবাসীদের এই ঢল এখানে একটি মানবিক সংকট তৈরি করেছে। যা শহরের শৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে সিউটার জনগণের জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।’


প্রায় ৮০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে ৩ থেকে ৫ হাজার এখনও সেউতা শহরেই অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এই মানবিক সংকট ও বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রবেশে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো।

সেউতার মেয়র আরও জানান, সাম্প্রতিক অভিবাসী সংকটে স্থানীয় বাসিন্দারা মারাত্মক চাপ অনুভব করছেন। বিশাল এই অভিবাসীর ঢল সামলাতে ইইউ সংস্থাগুলোর কাছে সহায়তার আহ্বানও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে মরক্কো আফ্রিকার অন্যতম প্রাণবন্ত উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের অন্যতম সংবেদনশীল অভিবাসন প্রবেশদ্বার হয়ে উঠেছে।

বছরের পর বছর ধরে নথিপত্রহীন অভিবাসীরা সীমান্ত ব্যারিয়ার অতিক্রম করে এই ছিটমহলে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। পরে তারা স্পেন ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঢোকার চেষ্টা করে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যে স্বপ্ন নিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা এই চেষ্টা করেন তার কোনো সু্যোগ এসব দেশে নেই। 

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2