জালাল উদ্দিন আহমেদ
“জুলাই সনদ” ৫০ বছরের কাঙ্খিত চাহিদা
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৯ নভেম্বর,শনিবার,২০২৫ | আপডেট: ০৫:২৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর,শনিবার,২০২৫
সনদের অর্থ ভিন্ন আঙ্গিকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রকাশ পায়। একটা সময় ছিল যখন এই সনদটাকে রাজা বাদশাদের ফরমান বা আদেশ আকারে রাজ্যের জনগনকে ঘোষনার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হোত। ফরমান কথাটি ফারসী শব্দ। এই ফরমান বা ঘোষনা পত্রের মাধ্যমে সনদের বৈধতা কার্যকর হোত। তবে ইদানীংকালে আমরা সনদ বলতে বুঝি সার্টফিকেট যার মাধ্যমে শিক্ষা স্বাস্থ্য জন্ম বা চারিত্রিক গুনাবলীর বিষয়াদি নির্ধারন করা হয়। জন্মের ক্ষেত্রে জন্ম সনদ, শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষা সনদ, স্বাস্থ্য বিষয়ে স্বাস্থ্য সনদ, চরিত্র বা পরিচিতির ক্ষেত্রে চারিত্রিক সনদ নিয়েই আমাদের দিনমান চলমান। এ সবই হচ্ছে ব্যক্তি সংশ্লিষ্টতা বিষয়ক সনদপত্রের হাল নাগাদ চিত্র। তবে সনদের কি আর শেষ আছে! রাষ্ট্রীয় সনদ, জাতীয় সনদ, আঞ্চলিক সনদ যেমন সার্ক আসিয়ান ইউরোপিয়ান আফ্রো এশিয়ান ইত্যাদি এবং বিশ্ব পরিমন্ডলের জন্য জাতিসংঘ সনদ। আবার রাজনৈতিক সনদের হালচালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিভিন্ন অঞ্চল ভিত্তিক রাজনৈতিক স্থিরিস্থাপকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গ্রহনযোগ্য সনদের ইতিহাস আমাদের আছে। আঞ্চলিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রেও সনদের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আটলান্টিক সনদ মাগনাকার্টা সনদের নাম আমরা শুনেছি।
ভূমন্ডলের রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি পরিচালনের ক্ষেত্রে জন সম্পৃক্ততায় বিশেষ সেইসব রাষ্ট্র বা এলাকার ভূরাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা সৃষ্টির মানসে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে ঘোষনা, চুক্তি বা সনদ গ্রহন করা হয়। তবে সীমানা পরিবেষ্টিত ভূখন্ডের মানুষের শাসন ব্যবস্থা ও তাদের রাজনীতির ধরন নির্ধারনে নতুন সনদ তৈরীর কাজে হাত লাগানো সম্ভবতঃ বাংলাদেশ নামক দেশেই প্রথম কিনা তা আমার জানা নেই। স্বৈর শাসন ও তার ভয়াবহতা হতে নিস্কৃতি পেতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গন অভ্যুত্থান বা বিপ্লব হয়েছে। স্বৈরশাসক ও তাদের সহযোগীরা দেশত্যাগ বা আত্মগোপনে গিয়ে নিজেদের প্রান বাঁচিয়েছে। কিন্তু গন অভ্যুত্থান বা বিপ্লোবত্তর অর্জনকে পুঁজি করে সেসব দেশের জনগনের সুরক্ষা কল্পে ঘোষণাপত্র জারি বা দেশ পরিচালনায় সুশাসনের নিশ্চয়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে আইন করে সনদ গ্রহনের বাধ্যবাধকতায় একটি দেশ এবং তার জনগন যখন উদগ্রীব এমনকি উদ্বিগ্ন থাকে তখন বুঝতে বিন্দুমাত্র বাকি থাকার কথা নয় যে সে দেশটির রাজনীতির বেসিক ফাউন্ডেশনসহ দেশ পরিচালনার বাইবেল বলে খ্যাত তার সংবিধানের গলদের ফাঁক ফোকরগুলি বেশ মজবুত। আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের স্বৈরাচারী শাসকের জনরোষে দেশ ছেড়ে পালিয়া যাওয়া বা দেশে আঁটকা পড়ে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনাগুলো দেখেছি। এমনকি জনরোষে নিহত হওয়ার ঘটনাগুলিও বিরল নয়। কিন্তু দেশ পরিচালনার জন্য রাজনৈতিক প্রশাসনিক এমনকি সেদেশের সংবিধান পরিবর্তন বা তার সংস্কারের জন্য এত টানাপোড়েন দেখেছি বলে মনে পড়েনা। হয় এস্পার না হয় ওস্পার-এটাই হয়তো হয়েছে। কিন্তু এত জগাখিচুড়ির টানা হেঁচড়ানোর ঘটনা কি কোথাও হয়েছে! এসব বাংলাদেশেই সম্ভব।
স্বৈরাচারের definition বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকেন। স্বৈরাচারের আবার জাতপাত আছে নাকি! রুমানিয়ার চসেস্কু, ফিলিপাইনের মার্কোস, ইরানের রেজা শাহ পাহলবি, মিশরের হোসনী মুবারক, পুর্ব জার্মানীর এরিখ হোনেকার, আফগানস্তানের আশ্রাফ গনি কিংবা সেই আদ্যিকালের ফারাও থেকে ক্রমপুঞ্জির দেশকাল পাত্রের শ'খানেক নাম চলে আসবে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যুগ পরিক্রমায় ঐসকল স্বৈরাচারী শাসক বিভিন্ন ছল চাতুরী ও শক্তিমত্তার আশ্রয়ে ক্ষমতার মসনদে বসে সেসব দেশের মহাপরাক্রমশালী শাসক হয়ে দেশের জনগনকে নিপীড়ন ও নিষ্পেষনে জর্জরিত করেছে। সেক্ষেত্রে আমাদের সদ্য জন্ম নেয়া পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট ভূখন্ডেও যে এত অল্প সময়ে (মাত্র পঞ্চাশ বছর বয়সকালে) এতসব স্বৈরাচারী শাসকের জন্ম হবে এবং দুখিনী বাংলার প্রান্তিক জনগনকে তাদের স্বৈরশাসনে জর্জরিত করবে সেটাও বোধ হয় পৃথিবীর এক আশ্চর্য ঘটনা বলে বিবেচনা করার যথেষ্ট কারন রয়েছে। কারন পৃথবীর ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যেকোন স্বৈরশাসন তার বংশ পরম্পরায় ন্যুনতম অর্ধ শতাব্দীর নীচে হাল ছাড়ার কথা নয়। ক্ষেত্রবিশেষে তা কয়েক শত বছর জুড়েও তার অস্তিত্ব ধরে রাখে। তবে আমাদের এই জন সচেতনেতার তথাকথিত গণতান্ত্রিক মোড়কে সৃষ্টি হওয়া স্বৈরাচার তাদের বহুমাত্রিক স্বেচ্ছাচারিতা ও অপরিণামদর্শী কর্মকান্ডের ভারে অল্প সময়েই ধরাশায়ী হয়ে পড়ে। তার বহুবিধ কারনগুলোর প্রধানতম হলো তারা অল্প সময়েই মাত্রাতিরিক্তভাবে স্বৈরাচারী আচরনে জনপদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে দেয়।
বাংলাদেশের আঙ্গিকে বিগত পঞ্চাশ বছরে ছোটবড় মিলিয়ে গোটা তিনেক স্বৈরশাসনের নিষ্পেষনে বাঙালী জর্জরিত হয়েছে। স্বাধীনতার প্রথম দশকে একজন আকাশ্চুম্বী জন সমর্থন পাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতা হিসাবে স্বীকৃত, বাঙালীর সেই প্রানের মানুষটি নিজের রাষ্ট্রক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করার স্বেচ্ছাচারিতায় একদেশ একজাতির একনেতা হয়েছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবনের সমস্ত অর্জনকে ধুলোয় মিশিয়ে তিনি দেশে ভিন্ন মতের বিরুদ্ধে স্টীম রোলার চালিয়ে দেশের young generationকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি মুক্তিযিদ্ধকালীন মিত্র শক্তির সহায়তায় বিশেষ খুনী বাহিনী তৈরী করে দেশে ভয়াবহ মৃত্যুপুরীর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিলেন। তবে সেই স্বৈরশাসন পরিবার পরিজনের জীবনের বিনিময়ে সাড়ে তিন বছরেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে গদিচ্যুত করে সামরিক শাসনের মোড়কে এক স্বৈরাচারী সেনাশাসক পাকিস্তানী মদদে মুসলিম বিশ্বের পেট্রোডলারের চাকচিক্যে দেশে একটানা ন'বছর তার স্বৈরশাসনের অভয়ারন্য সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু রাজনীতি ও ছাত্র জনতার দুর্বার আন্দোলনে গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই স্বৈরশাসককে গদিচ্যত করা হয়। দেশে গণতান্ত্রিক মোড়কের রাজনৈতিক সরকার ব্যবস্থা চালু হোল বটে তবে সেটাও ছিল প্রবল পরাক্রমশালী একনায়কোচিত শাসন ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি। সেক্ষেত্রে ওৎ পেতে থাকা তথাকথিত বন্ধু প্রতিবেশীর মাষ্টারপ্ল্যানে ২০০৭ সালে সামরিক কর্তাদের হাত করে এদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনীতির দলটিকে সাধারন নির্বাচন করিয়ে ক্ষমতায় বসানো হয়। নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাইয়ে দিয়ে অপর বৃহৎ দলটিকে রক্তশুন্য গ্রাসাফরাসের চেহারায় দশ শতাংশে নামিয়ে কার্যত তাদেরকে অকার্যকর হীনমন্যতায় দাঁড় করানো হয়। এর পরবর্তীতে গোটা তিনেক নির্বাচনে দেশকে মূলত বিরোধী শুন্য করে স্বৈরাচারী শাসনে জনপদে নাকাল নেমে আসে।
কাকতলীয় হলেও সত্য, সূর্য উঠার নতুন প্রভাতে যে নেতার হাত ধরে আমরা আমাদের মুক্ত বাংলাদেশের বুনিয়াদ গড়তে চেয়েছিলাম তিনিই স্বৈরাচারীর খাতায় নাম লিখিয়ে কলঙ্কিত হয়ে বংশ শুদ্ধ নির্বংশ হলেন। আবার ৩৪ বছর পর তারই ঔরষজাত কন্যা দেশের ঘুনে ধরা গণতান্ত্রিক কাঠামোর চোরাগলিতে দেশ শাসক হয়ে স্বৈরাচারী কায়দায় পৃথিবীর নিকৃষ্টতম স্বৈরশাসক হয়ে টানা পনেরটি বছর বাংলার জনগনের উপর যে অপকর্ম ও পৈশাচিক স্টীম রোলার চালিয়ে বাঙালীকে নাকাল করেছেন তা পৃথিবীর ইতিহাসের বড় বড় স্বৈরাচারকেও হার মানায়। সর্বশেষ ২০২৪ এর জুলাইয়ে শুরু হওয়া ছাত্র জনতার গণ আন্দোলনের তীব্রতায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সমস্ত বিভাগকে মাঠে নামিয়েও ব্যর্থ হয়ে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা আগষ্টের পাঁচ তারিখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে জীবন রক্ষা করেন। তবে বন্ধুবেশী প্রতিবেশী ছাড়া কোন দেশে ঠাঁই না পেয়ে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। ফলে ভারত যে প্রকৃত অর্থে কোনকালেই বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম দেশ ছিল না তা দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে যায়। এমনকি ভারতে থেকে মাফিয়া হাসিনা এবং তার অপকর্মের দলবলকে অবৈধ আশ্রয় দিয়ে ভারত সরকার যে পলাতক স্বৈরাচারকে অবাধ লাইসেন্স দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে আবারো সেই পতিত স্বৈরাচারকে পুনর্বাসিত করতে চাচ্ছে তা স্পষ্ট হয়ে যায়।
এহেন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ২০২৪ এর জুলাইয়ে সংঘটিত গণবিপ্লবের বৈধতা দেয়া এবং স্বৈরশাসকগন কর্তৃক বার বার কাটাছেঁড়া করে জর্জরিত করে ফেলা সংবিধানের সংস্কারসহ দেশের বিচার, শৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এমনকি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বতী সরকার দেশের রাজনৈতিক দল সমুহের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জুলাই ঘোষনা ও জুলাই সনদ গ্রহনের কার্যক্রম হাতে নেয়। অর্থাৎ ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষিত এবং চাহিদার নিরিখে দেশের ভবিষ্যত রাজনীতি ও রাষ্ট্রযন্ত্র সুষ্ট ও সুচারুভাবে চালু রাখার মানসে জুলাই বিপ্লবের চাহিদাকে গ্রহনযোগ্য করতে জুলাই ঘোষনা ও জুলাই সনদকে আইনে রূপান্তরে সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জুলাই সনদ এমন একটি ঘোষনা যা দেশের গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার সুষ্ঠ বিকাশের সূত্র হিসাবে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দেশে ভবিষ্যতে যেন আর কোন স্বৈরশাসক মাথাচাড়া দিতে না পারে সেসব বিষয়াদির সতর্কতা মূলক কথা জুলাই সনদে গৃহীত হয়েছে।
বাংলাদেশের জনগন রাজনীতি নামের পরিবার তন্ত্রের মোড়কে আর যেন কোন স্বৈরশাসকের চেহারা দেখতে চায় না। এরজন্য তারা তাদের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে বার বার তার প্রমানও দিয়েছে। আশা করি চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী গন আকাঙ্খার জুলাই সনদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় দেশ তার সবলীল গতিপথে ফিরে আসবে। পাকিস্তানী শাসনের যাঁতাকলে পড়ে একদিন আমাদের মাথায় বাঙালীর নিজস্ব অস্মিতায় দাঁড়ানোর শাশ্বত চাহিদার আকাঙ্খা জেগে উঠেছিল। সেদিন বাঙালী তার কাঙ্খিত চাহিদায় জয়ী হয়েছিল। আজকের দিনে স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের অভিজ্ঞতায় তারা রাষ্ট্র মেরামতে দূরাচার মুক্ত রাজনীতি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, আইন ও শৃঙ্খলার জনবান্ধব রূপ, এমনকি শিক্ষা স্বাস্থ্য অর্থনীতি, বিদেশনীতিসহ সামাজিক ও জন নিরাপত্তার বিষয়ে বাঙালীয়ানার সমগ্রতা নিয়ে এগোতে চায়। “জুলাই সনদ” এই আকাঙ্খার পরিপুরক হয়ে বাঙালীকে এগিয়ে নিবে ইন্শা আল্লাহ!
“জুলাই সনদ” ৫০ বছরের কাঙ্খিত চাহিদা
প্লট দুর্নীতির তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছর কারাদণ্ড
হাসপাতালের সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া
হংকংয়ের হাউজিং কমপ্লেক্সে ভয়াবহ আগুনে নিহত ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯
‘শুদ্ধাচার অনুশীলনে চল্লিশের চর্চা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মিত্র ঠেকাতে কৌশলী বিএনপি
শেখ হাসিনার লকারে মিলল ৮৩২ ভরি স্বর্ণ
ঢাকায় ৬.৯ মাত্রার বড় ভূমিকম্পে ৪০% ভবন ধসের পড়ার শঙ্কা
অ্যামাজন–আলিবাবা ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন দেশের রপ্তানিকারকরা
ব্যাংক খুলেছে, কিন্তু টাকা নেই, গাজায় ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
পা দিয়ে চেপে ধরে মেজর সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ: হাইকোর্ট
‘আপনি এলেই তারা আমাকে ধর্ষণ করে, আর আসবেন না’
খালেদা জিয়ার হার্ট ও চেস্টে ইনফেকশন: মেডিকেল বোর্ড
নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
প্লট দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের রায় ২৭ নভেম্বর
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



