Main Menu

গরীবের হকটা মেরে দিলেন?

তারিকুল খান: বিগত কয়েক বছর থেকে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ব্যাক্তিগত আলাপ চারিতায় দেশে এবং বিদেশে বেশ মুখ রোচক এক আলোচনা “ ট্যানারী মালিকেরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূল্যবান কাঁচা চামড়া সস্তা দামে কিনে নিয়ে গরীবের টাকা মেরে খাচ্ছেন”। গুজব এবং বদনাম সর্বকালেই মুখরোচক, জনপ্রিয় এবং দ্রুত ডালপালাসহ বিস্তার লাভ করে।চামড়া বা ট্যানারী এবং পাদুকা ব্যাবসায়ীদেরকে তথাকথিত ভদ্র সমাজ “চামাড়” বলে একধরনের আত্মতৃপ্তি পেয়ে থাকেন। চামড়া নিয়ে যারা ব্যাবসা করেন তাদেরকে চামাড় বলাটা তেমন কোন দোষের নয় । তবে যারা বলেন তারা এর ভেতরে লুকিয়ে রাখা একটা অর্থ অনুভব করে বেশ তৃপ্তি পান; অর্থটি হল চামাড় মানে নিকৃষ্ট জাতের মানুষ যাদের ভেতর মানবিকতা বলতে কিছু নেই। অথচ সমাজে এমন কোন মানুষ নেই যিনি জীবনে কখনো মাংস খাননি, পশু জবাই করেননি বা চামড়া ছাড়ানোর কাজ করেননি।ধর্মীয়ভাবে নিজ হাতে কোরবানী করা, চামড়া ছাড়ানো ও আনুষংগিক কাজ করা ওয়াজেব।

আসল কথায় আসা যাক, চামড়ার
ব্যাবসায়ী ও ট্যানারী মালিকেরা জবাইকৃত পশুর চামড়াকে ব্যাবহারযোগ্য সামগ্রী তৈরীতে নিজেদের অর্থ, মেধা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে থাকন। এই শ্রেনীটি না থাকলে কাঁচা চামড়ার কোন মূল্য থাকতো না এবং জবাইকৃত পশুর চামড়া উৎপাদনকারীকে নিজ খরচে নিরাপদ যায়গায় বর্জ্য হিসাবে অপসারন করতে হত। চামড়া দ্বারা নানা প্রকার দৃষ্টিনন্দন ও আরামদায়ক সামগ্রী তৈরী হয় যা ব্যাবহারে মানুষের আভিজাত্য বৃদ্ধি পায়।যে কোন পণ্য সামগ্রী বা তার কাঁচামালের মূল্য নির্ভর করে তার যোগান ও চাহিদার উপরে। ব্যাবহার্য্য পণ্যের মূল্য নির্ভর অনেকটাই নির্ভর ভোক্তার পছন্দ ও পণ্যের গ্রহনযোগ্যতার উপর। বাংলাদেশে উৎপাদিত চামড়ার প্রায় ৮০-৯০% রপ্তানী হয। অতএব রপ্তানী বাজারের চাহিদা, মূল্য নির্ধারনের প্রধান নিয়ামক। সব রপ্তানীকারকই চান যে তার চামড়া ভাল মূল্যে বিক্রি হোক।মূল্য কম পেলে উৎপাদনকারীরই লোকসান।

পৃথিবীতে রূপা বা ব্রোঞ্জের চেয়ে সোনার মূল্য বেশী, কারন সোনার চাহিদা যোগানের চেয়ে অনেক বেশী।
ইদানিং সোনার মত করেই তৈরী করা হয় ইমিটেশন গোল্ড যা দেখতে এতটাই আসল সোনার মত যে অনেকেই দুটোর মধ্যে পার্থক্য ধরতে ভুল করেন। ইমিটেশন গোল্ড প্রকৃত গোল্ডের অলংকারের চাহিদা অনেটাই কমিয়ে ফেলেছে। তা না হলে সোনার মূল্য থাকতো আকাশ চুম্বী।

করোনার কারনে বিশ্বব্যাপি পেট্রোকেমিক্যালস্ ভিত্তিক পন্যের চাহিদা কমে যাওয়ার কারনে শত ডলারের প্রতি ব্যারেল খনিজ তেল এখন মাত্র দশ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

আমাদের দেশের অন্যতম কৃষি পণ্য পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ; এক সময় বিশ্বব্যাপি পাট পণ্যের চাহিদা ছিল ব্যাপক, কিন্তু বর্তমানে পাটের অনেক কৃত্রিম বিকল্প বের হওয়ার কারনে পাট পণ্যের চাহিদা অনেক হ্রাস পেয়েছে। ফলস্বরুপ কাঁচা পাটের মূল্যও কমেছে ব্যাপকভাবে।

ইদানিং আমরা তরুন প্রজন্মের ব্যাহ্রত পাদুকার দিকে তাকালে দেখতে পাই যে এসকল পণ্যের অধিকাংশই তৈরী হয় সিনথেটিক পদার্থ দিয়ে। চতুর বিক্রেতারা সিনথেটিক পদার্থের পন্যকে আর্টিফিশিয়াল লেদার বা সিনথেটিক লেদার বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। অর্থাৎ বিক্রেতারা লেদার কথাটি বিকৃত করে কৃত্রিম পণ্য ক্রেতাকে গছিয়ে দিচ্ছেন। ক্রেতা বিষয়টি বুঝতেই পারছেন না। মূলত: এ কাজটি করা হচ্ছে পৃথিবীর বিখ্যাত ফ্যাশন হাউজগুলো থেকে। পেছনের কারন হল মুনাফা; সস্তা দামের কৃত্রিম লেদারকে বেশী মূল্যের আসল লেদারের পন্য বলে বিক্রি করা হচ্ছে। সিনথেটিক পন্যের মান ও স্থায়িত্ব লেদারের পন্য থেকে অনেক কম এবং স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু নতুন প্রজন্ম এসব নিয়ে ভাবে না। তারা পোষাকের সংগে ম্যাচিং করে পাদুকা পড়তে পছন্দ করে।সর্বদা আধূনিক থাকার জন্য ক’দিন পর পরই জামা, প্যান্ট, পাদুকা বদলাতে হয়। তাই ইদানিংকালে তারা স্বল্প মুল্যের সিনথেটিক উপাদানের পাদুকা কিনে দু/চার মাস বাদে ফেলে দেয়।

তাহলে এক কথায় এই দাঁড়াল যে ফ্যাশন পণ্যের চাহিদা নির্ভর করে ফ্যাশন হাউজ কি বানাচ্ছে ও খুচরা ক্রেতা কি পছন্দ করছে ও কিনছে তার উপর। বলতে দ্বিধা নেই যে বিগত বহু বছর থেকেই চামড়া পণ্যের চাহিদা হ্রাস পাচ্ছিল; যার চুড়ান্ত প্রভাব অনুভব হয় গত বছর কোরবানীর সময় কাঁচা চামড়ার বাজারে। চামড়া পণ্যের চাহিদা কমার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে লেদারের দাম ও চাহিদা উভয় কমতে থাকে। আমাদের দেশের খুচরা ক্রেতারা বুঝতে পারেন না যে তাদেরই পছন্দের পরিবর্তনের ফলে চামড়ার দামে ধস নেমেছে। চাহিদা ও যোগানের সহজ সমিকরন বুঝতে না পেরে বলির পাঁঠা বানিয়ে একযোগে দেশজুড়ে বিশাল সংখ্যক মানুষ ঝাপিয়ে পড়েন কাঁচা চামড়ার ব্যাবসায়ী ও ট্যানারী মালিকদের উপরে। অনেক সাংবাদিক ভাই, মিডিয়া কর্মী বা কতিপয় মানুষ না বুঝে শ্লোগান তুললেন “সিন্ডিকেট করে গরীবের হক মেরে দিলেন ট্যানারী মালিকেরা”।এটি মিথ্যা এবং আনাড়ি মানুষদের কথা। যারা এগুলো বলেন তারা চামড়া বা ট্যানারী শিল্পের সাথে কোনভাবেই সংশ্লিষ্ট নন্। কোন বিষয় মতামত দিতে হলে বিষয়টি ভালভাবে বুঝতে হবে। তা না হলে সর্বনাশ হয়। সকলের অবগতির জন্য বলছি বিগত বছর কোরবানীর সময় শুধু বাংলাদেশেই নয়, পৃথিবীর অনেক দেশেই কাঁচা চামড়া ক্রেতার অভাবে ভাগাড়ে ফেলা হয়েছে বা মাটির নীচে পুতে ফেলা হয়েছে।তাহলে এটাও কি সিন্ডিকেট ছিল?

বিগত কয়েক আড়াই বছরে আন্তর্জাতিক বাজারের চামড়া মূল্যের প্রবনতা সংক্ষিপ্ত আকারে নিম্নে তুলে ধরা হল। এ থেকে বেঝা যাবে যে পৃথিবীতে বর্তমানে চামড়ার অবস্থা কেমন শোচনীয়।

ইউএসএ:
জানু ২০১৮ - ০.৫৫ ডলার/ কেজি
জুন ২০২০- ০.১৮ ডলার/ কেজি

আয়ারল্যান্ড:
জানু ২০১৮ - ১.৩০ ইউরো/কেজি
জুন ২০২০- ০.৫৮ ইউরো/কেজি

জার্মানী:
জানু ২০১৮ - ১.৩৫ ইউরো/কেজি
জুন ২০২০- ০.৩৫ ইউরো/ কেজি

ফ্রান্স:
জানু ২০১৮ -১.৩৫ ইউরো/কেজি
জুন ২০২০- ০.৫৫ ইউরো/ কেজি

ব্রাজিল:
জানু ২০১৮ - ১.০০ ডলার/কেজি
জুন ২০২০- ০.৪৫ ডলার/কেজি

আর্জেন্টিনা:
জানু ২০১৮ - ১.০০ ডলার/ কেজি
জুন ২০২০- ০.০৫- ০.১০ ডলার/কেজি।
উল্লেখ্য যে মার্চ/এপ্রিল’২০ মাসে আর্জেন্টিনায় কাঁচা চামড়া কেনার মত কোন ক্রেতাই ছিল না।

এপ্রিল, ২০২০ পর্যন্ত ব্রাজিলে পূর্বতন বছরের তুলনায় ট্যানারীর উৎপাদন কমেছে ৭০% এবং জুতার উৎপাদন কমেছে ৪৮%।
উপরের তথ্য থেকে সুস্পষ্টভাবেই বোঝা যায় যে চামড়ার মূল্য হ্রাস কেবলমাত্র বাংলাদেশেরই বিষয় নয়। বরং বিশ্বব্যাপি চামড়ার মূল্য ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

মানুষের পরিধেয় সামগ্রীর মধ্যে প্রথমত: লুঙ্গি/প্যান্ট/পাজামা, দ্বিতীয়ত: শার্ট/ কামিজ এবং তৃতীয়ত: পাদুকা। পাদুকা বা চামড়াজাত পণ্য অনেকটা বিলাসী
সামগ্রী হিসাবে বিবেচিত। মানুষের আর্থিক ক্ষমতা ভাল না হলে বিলাস সামগ্রী কিনে না। করোনাময় বিশ্বে যখন কোটি কোটি মানুষ বেকার, বহু মানুষের পেটে অন্ন দেয়া কঠিন, চিকিৎসা যখন সোনার হরিন তখন চামড়ার মত লাক্সারী পণ্য কিনবে কে? তাই সহজেই অনুমেয় আগামীতে আমাদের কাঁচা চামড়ার মূল্য কি হবে বা হওয়া উচিত।

আমাদের দেশে প্রতি বছর ক্কোরবাণীর আগে সরকারের তরফ থেকে কাঁচা চামড়ার একটা মূল্য বেঁধে দেয়া হয়। এই প্রবণতাটি মুক্ত বাজার অর্থনীতির সাথে সাংঘর্ষিক এবং ট্যানারী মালিকদের সাথে একটি অন্যায্য আচরণ। বাংলাদেশে চামড়া ছাড়া আরো বহু পণ্য উৎপন্ন হয় যা দেশীয় বা আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রয় হয়। তাদের মধ্যে কোন্ পণ্যের মূল্য সরকার বেঁধে দেন? আমরা প্রতিবছর বহু কৃষি পণ্যের দাম উৎপাদন ব্যায়ের থেকে কমে যেতে দেখি। সেখানেতো সরকার হস্তক্ষেপ করেন না। যেখানে পণ্য তৈরী করতে কৃষকের বিনিয়োগ করতে হয় সেখানেতো সরকার কৃষকদের স্বার্থের প্রোটেকসন দেন না। অথচ কাঁচা চামড়া, যা উৎপাদন করতে কোন বিনিয়োগ নেই, সেখানে কেন মূল্য বেঁধে দিয়ে চামড়া ব্যাবসায়ী ও ট্যানারী মালিকদের জাতির কাছে হেয় করা হচ্ছে?
কাঁচা চামড়ার ব্যাবসায়ী ও ট্যানারী মালিকরা সেদিন থেকে অপবাদ ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন যেদিন থেকে দেশে মধ্যস্বত্যভোগী মৌসুমি ব্যাবসায়ীদের উত্থান হয়েছে। এই মধ্যস্বত্বভোগীরা পাড়া মহল্লার মাস্তান ও রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয় পুষ্ট যাদের আসল লক্ষ্য কয়েক ঘন্টায় বিনা পুঁজিতে মুনাফা লুটে নেয়া। এরা চামড়া কিউরিং করে না, তাই তাদের মাধ্যমে হাত বদল হওয়া চামড়া হয় নিম্ন মানের।

এবৎসর কোরবানী হবে এমন এক সময় যখন দেশ করোনার কারনে বিপর্যস্ত, ব্যাবসায়ীরা দিশেহারা, সাধারন মানুষ অর্থহীন এবং বর্ষা ঋতু বিদ্যমান। স্বাভাবিকভাবেই এসময় পশুর স্বাস্থ্য ভাল না থাকারই কথা।
অতএব, আশা করা যায় নানা সমীকরনের কারনে এবছর কম সংখ্যক মানুষ কোরবানী করবেন। করোনা, গরম এবং বর্ষার কারনে যথাযথভাবে এবং সঠিক সময় চামড়া কিউরিং হবার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এখন থেকে চামড়া সংরক্ষনে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে সঠিক কিউরিং এর অভাবে চামড়ার গুনগত মান নষ্ট হবে যার খেসারত দিতে হবে ট্যানারী মালিকদের।

অনেক বিদগ্ধজন প্রশ্ন করেন যে কাঁচা চামড়ার দাম কমলেও জুতার দাম কমছে না কেন? একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন যে জুতা তৈরীর অনেকগুলো উপাদানের মধ্যে চামড়া একটি মাত্র উপাদান। জুতা উৎপাদন একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং এজন্য নানান ধরনের অনেক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। কাজেই চামড়ার মূল্য কমলেও একই মাত্রায় জুতার মূল্য কমার কোন কারন নেই। সকলের জানা প্রয়োজন যে কাঁচা চামড়ার ব্যবসা বা লেদার উৎপাদনের সাথে জুতা উৎপাদনের কোন সম্পর্ক নেই। জুতা উৎপাদন একটি স্বতন্ত্র বিষয়।

সরকারের ট্যারিফ কমিশন উদ্যোগ নিয়েছেন এবছর কাঁচা চামড়া রপ্তানি করার জন্য। ট্যারিফ কমিশনের কাছে আন্তর্জাতিক বাজারের কোন পরিসংখ্যান আছে কিনা আমার জানা নেই। ২০১৬ সন থেকে আমাদের ট্যানারী শিল্পের উপর দিয়ে নানা রকম ঝড় বয়ে যাচ্ছে। যেমন: এক দিনের নোটিশে হাজারীবাগস্থ দুই শতাধীক ট্যানারী সরকার বন্ধ করে দিলেন। হেমায়েতপুরে রাস্তাঘাটবিহীন অসমাপ্ত ট্যানারী পল্লিতে মালিকদের ট্যানারী স্থানান্তর করতে বাধ্য করা হল। যে উদ্দেশ্যে ট্যানারী স্থনান্তর করা, সেই বর্জ্য শোধনাগার পরিপূর্নভাবে চালু না করেই তা ট্যানারী মালিকদের উপর চাপিয়ে দেয়া হল।কঠিন বর্জ্য পরিশোধনের জন্য কোন ব্যাবস্থা নেই। ট্যানারী শিল্পের সাথে সংশ্লিস্ট সহায়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর কোন পূনর্বাসন করা হয়নি। ট্যানারী মালিকদের প্লটের রেজিস্ট্রশন দেয়া হয়নি। হাজারীবাগস্থ শিল্প প্লটগুলোর উপর রাজউকের রেড জোন ঘোষণার ফলে সেগুলো বিক্রি করে ট্যানারী মালিকেরা দেনা শোধের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলেন। ট্যানারী শিল্প স্থানান্তরের সময় মালিকদের যে উৎপাদন বিরতি করতে হয়েছে তার জন্য ব্যাংক ঋনের সুদের উপর কোন ছাড় দেয়া হয়নি।হঠাৎ করে ট্যানারী বন্ধ করে দেয়ার ফলে ট্যানারী মালিকেরা তাদের দেশি বিদেশি ক্রেতা হারালেন এবং উৎপাদন যে ব্যাহত হল সেজন্য কোন সহায়তা পেলেন না।

এতসব প্রতিকুলতা নিয়ে ট্যানারী শিল্প আজ কঠিন বাস্তবতার মুখে বাঁচা মরার এক সংগ্রামে লিপ্ত। কাঁচা চামড়া রপ্তানীর আগে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে এদেশের ট্যানারী মালিকরা যে বিপুল পরিমান টাকা হেমায়েতপুরে বিনিয়োগ করেছেন তার কি হবে? ট্যানারী মালিকরা যে টাকা ব্যাংক থেকে কর্জ করেছেন তারইবা কি হবে? যখন কাঁচা চামড়া রপ্তানী হবে তখন কেবল মাত্র ভাল মানের চামড়াটাই রপ্তানী হবে। বিদেশীদের ভাল মানের চামড়া দিয়ে খারাপ মানেরটা দিয়ে আমরা কি করব?

দেশীয় ট্যানারী শিল্পের জন্য কাঁচা চানড়া রপ্তানীর এই সর্বনাশা সিদ্ধান্তটা কি না নিলেই নয়? কাঁচা চামড়া রপ্তানী হলে তা হবে ট্যানারী ব্যাবসায়ীদের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার মত।

আসুন সবাই মিলে নিজেদের অজ্ঞতাবশত: চামড়া ব্যাবসায়ী বা ট্যানারী মালিকদের দায়ী না করে বরং সিনথেটিক বা আর্টিফিসিয়াল লেদারের পণ্য বর্জন করি এবং বেশী বেশী করে লেদার পণ্য ব্যাবহার করি।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT