avertisements

চলুন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতের বি’রুদ্ধে আরেকটি যু’দ্ধ ঘোষণা করি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০১:৪৬ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার,২০২০ | আপডেট: ০৫:৪২ পিএম, ৩০ অক্টোবর,শুক্রবার,২০২০

Text

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় ভারত। তিনি বলেছেন, ভারতকে একটি ফাইনাল ওয়ার্নিং দেওয়া উচিত। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযু’দ্ধ প্রজ’ন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মা’নববন্ধ’নে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারত সুকৌশলে আমার দেশের দুই নেত্রীকে ব’ন্দি করে রেখেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশানে এবং শেখ হাসিনাকে আমলার দ্বারা আবদ্ধ করে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় ভারত। কিন্তু আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। এভাবে চলতে পারে না।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে মা’নববন্ধ’নে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না,

বিএনপির যুগ্ম মহাস’চিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ।

গণতন্ত্রকে হ’ত্যা করে হিটলারি কায়দায় দেশ চালাচ্ছে মোদি স’রকার: মমতা

টাইমস টিভি ডেস্কঃ কৃষি বিল (Farm Bill, 2020) থেকে সাংসদ বহি’ষ্কার, জিএসটির প্রাপ্য থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় গু’জব ছ’ড়ানো,

সোমবার একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রের মোদি স’রকারকে তুলোধোনা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্র ‘হিটলারি কায়দায়’ স’রকার চালাচ্ছে বলে তী’ব্র সমা’লোচনা করে মমতার হুঁ’শিয়ারি,

দেশজুড়ে আ’ন্দোলন গড়ে উঠবে। বাংলা গোটা দেশকে পথ দেখাবে। কৃষি বিল ও সাংসদদের বহি’ষ্কারের বিরো’ধিতা করে আগামিকাল, মঙ্গলবার থেকে আ’ন্দোলনে নামছে তৃণমূ’ল বলেও জানিয়ে দিলেন নেত্রী।

এদিন নবান্নের সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠকে করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কৃষি বিলের তী’ব্র নি’ন্দা করেন তিনি। বলেন, “ভুঁইফো’ড়-জোতদা’রদের হাতে ক্ষ’মতা দিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্র।

চাষিদের ভবি’ষ্যৎ ন’ষ্ট করছে।” কেন্দ্রকে ‘মজুতদার’, ‘কালোবাজারির স’রকার’ বলে কটা’ক্ষ করে মমতা আশ’ঙ্কা প্রকাশ করেন,

“দেশে এবার খাদ্যের দু’র্ভিক্ষ আসতে চলেছে।” কেন্দ্রীয় স’রকারকে সরাসরি তাঁর প্রশ্ন, “চাষিদের জন্য কী’ করেছেন? কেউ কেউ দা’বি করছেন, তাঁরাও কৃষক।

কোনওদিনও লাঙল দিয়ে দেখেছেন?” রবিবার কৃষি বিলের সম’র্থনে সাংবাদিক বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিজেকে কৃষক বলে দাবি করেছিলেন।

এদিন নাম না করেই তাঁকে ক’টাক্ষ করে মমতার শ্লেষ, “কেঁচো ধ’রতে পারে না, অজগর ধ’রতে এসেছে!”

প্রস’ঙ্গত, রবিবার কৃষি বিল নিয়ে বিরো’ধিতা করায় রাজ্যসভা থেকে তৃণমূ’ল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন-সহ আটজনকে সোমবার দিনের শুরুতেই বহি’ষ্কার করেন চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু। এরপরই টুইট করে প্র’তিবাদ জানিয়েছিলেন তৃণমূ’ল নেত্রী।

গত রবিবারকে ‘ব্ল্যাক সানডে’ বলে উল্লেখ করে সাংবাদিক বৈঠক থেকে সাংসদদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ”আপনাদের নিয়ে আমি গর্বিত।

আপনাদের পাশে আছি।” এ বি’ষয়ে বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূ’ল সুপ্রিমোর অ’ভিযোগ, “সং’সদীয় গণতন্ত্রকে হ’ত্যা করা হয়েছে। হিটলারি কায়দায় দেশ চলছে।”

এরপরই বিজেপির বিরু’দ্ধে বি’রোধীদের একজো’ট হওয়ার ডাক দেন মমতা। দেশজুড়ে আ’ন্দোলন শুরুর কথা বলেন।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements