avertisements 2
Text

মিহির কান্তি মজুমদার

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নীল অর্থনীতি 

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৫ জুন,শুক্রবার,২০২৬ | আপডেট: ০১:৩৬ এএম, ১০ জুন, বুধবার,২০২৬

Text

মাথাপিছু ভূমির স্বল্পতা এবং জ্বালানি সীমাবদ্ধতা এ দুটো সংকট আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। অতিমাত্রার এই জনবহুল দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং উন্নয়নের জন্য ভূমি ও জ্বালানি দুটোই অপরিহার্য ক্ষেত্র। আমাদের দেশীয় জ্বালানির প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশে এ পর্যন্ত ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে। যেখানে গ্যাস মজুদ রয়েছে ৪০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য। মজুদের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। ঢাকাসহ কিছু এলাকার আবাসিক চাহিদা, শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, রাসায়নিক সার বিশেষ করে ইউরিয়া ও এমোনিয়াম সালফেট উৎপাদনের জন্য আমরা ইতোমধ্যে ২০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে ফেলেছি। শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রাসায়নিক সার উৎপাদনের জন্য প্রতি বছর আমাদের গ্যাসের চাহিদা বাড়ে। বর্তমান চাহিদা বার্ষিক এক ট্রিলিয়নের একটু বেশি। গ্যাসের ব্যবহারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। ইউরিয়া সার উৎপাদন করতে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়। আবার বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে গেলে ইউরিয়া উৎপাদনে লাগাম টানতে হয়। শিল্পায়ন সম্প্রসারণে নতুন গ্যাস সংযোগ এখন আকাশ কুসুম কল্পনা। আর বাসা বাড়িতে নতুন গ্যাস সংযোগের প্রশ্নই আসে না। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার এবং উৎপাদন হ্রাস পাওয়া বা বন্ধ হওয়া গ্যাসক্ষেত্রের গভীরে গ্যাস উত্তোলনের জন্য অনুসন্ধান চালানো ছাড়া কোন বিকল্প নেই। আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাস খুবই উন্নতমানের। এর ৯৭ ভাগ থেকে ৯৮ ভাগই মিথেন। যার অর্থ- আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদনশীলতা বেশি। 

তবে উৎপাদনশীলতা যতই বেশি হোক বিদ্যমান মজুদ ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট থেকে আর কত বছর চলা যাবে? তিন থেকে পাঁচ বছরের বেশি নয়। অথচ আমাদের উৎপাদনক্ষম জনসংখ্যা প্রায় এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জনশক্তির ব্যবহার ও উন্নয়নের জন্য দরকার অতিদ্রুত শিল্পায়ন। এসব বিবেচনায় ২০১৮ সাল থেকে আমদানি শুরু হয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস। বৈদেশিক রিজার্ভে টান পড়ে জ্বালানি আমদানিতে। এ সংকটে আশার আলো এখন বাপেক্স। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন লিমিটেড। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পেট্রোবাংলার এ প্রতিষ্ঠান কিন্তু ইতোমধ্যে কারিগরি সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। ভূ-গর্ভস্থ খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, খনন দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনায় বাপেক্স অনেক দূর এগিয়েছে। দ্বি-মাত্রিক ও ত্রি-মাত্রিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনায় বাপেক্স এখন স্বাবলম্বী। বাপেক্সের গ্যাস কূপ আবিষ্কারের সফলতা বরং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ভালো। সাধারণত ৫টি থেকে ৬টি কূপ খনন করলে গড়ে ১টি গ্যাসক্ষেত্র শনাক্ত হয়। সেখানে বাপেক্স ৩টি কূপ খনন করে গড়ে ১টিতে গ্যাস পেয়েছে। শাহবাজপুর, শ্রীকাইল, ভোলা উত্তর এবং ইলিশগড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার বাপেক্সের কারিগরি দক্ষতার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। পাশাপাশি বাপেক্স দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্র পরিচালনা ও বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন করছে বেশ সফলতার সাথে।  

দেশের পার্বত্য অঞ্চলসহ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ অঞ্চল এখনো ভূতাত্ত্বিক জরিপের বাইরে। এর পাশাপাশি আছে বিশাল সমুদ্রাঞ্চল। ২০১২ সালে মিয়ানমার ও ২০১৪ সালে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার নিষ্পন্ন হয়। সমুদ্রবিজয় নামে পরিচিত এ অর্জনের ফলে বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চলের এলাকা বর্তমানে ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার। কাজেই দেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপের বাইরে থাকা দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা এবং বিশাল সমুদ্রাঞ্চলে ভূতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে গ্যাসক্ষেত্রসহ খনিজ সম্পদ আবিষ্কার ও উত্তোলন এখন সময়ের দাবি। যদিও এতো সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও  বাপেক্সে প্রয়োজনীয় এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগ হয়নি। আর পর্যাপ্ত বিনিয়োগ হয়নি বলে স্থলভাগের গভীরে (Deep onshore)  এবং সাগরের তলদেশে (Offshore) তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় রিগ সংগ্রহ ও প্রযুক্তিতে বাপেক্স এখনো অনেকটা পিছিয়ে। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে যে, তরলীকৃত গ্যাস আমদানির চেয়ে বাপেক্সে বিনিয়োগ ১৪ গুণ বেশি সাশ্রয়ী। বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি এখনো গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের ওপর নির্ভরশীল। যেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায় না। দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ব্লু ইকনোমি বা নীল অর্থনীতি একটি অনন্য সম্ভাবনা। নীল অর্থনীতি হচ্ছে সমুদ্রের ইকোসিস্টেম সংরক্ষণ করে সমুদ্র সম্পদ আহরণ, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির একটি টেকসই পদ্ধতি। বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় দেশের জন্য নীল অর্থনীতি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। বঙ্গোপসাগরের নীল অর্থনীতির এ অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় গত এক দশকে শতাধিক সেমিনার, সম্মেলন ও ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আছে বেসরকারি উদ্যোগ। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর জোট বিমসটেক, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ব্লু-ইকনোমি ডায়ালগসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সেমিনার, ডায়ালগ সম্মেলনে বঙ্গোপসাগরের নীল অর্থনীতি নিয়ে অনেক সুপারিশ এসেছে। মোটাদাগে এসব সুপারিশগুলো হচ্ছে টেকসই মৎস্য আহরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন, খনিজ সম্পদ আহরণ, সমুদ্র দূষণ রোধ, সমুদ্র পর্যটন, ডিজিটাল বন্দর সৃষ্টির মাধ্যমে নৌ যোগযোগ উন্নতকরণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইকোসিস্টেম সংরক্ষণ।

বঙ্গোপসাগরের নীল অর্থনীতির ব্যবহারের কোন আলোচনায় জার্মান জাহাজ ‘আরভি সোনে’ কর্তৃক পরিচালিত গবেষণার ফলাফল নিয়ে কোন সুপারিশ হয়েছে বলে শুনিনি। অথচ বঙ্গোপসাগরের নীল অর্থনীতির আলোচনায় ‘আরভি সোনে’ জাহাজের অনুসন্ধানের কথা বলতেই হয়। এ জাহাজ আশির দশকের শেষভাগ থেকে নব্বই দশকে  বঙ্গোপসাগরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক জরিপ পরিচালনা করে। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে পরিচালিত এসও-৯৩ ও তাদের পরবর্তী মিশনগুলো ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘আরভি সোনে’ জাহাজের  মাধ্যমে পরিচালিত জার্মান বিজ্ঞানীদের গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল সমুদ্রতলে উচ্চ চাপে ও নিম্ন তাপমাত্রায় জমাটবদ্ধ গ্যাস হাইড্রেট নামে মিথেন গ্যাস শনাক্ত করা, হিমালয় থেকে নেমে আসা পলি সমুদ্রতলে সঞ্চিত হয়ে কোন হাইড্রোকার্বন বা জ্বালানি উৎস্য তৈরি করে কিনা এবং সমুদ্রতলে টেকটোনিক প্লেটের চলাচলে ভূমিকম্প বা সুনামির ঝুঁকি সৃষ্টি করে কিনা তা নিরূপণ করা। বাপেক্স ও বাংলাদেশের জিওলজিক্যাল সার্ভের প্রতিনিধিদল অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য ‘আরভি সোনে’ জাহাজের ৩ বা ৪টি ট্রিপে অংশগ্রহণ করেছিল। তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহ: ফজলুর রহমান। মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণায় সহযোগিতার জন্য তিনি মন্ত্রণালয়ে রিসার্চ তহবিল সৃষ্টি করেন। বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের উৎসাহ দিতে তিনি কক্সবাজারে ‘আরভি সোনে’ জাহাজে গিয়েছিলেন। হলোসিন পিরিয়ডের সেডিমেন্টেশন নিয়ে গবেষণার জন্য জিওলজিক্যাল সার্ভের গবেষণা দলকে উক্ত গবেষণা তহবিল থেকে অর্থায়নও করেছিলেন। সোনে জাহাজ থেকে আনা গবেষণা ডাটা পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে ডিকোড করা যায়নি। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়- ‘আরভি সোনে’ জাহাজের গবেষণা তথ্যে উঠে এসেছে- বঙ্গোপসাগরের তলদেশে বিপুল গ্যাস হাইড্রেট সঞ্চিত আছে। 
সমুদ্রতলে নিম্ন তাপমাত্রায় ও উচ্চ চাপে সৃষ্ট মিথেন গ্যাস হাইড্রেটকে ফায়ার আইস বলা হয়। এ গ্যাস হাইড্রেট আহরণ করার প্রযুক্তি সীমিত কিছু দেশের আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে জাপান। জ্বালানি সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে জাপান প্রথম ২০১৩ সালে প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে মিথেন হাইড্রেট গ্যাস আহরণ শুরু করে। এর পরে এগিয়ে আসে চীন। ২০১৭ থেকে ২০২০ সালে চীন দক্ষিণ চীন সাগর থেকে রেকর্ড পরিমাণ মিথেন হাইড্রেট উত্তোলন করে। যুক্তরাষ্ট্র আলাস্কা ও মেক্সিকো উপসাগরের তলদেশ থেকে মিথেন হাইড্রেট উত্তোলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। বঙ্গোপসাগরের কৃষ্ণা-গোদাবরী অববাহিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সহযোগিতায় ভারত বিশাল গ্যাস হাইড্রেটের আধার চিহ্নিত করেছে ও উত্তোলনের প্রস্তুতি নিয়েছে। 

যাহোক, ‘আরভি সোনে’ জাহাজের গবেষণায় যেহেতু বঙ্গোপসাগরে মিথেন গ্যাস হাইড্রেটের বিশাল ভা-ার শনাক্ত হয়েছে এবং কৃষ্ণা-গোদাবরী অববাহিকায় ভারত মিথেন হাইড্রেট উত্তোলনের প্রস্তুতি করেছে। আমাদের ‘আরভি সোনে’ জাহাজের সার্ভে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। স্থল ভাগ ও সমুদ্রের গভীরে অনুসন্ধান চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় রিগ ও প্রযুক্তির সমৃদ্ধি ঘটাতে হবে বাপেক্সে। জাপান ও চীনের সহযোগিতায় সমুদ্রতল থেকে গ্যাস হাইড্রেট আহরণের প্রস্তুতি নিতে হবে। গ্যাস উত্তোলন কমে যাওয়া বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের গভীরে অনুসন্ধানের জন্য বাপেক্সকে দায়িত্ব দিতে হবে। জরিপের বাইরে থাকা দেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ অঞ্চল ও গভীর সমুদ্রসীমায় নতুন নতুন ব্লকে ভাগ করে অনুসন্ধান চালাতে হবে। প্রয়োজনে বাপেক্সকে বিপিসির মতো স্বতন্ত্র শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে আর্থিক ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। আমাদের উত্তোলনযোগ্য গ্যাস রিজার্ভ আনেক কমে গিয়েছে। এখন সভা-সম্মেলন আর সুপারিশ করার সময় নেই। আশাকরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সাথে প্রয়োজনীয় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 

ড. মিহির কান্তি মজুমদার, সাবেক সচিব। 
 

বিষয়: মতামত
avertisements 2
দেশে ১০ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন
দেশে ১০ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাতিল করলেন আদালত
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাতিল করলেন আদালত
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
যে কথা হয়নি বলা: শেষ হইয়াও হইলো না শেষ
যে কথা হয়নি বলা: শেষ হইয়াও হইলো না শেষ
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে, কোন পথে কত
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে, কোন পথে কত
সাবেক মেয়র মনজুর আলম ও সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা 
সাবেক মেয়র মনজুর আলম ও সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা 
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯
বিজিবির তৎপরতায়, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, ১৭ জন ফিরলো ভারতে 
বিজিবির তৎপরতায়, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, ১৭ জন ফিরলো ভারতে 
ব্রিটিশ তরুণ নওয়াক হত্যাকাণ্ড, উত্তপ্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক
ব্রিটিশ তরুণ নওয়াক হত্যাকাণ্ড, উত্তপ্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নীল অর্থনীতি 
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নীল অর্থনীতি 
মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে নতুন সোস্যাল মিডিয়া বার্তা দিলেন দীপেন দেওয়ান
মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে নতুন সোস্যাল মিডিয়া বার্তা দিলেন দীপেন দেওয়ান
ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
আইসিইউতে পিতা, হোটেলে ওঠেন ছেলে, সেখানেই এক পরিবারের ৮ সদস্যের মৃত্যু
আইসিইউতে পিতা, হোটেলে ওঠেন ছেলে, সেখানেই এক পরিবারের ৮ সদস্যের মৃত্যু
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2