Main Menu

শিল্প সাহিত্য

মিরন নাজমুল

গল্পের রানি

baby20170624212159

মেয়েটি অনেক্ষণ যাবৎ আমাকে দেখছিল। আমি লক্ষ্য করলাম তার দিকে। স্কুলের বারান্দার পিলার ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি দ্বিতীয় বার তাকালাম। বাদামি চোখে বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। মেঘনার চরের এই অজপাড়া গাঁয়ে মেয়েটি অনেক সুন্দর চোখ নিয়ে জন্মেছে। বয়স ৮/৯ বছর হবে হয়তো। পরনে রং-জ্বলা ফ্রক। পেটের দিকটা ছেঁড়া। লাইনে দাঁড়ানোর জন্য সকালের দিকের হুড়োহুড়ি কিছুটা কমেছে। আমি তানভিরের কাছে জানতে চাইলাম, পোশাক আর কেমন বাকি আছে দেয়ার জন্য। তানভির বললো- প্রায়শেষ পর্যায়ে। চর ঈশান-বালায় আমাদের কোম্পানি ঈদের পোশাক দিচ্ছে। শুধু মাত্র স্কুলের প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য। এটা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ দেয়ার জন্য। আলাপ হলো স্কুলের পরিচালকেরবিস্তারিত


বাল্য স্মৃতি ( পর্ব-১৩)

sontosh-roy

ডঃ সন্তোষ রায়: আমাদের যাদবপুর স্কুলের পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনকে সবাই হাসি-কান্নার দিন বলে ধরে নিত। দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণীতে উঠার দিনটা এ কারনেই স্মরণীয় হয়ে ছিল। আমি দ্বিতীয় হয়ে পাশ করেছিলাম ও আনন্দে লাফাতে লাফাতে মেঝদার ক্লাশের (৫ম শ্রেনী) সামনে গিয়ে তার ফলের অপেক্ষায় বসে থাকলাম। হেডমাস্টার (সহিমুদ্দিন সাহেব) তার বিরাট রেসাল্ট শিট নিয়ে একে একে নাম বলতে থাকলেন । কিন্তু মাত্র ৫০% ছাত্রের নাম বলেই তিনি টিচার্স কমন রোমে চলে যাওয়াতে বাকি ছাত্ররা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল এবং তার মধ্যে আমার মেঝদা আশুতোষ রায়ও ছিল। তার দেখাদেখি আমারও খুব কান্না পাচ্ছিল। কারন মেঝদা খুব মেধাবী না হলেও ফেলবিস্তারিত


বাল্য স্মৃতি ( পর্ব-১২)

sontosh-roy-

ডঃ সন্তোষ রায়:আমাদের বাড়িটি বাজারের খুব কাছে হওয়াতে সুবিধা অসুবিধা দুইই ছিল। সপ্তাহে ছয়দিন বাজার ও একদিন (সোমবার) হাট বসত । বাজার করার সুবিধার জন্যে আমাদের স্কুলও সোমবারে অর্ধ দিবস পড়াশুনা হত। আর সোমবার ছিল আমাদের জন্য ‘যম বার’ স্বরূপ । কারন ঐদিন সকালে উঠেই বাড়ির একমাত্র অর্থনৈতিক ফসল লেবু গাছ থেকে বেছে বেছে তুলে হাটে নেয়ার জন্যে ঝাকায় ভরে রেডি করতে হত স্কুলে যাওয়ার আগেই। শুধু লেবুই নয়, অন্যান্য শাকসবজি যা বাড়ি সংলগ্ন খেতে করা হত তাও তুলে রেডি রাখতে হত হাটে নেয়ার জন্যে। ঢাকার কাঁচা বাজারে যদি সব্জির চাহিদা বেশি থাক্ত তবে হাট থেকে পাইকাররা বাড়ি এসেই সববিস্তারিত


বাল্য স্মৃতি ( পর্ব-১১)

sontosh-roy-

ডঃ সন্তোষ রায়: আমার জেঠামশায়ের বাড়ি ছিল আমাদের উঠান লাগুয়া। তাই তার বাড়ির সব কার্যাবলী আমাদের দৃষ্টিগোচর ছিল। তার দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছিল আমার জন্মের অনেক আগেই। তার কোন পুত্র সন্তান ছিলনা বলে আমাদের দুই ভাইয়ের অনেক ফাই ফরমাস খাটতে হত বিশেষ করে বাজার থেকে পান কিনে আনার জন্যে। একদিন হয়েছে কি জেঠামশাই আমার হাতে একটি পাকিস্তানি ছেঁদা পয়সা হাতে দিয়ে বলেলেন এক পয়সার পান আনতে। তখনকার দিনে সে পয়সাতেই তিন গন্ডা (বারটা) পান পাওয়া যেত। আমি ত পসা হাতে নিয়ে লাফাতে লাফাতে বাজারে যাচ্ছি কিন্তু হঠাত করে আঙ্গুলের ফাঁক গলে পয়সা গেল রাস্তা সংলগ্ন ধানক্ষেতে হারিয়ে। আমি মুখ কাচুমুচু করেবিস্তারিত





ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT