ভাগ্নেকে ফাঁসাতে ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে ইদ্রিসকে খুন করায় মামা
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১২ মে,বৃহস্পতিবার,২০২২ | আপডেট: ১০:৪৮ এএম, ৩ এপ্রিল,শুক্রবার,২০২৬
মায়ের সম্পত্তির ভাগ চাওয়ায় মামা রবিন ভুঁইয়ার সঙ্গে বিরোধ ছিল ভাগ্নে জাহিদের। আবার ভাগ্নের সঙ্গে বিরোধ ছিল তাঁর বন্ধু ইদ্রিসের। বন্ধুত্বের বিরোধকে কাজে লাগিয়ে ভাগ্নেকে ফাঁসাতে ইদ্রিসকে খুনের ফন্দি আটেন মামা।
২০২০ সালের ২৫ আগস্ট জাহিদের ঘরের পাশে পাওয়া যায় ইদ্রিসের রক্তাক্ত লাশ।
এ ঘটনায় মা কাপাসিয়া থানার সালুয়াটেকি মোর্শেদা বেগম জাহিদকে প্রধান আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন।
হত্যাকাণ্ডের ৪ মাস পর চাঞ্চল্যকর হিসেবে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআই। মঙ্গলবার রবিনকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানতে পারে ভাগ্নে নয়, ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে ইদ্রিসকে খুন করায় মামা আব্দুর রব ভূইয়া ওরফে রবিন ভূইয়া (৫৫)। তিনি কাপাসিয়ার সালুয়াটেকি গ্রামের মৃত হাজী আব্দুলের ছেলে।
পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিন ভুইয়া স্বীকার করেছে ঘটনার তিন দিন আগে জাহিদ নিজের লাইসেন্সকৃত পিস্তল দেখিয়ে ইদ্রিসকে হত্যার ভয় দেখিয়েছিল। জানতে পেরে সুযোগ কাজে লাগানোর উদ্দেশে মামা ইদ্রসকে খুন করায়। যাতে খুনের দায়ভার ভাগ্নে সৈয়দ জহির আহসান জাহিদের ওপর বর্তায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার রাতে ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে মেজবাহ উদ্দিন বন্ধু ইদ্রিসকে খুন করায়। বুধবার আদালতে পাঠানো হলে বিচারক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন
এই বিভাগের আরো খবর
মা আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল, নিজে আর পারল না: শিশু আলিফ
অবৈধভাবে মজুদ ৮০০ লিটার পেট্রল জব্দ, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
কুমিল্লায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫
স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে হত্যার পর যুবকের আত্মহত্যা





