avertisements 2

অ্যাম্বুলেন্স গর্তে পড়ে ঝাঁকুনিতে প্রাণ ফিরে পেলেন ‘ব্রেন ডেড’ নারী!

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১২ মার্চ,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৮:২৪ পিএম, ১২ মার্চ,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

ছবি : সংগৃহীত

উত্তর প্রদেশের পিলিভিটের ৫০ বছর বয়সী ভিনিতা শুক্লার জীবন ফেরার এক অবাক করা ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকরা আগেই আশঙ্কা করেছিলেন, তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। পরিবার তার শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স একটি বড় গর্তে ধাক্কা খাওয়ার পর হঠাৎ শ্বাস নিতে শুরু করেন ভিনিতা।

ভিনিতার স্বামী কুলদীপ শুক্লা বলেন, ‘আমি পরিবারের সবাইকে বলেছিলাম তার শেষকৃত্যের প্রস্তুতি নিতে। সে শ্বাস নিচ্ছিল না, হৃদস্পন্দনও ক্ষীণ ছিল। অ্যাম্বুলেন্স হাফিজগঞ্জ পৌঁছালে একটি বড় গর্তে ধাক্কা খায় এবং গাড়ি হঠাৎ নড়ে।’

কুলদীপ আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী ফের স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে শুরু করলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সবাইকে জানাই শেষকৃত্যের প্রস্তুতি স্থগিত করার জন্য।’

এরপর কুলদীপ তার স্ত্রীকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নিউরোসিটি হাসপাতাল, পিলিভিটে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে ভিনিতার অবস্থার উন্নতি হয় এবং সোমবার তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। এখন তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন।

নিউরোসিটি হাসপাতালের নিউরোসার্জন ড. রাকেশ সিংহ জানান, হাসপাতালের চিকিৎসা শুরু করার আগে তারা ভিনিতার পূর্ববর্তী চিকিৎসা রিপোর্ট যাচাই করেছেন। পূর্বের চিকিৎসায় তার মস্তিষ্কে তীব্র ক্ষতি ধরা পড়েছিল এবং গ্লাসগো কোমা স্কেল মাত্র তিন পয়েন্টে নেমে গিয়েছিল। চোখের পরীক্ষায় মায়ড্রিয়াস দেখা যায় এবং রক্ত ও লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে ভারি নিউরোটক্সিন ধরা পড়ে।

ভিনিতা পিলিভিটের বিচারিক আদালতের কপি সেকশনের সিনিয়র সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তিনি ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে স্থানীয় মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য বেরোলির হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে সেখানে তার অবস্থা আরও খারাপ হয় এবং চিকিৎসকরা বেঁচে থাকার আশা কম বলে জানায়।

কুলদীপ বলেন, ‘আমার স্ত্রী এখন আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন, মৃত্যুকে জয় করেছেন তিনি।’

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2