Main Menu

পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট নুসরাতের

যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ করায় দুর্বৃত্তদের আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ফেনীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করেছেন। আলিম পরীক্ষা দিতে থাকা নুসরাত মাত্র দু’টি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পেরেছিলেন। তৃতীয় পরীক্ষার দিনই তিনি আক্রান্ত হন।

আজ বুধবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, অংশগ্রহণ করা কুরআন-হাদিস বিষয়ে তিনি এ গ্রেড পেয়েছেন। গত ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রে গেলে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

তার আগে গত ১ ও ২ এপ্রিল যথাক্রমে কুরআন মাজিদ এবং হাদিস ও উসূলুল হাদিস বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেয়ায় তাকে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে মৃত্যুশয্যায় নুসরাত বলে গেছেন। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাত মারা যান।

পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ফেনীর পরিদর্শক মো: শাহ আলম আদালতে ১৬ জনকে আসামি করে চার্জশিট জমা দেন।

চার্জশিটভুক্ত ১৬ আসামি হলেন- মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আবদুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সহসভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।

এ মামলায় মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় অন্য পাঁচজনকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করে পিবিআই। আদালত তা অনুমোদন করেন।

এ ছাড়া যৌন নিপীড়নের মামলার পর নুসরাতের জবানবন্দি গ্রহণের সময় ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে সাইবার অপরাধ আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

 


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT